প্রিয় গ্রাহক,  প্রশ্নটির জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। মানুষ মনে করে,অভ্যাস অলঙ্ঘনীয়। আর অভ্যাস পরিবর্তন করা খুবই কঠিন ব্যাপার। কিন্তু ধারণাটি ঠিক নয়! তবে আপনি যে এই খারাপ অভ্যাসটি ত্যাগ করতে চাচ্ছেন তার জন্য সাধুবাদ জানাই প্রথমেই। গাজার মত নেশা জাতীয় বস্তুর ছাড়ার জন্য সাইকিয়াট্রিস্ট বিশেষজ্ঞ দেখিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে বিষয়টি অনেকটাই সহজ। তবে কোন  প্রফেশনাল সাইকিয়াট্রিস্টের সাহায্য ছাড়া নিজে নিজেই যেকোনো ধরনের নেশা থেকে বের হতে হলে কঠিন মনোবল থাকা দরকার। সে ক্ষেত্রে:১. আজ এখুনি ধূমপান এবং গাজা ছাড়ার প্রতিজ্ঞা করুন। টেবিল কিংবা পকেটে রাখা সিগারেটের প্যাকেট ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলুন২. একদিন ধূমপান না করে দেখুন। এরপর পার্থক্য অনুভব করার চেষ্টা করুন। এরপর দুইদিন , তিনদিন ধূমপান থেকে দূরে থাকুন। তাহলে অভ্যাস গড়ে উঠবে।৩. আপনার আশপাশে যারা ধূমপান/গাজা বর্জন করেছে তাদের অনুসরণ করুন। তাদের স্বাস্থ্যগত কী পরিবর্তন এসেছে সেটি জানার চেষ্টা করুন।৪. একটা হিসেবে করে দেখুন তো সিগারেট কিংবা তামাকজাত পণ্যের জন্য প্রতিমাসে আপনার কত টাকা খরচ হয়? হিসেব করে দেখলে ধূমপান ছাড়া আপনার জন্য সহজ হবে। সে টাকা জমিয়ে অন্য খাতে খরচ করতে পারেন।৫. আপনার ধূমপায়ী/গাজা সেবনকারী বন্ধুদের সঙ্গ সুকৌশলে এড়িয়ে চলুন।৬. সিগারেট ছাড়ার পর তা খেতে ইচ্ছে হলে মুখে চুইংগাম, দারুচিনি কিংবা আদা চিবোতে পারেন। তাহলে ধূমপানের প্রতি আকর্ষণ কমে আসবে।৭. যে সময়টিতে আপনার ধূমপান/গাঁজা সেবন করতে ইচ্ছা করবে সে সময়ে রাস্তায় হাঁটুন, বা যেকোনো ধরনের শারীরিক পরিশ্রমের কাজ করুন যতক্ষণ না আপনার শরীরে শক্তি থাকে। তাহলে ধূমপানের চাহিদা থাকবে না।৮. যে কোন জায়গায় ধূমপান কর্নার থেকে দূরে থাকুন৯. ধূমপান বিরোধী এবং স্বাস্থ্য সচেতনতার বই পড়তে পারেন১০. নিরুপায় হলে সর্বশেষ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে কাউন্সেলিং-এর সহায়তা নিতে পারেন।আসলে ধূমপান /গাজা ছাড়ার জন্য কোন প্রস্তুতির দরকার নেই। আপনার একটি সিদ্ধান্ত ও মনোবল ই যথেষ্ট। আশা করি, তথ্যগুলো কিছুটা হলেও আপনার উপকারে এসেছে। আরো কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই জানাবেন। যেকোনো স্বাস্থ্য তথ্য ও পরামর্শের জন্য পাশে আছি সবসময়, মায়া।

পরিচয় গোপন রেখে ফ্রিতে শারীরিক, মানসিক এবং লাইফস্টাইল বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন Maya অ্যাপ থেকে। অ্যাপের ডাউনলোড লিঙ্কঃ http://bit.ly/38Mq0qn


প্রশ্ন করুন আপনিও