গ্রাহক, একজিমা ত্বকের এমন একটি অবস্থা যেখানে ত্বকে প্রদাহের সৃষ্টি হয়। একজিমা একটি মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ। একবার একজিমায় আক্রান্ত হলে সেরে উঠতে অনেক সময় লেগে যেতে পারে। আবার অবহেলা করলে এ রোগ মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকলে, একজিমার ব্যপারে সতর্ক হলে এবং সঠিক চিকিৎসার সাহায্যে একজিমা থেকে সহজেই পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। একজিমার প্রকৃত কারণ নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। ত্বকের আর্দ্রতা ত্বককে ব্যাকটেরিয়া এবং যে সকল পদার্থ অ্যালার্জির সৃষ্টি করে তা থেকে রক্ষা করে। সাধারনত নিম্নলিখিত কারন সমুহকে এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার জন্য দায়ী করা হয়ঃ সাধারনত শুষ্ক বা রুক্ষ ত্বক একজিমার জন্য দায়ী কারন- এ ধরনের ত্বক ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে পারে না। লক্ষণ ও উপসর্গসমূহ :- ত্বক শুষ্ক বা খসখসে হওয়া, ত্বক লালচে, প্রদাহযুক্ত ত্বক বা ত্বকে চুলকানি ইত্যাদি একজিমার লক্ষণ। হাত ও পায়ের ত্বকে ছোট ছোট পানির ফুসকুড়ি হতে পারে। আবার ত্বকে সংক্রমণ হলে ত্বক ভেজা ভেজা হতে পারে এবং পুঁজ বের হতে পারে। ত্বকের যে সমস্ত জায়গা বারবার চুলকানো হয় সেগুলো পুরু হয়ে যেতে পারে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা--: একজিমার লক্ষণ দেখে চিকিৎসকের সন্দেহ হলে তিনি রোগের ইতিহাস জেনে ত্বকের পরীক্ষা করতে বলতে পারেন। চিকিৎসা :-- একজিমার চিকিৎসায় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এন্টিবায়োটিক, এন্টিহিস্টামিন বা হরমোন জাতীয় ওষুধ সেবন এবং স্টেরয়েড জাতীয় ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। একজিমা প্রতিরোধে করনীয় :-- যেসব বস্তু বিখাউজ বা একজিমার সমস্যা বাড়িয়ে তোলে বা যেসব খাবার খেলে এটি বাড়ে তা পরিহার করতে হবে।ধূলাবালি, ফুলের রেণু এবং সিগারেটের ধোঁয়া অর্থাৎ যেগুলো থেকে অ্যালার্জি হতে পারে সেগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে। আক্রান্ত স্থান চুলকানো যাবে না। 

পরিচয় গোপন রেখে ফ্রিতে শারীরিক, মানসিক এবং লাইফস্টাইল বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন Maya অ্যাপ থেকে। অ্যাপের ডাউনলোড লিঙ্কঃ http://bit.ly/38Mq0qn


প্রশ্ন করুন আপনিও