প্রিয় গ্রাহক, প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রিয় গ্রাহক, দেখুন, জ্বর হচ্ছে একটি রোগের উপসর্গ মাত্র। তবে দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে শরীরের সেলগুলোর স্বাভাবিক কার্যকারিতা কমে আসে বলেই জ্বরের জন্য আমরা প্যারাসিটামল দিয়ে থাকি। কিন্তু জ্বর উঠলে সর্বপ্রথম যেটা করনীয় সেটা হচ্ছে শরীরের তাপমাত্রা থার্মোমিটার দিয়ে সব সময় মেপে রাখা। এতে যদি তাপমাত্রা 102 ডিগ্রী ফারেনহাইট এর মধ্যে থাকে তবে, প্যারাসিটামল খেয়ে জ্বর নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, আরো ভালো হয় যদি কুসুম গরম পানিতে পরিষ্কার তোয়ালে ভিজিয়ে নিয়মিত শরীর পরিষ্কার করিয়ে রাখতে পারেন। 102 ডিগ্রি ফারেনহাইট এর উপরে চলে গেলে সে ক্ষেত্রে সাপোজিটরি আকারে প্যারাসিটামল নিতে হবে। যেহেতু এটি কেবল একটি উপসর্গ মাত্র এ ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে, যে আপনার জ্বর কত দিনের, জ্বর টি কি ভাইরাল নাকি ব্যাকটেরিয়াল। এজন্য আপনি প্রথম 3 দিন অপেক্ষা করতে পারেন। এতে যদি জ্বর না সারে, তবে সে ক্ষেত্রে একটি CBC বা Complete Blood Count করে নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে যে তাকি ভাইরাল নাকি ব্যাকটেরিয়াল। যদি ভাইরাল হয়ে থাকে তবে সে ক্ষেত্রে শুধুমাত্র জ্বর নিয়ন্ত্রণে রাখলেই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তা কিছুদিনের মধ্যেই ভালো করে ফেলবে, অল্প কিছু ভাইরাস ছাড়া। আর যদি ব্যাকটেরিয়াল হয়ে থাকে তবে সেক্ষেত্রে একজন নিকটস্থ ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স যথাযথভাবে সম্পন্ন করলেই, রোগটি ভালো হবে এবং সাথে সাথে এই উপসর্গটি অর্থাৎ জ্বর ও হয়ে যাবে।CBC থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে আপনার জ্বর কি ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, নাকি প্যারাসাইট জনিত কারণে হয়েছে। তবে শুরুতে জ্বর নিয়ন্ত্রণ করার জন্য প্যারাসিটামলই হচ্ছে সবচেয়ে ভালো ওষুধ। তবে এ প্যারাসিটামল খাবার আগে অবশ্যই দেখে নেবেন যে চোখের সাদা অংশ বা শরীরে হলদেটে ভাব এসেছে কিনা, যা লিভারে  প্রদাহ নিরদেশ করে, সেক্ষেত্রে কোনভাবেই প্যারাসিটামল খাওয়ানো যাবে না, শুধুমাত্র টেপিদ স্পঞ্জিং, বা কুসুম গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে শরীর মুছে রাখতে হবে। আশাকরি পুরো বিষয়টি আর কিছুটা হলেও বুঝিয়ে বলতে পেরেছি। আরও কোনো প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই আমাদের জানাবেন। যেকোনো স্বাস্থ্য তথ্য ও পরামর্শের জন্য পাশে আছি সবসময়, মায়া।

পরিচয় গোপন রেখে ফ্রিতে শারীরিক, মানসিক এবং লাইফস্টাইল বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন Maya অ্যাপ থেকে। অ্যাপের ডাউনলোড লিঙ্কঃ http://bit.ly/38Mq0qn


প্রশ্ন করুন আপনিও