প্রিয় গ্রাহক, আপনাকে ধন্যবাদ আপনার মনের কথা আমার সাথে শেয়ার করার জন্য। আপনি যে আপনার অনুভূতি এবং আচরণ নিয়ে সচেতন এটা প্রশংসনীয়। আপনি নিজেকে এবং আপনার সন্তানকে ভালোবাসেন বোঝ যাচ্ছে আপনার কথা থেকে, রাগের ফলে যে আচরণ করে ফেলছেন তার পরবর্তীতে আপনি নিজেই অনুতপ্ত অনুভব করেন ,তাই কি? আমাকে কি জানাবেন,আপনার বয়স কত? কতদিন ধরে আপনি এই আচরণ করছেন? কোন ঘটনা কি আমার সাথে শেয়ার করা যায় যে কারণে আপনি রাগ করছেন? কি কি চিন্তা করে রাগ করছেন? রাগের পর কি কি করছেন? এ থেকে বের হয়ে আসার জন্য আপনি কি কি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন? এ বিষয় গুলো জানালে আপনাকে সহযোগিতা করতে সুবিধা হবে।অনেক কারণে রাগ করে থাকি আমরা। রাগ একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। আনন্দ,দুঃখ,ভুয় এই অনুভূতির মতই রাগ। যেকোন কারণে যেকোন সময় রাগ অনুভূত হতে পারে।  খেয়াল রাখতে হবে এর ফলে কোন নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে  ব্যক্তিগত,পারিবারিক,সামাজিক,পেশাগত জীবনের উপর। যেসব কারণে রাগ হয় তা হচ্ছে- প্রত্যাশা পূরণ না হলে/মনের কথা প্রকাশ করতে না পারলে/ মানসিক চাপে থাকলে/ অন্যকিছু নিয়ে চিন্তিত থাকলে ইত্যাদি। খুঁজে দেখতে হবে কি হচ্ছে নিজের সাথে,কি কারণে রাগ  হচ্ছে।রাগ নিয়ন্ত্রণের জন্য বেশ কিছু কৌশল অনুসরণ করা যেতে পারে যেমনঃ মানসিকভাবে স্থির হওয়া/নিজেকে বুঝা এবং প্রকাশ করা সেই সাথে অন্যকে বুঝতে চেষ্টা করা/ স্থান পরিবর্তন করা এতে মনোযোগ চেঞ্জ হয়/এক গ্লাস পানি পান করা এতে নেতিবাচক চিন্তায় বিঘ্ন ঘটে/ ইতিবাচক চিন্তা করা/ নিজের আচরণের দায়িত্ব নিজে নেওয়া/ মেডিটেশন করা এর ফলে চিন্তা,অনুভূতি এবং আচরণ এর নিয়ন্ত্রণ করা যায়। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে রাগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। আশা করি আপনাকে সহযোগিতা করতে পেরেছি, ধন্যবাদ।

পরিচয় গোপন রেখে ফ্রিতে শারীরিক, মানসিক এবং লাইফস্টাইল বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন Maya অ্যাপ থেকে। অ্যাপের ডাউনলোড লিঙ্কঃ http://bit.ly/38Mq0qn


প্রশ্ন করুন আপনিও