প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার বয়স কত ? আপনার কি শারীরিক কোন সমস্যা আছে, বা কোন অসুস্থতা? মানসিক কোন দুশ্চিন্তা কি আছে?যদি থাকে ,তবে প্রথমে সেটা দুর করার চেষ্টা করতে হবে। ঘুমের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কিছু ব্যাপার অভ্যাস করুন। - ঘুমানোর ২-৩ ঘন্টা আগে ডিনার করে ফেলুন। - ঘুমানোর আগে ইলেক্ট্রনিক্স বিছানা থেকে দূরে রাখুন। ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ৩-৪ ঘণ্টা আগে থেকে ফোন, ল্যাপটপ এসবের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা বন্ধ করুন। মাথার কাছে ফোন রেখে ঘুমাতে যাবেন না। ফোন একটু দূরে টেবিলে বা বিছানার পাশে একটা চেয়ার/ মোড়া এনে তাতে রাখুন। - রাগ কিংবা মন খারাপ নিয়ে ঘুমাতে যাবেন না।মন ভালো হয়ে যায় এরকম কিছু নিয়ে ভাবুন। -  প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার এবং ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করতে পারেন। এজন্যে একটা রুটিন বানিয়ে নিতে পারেন। -  সম্ভব হলে দিনের বেলায় ঘুম পরিহার করুন। এর ফলে রাতের ঘুমের পরিমান কমে যায়। -  বিছানা শুধুমাত্র ঘুমের জন্য ব্যবহার করুন এবং শুয়ে পরার পর বেশী সময় জেগে না থাকা ভালো ঘুমের জন্য প্রয়োজনীয়। বিছানায় শোয়ার পর মনে যদি অতিরিক্ত চিন্তা আসে তাহলে তা লিখে ফেলুন । - তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ: ভালো ঘুমের জন্য শোবার ঘর এবং শারীরিক তাপমাত্রাও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। শোবার ঘরের তাপমাত্রা খুব বেশি বা খুব কম হলে ঘুমে সমস্যা হতে পারে। শোবার ঘরের আদর্শ তাপমাত্রা হল ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি আপনার শরীরের তাপমাত্রা কমাতেও সহায়তা করবে। - ঘুমের সঙ্গে বিছানার সম্পর্ক স্থাপন: বিছানায় শুয়ে খাওয়া, টেলিভিশন দেখা ও গেইম খেলা এড়িয়ে চলা উচিত। বিছানা ঘুমানোর জায়গা, এই বিষয় মনকে বোঝাতে পারলে ঘুমানো সহজ হবে। - আলো ও শব্দ কমানো: আমাদের মন রাতের অন্ধকারের সঙ্গে ঘুমের সম্পর্ক তৈরি করে। তাই ঘুমানোর আগে ঘরের পর্দা টেনে দিয়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরি করতে হবে। কোলাহলপূর্ণ পরিবেশও নির্ভেজাল ঘুমের পথে অন্তরায়। - ব্যায়াম ও ইয়োগা: দৈনন্দিন জীবনের মানসিক চাপ ঘুমের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। যার নিয়মিত ব্যায়াম করেন তারা দ্রুত ঘুমিয়ে পড়তে পারেন। আর ইয়োগা ও ধ্যান চর্চাকারীরা গভীর বা জোরে শ্বাস নিয়ে থাকেন। ফলে মানসিক চাপের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারেন কার্যকর ভাবে, ঘুমও ভালো হয়। - পরিষ্কার বিছানা: গবেষণায় দেখা গেছে, পরিষ্কার বিছানার চাদর ভালো ঘুমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। গবেষকদের মতে, “বিছানার চাদর পরিষ্কার থাকলে ৭৫ শতাংশ মানুষেরই ঘুম ভালো হয়।” - সঠিক খাবার: চিনিযুক্ত খাবার বেশি খেলে ঘুমে সমস্যা হয়। খেতে পারেন গরম দুধ, এতে মেলে প্রশান্তির অনুভূতি। রাতের খাবারে সিরিয়াল, ভাত খাওয়া উচিত। যা সেরোটনিন হরমোন তৈরি করে, ফলে ঘুম ভালো হয়। -হাতে ৩০ মিনিট সময় নিয়ে শুতে যান। এরপর ভারি কোন বোরিং কোন বই নিয়ে শুয়ে শুয়ে পড়তে থাকুন। দেখবেন একসময় ঘুম পাচ্ছে। আপনার যদি কোন শারীরিক সমস্যা না থেকে থাকে তবে এই পদ্ধতিগুলোতে খুব দ্রুতই কাজ দিবে। নাহলে আপনার একজন চিকিৎসকের সাহায্য নিতে হবে। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও