প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। দিনে কয়বার পায়খানা করছে ? পায়খানা কি পাতলা? পায়খানা কি দুর্গন্ধ যুক্ত? ওর কি জ্বর আছে? বমি করছে কি? আপনার বাচ্চার কি পেশাপ ঠিক মতো হচ্ছে? ও কি ঠিক মতো বুকের দুধ খেতে পারছে?এই প্রশ্নের উত্তর গুলো আমাদের জানাবেন। গ্রাহক, আপনার বাচ্চা কে কি কোন ফর্মুলা দুধ খাওয়ান? আপনার শিশু যদি ফর্মুলা খায় , তাহলে ফর্মুলা দেয়া বন্ধ করতে হবে। বাচ্চা কে শুধু মাত্র বুকের দুধ খাওয়াবেন। পাশাপাশি জাউ ও কাচ কলা খাওয়াতে পারেন। পায়খানা বেশি হলে বাচ্চা কে স্যলাইন খাওয়াতে হবে। বাচ্চার হাত পরিষ্কার রাখবেন। মুখে বেশি হাত না দেয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন।অনেক সময় ডায়েপার অনেকক্ষণ পেশাপ জমে থাকলে তার উপর পায়খানা করলে পায়খানার রঙ কিছুটা পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে। তাই এখন আপাতত আপনার বাচ্চা কে ডায়েপার না পড়িয়ে ওর পায়খানার রঙ টা লখ্য রাখতে হবে।  গ্রাহক, বাচ্চার সবুজ রঙের দুর্গন্ধ যুক্ত পাতলা পায়খানা পেটের ইনফেকশনের লক্ষণ হতে পারে। সেই ক্ষেত্রে বাচ্চার antibiotic লাগতে পারে। আপনি অবশ্যই বাচ্চাকে একজন শিশু বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যাবেন। বাচ্চা যদি বুকের দুধ খেতে না চায়, বেশি কান্নাকাটি করে বা বেশি দুর্বল হয়ে পরে সেই ক্ষেত্রে দেরি না করে একজন ডাক্তারের কাছে দ্রুত নিয়ে যাবেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এসব সর্দি-কাশি ভাইরাসের আক্রমণের কারণে বা অ্যালার্জির কারণে হয় এবং এক সপ্তাহের মাথায় সেরে যায়। ছোট্ট শিশু ও নবজাতকদের এ ধরনের সমস্যায় কোনো ওষুধ বা চিকিত্সার চেয়ে সাধারণ যত্নআত্তির দিকেই জোর দেওয়া হয়। এরজন্য -আধা কাপ কুসুম গরম পানিতে চা-চামচের ৪ ভাগের ১ ভাগ লবণ গুলে স্যালাইন ড্রপ তৈরি করুন। বাজারে স্যালাইন নাকের ড্রপ কিনতেও পাওয়া যায়। -একটা তোয়ালে বা কাপড় রোল করে শিশুর মাথার নিচে দিয়ে তাকে চিত করে শোয়ান। এবার ৩০ থেকে ৬০ মিনিট পর পর দুই বা তিন ফোঁটা ড্রপ দিয়ে নাক পরিষ্কার করে দিন। -ড্রপ দেওয়ার পর কাত করে শুইয়ে দিয়ে তরল সর্দি বেয়ে পড়তে দিন, টিস্যু দিয়ে মুছে দিন। কটন বাড নাকের ভেতর ঢোকাবেন না। - আপনি বাচ্চাকে বারবার বুকের দুধ খেতে দিন। - যদি সঙ্গে জ্বর ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি হয়, তাহলে চিকিৎ সকের পরামর্শে ওষুধ খাওয়াতে পারেন। শিশুকে গরম রাখতে চেষ্টা করুন। কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছে দিন। ঠান্ডা লাগার সাধারণ লক্ষণগুলোর সঙ্গে যদি শিশু দ্রুত, ঘন ঘন শ্বাস নেয় এবং বুকের পাঁজর ভেতরের দিকে ঢুকে যায়, তাহলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন। এ দুটি হল নিউমোনিয়ার লক্ষণ। তাই ঠান্ডা লাগলে শিশুর বুকের দিকে খেয়াল রাখুন। এ ছাড়া শিশু নিস্তেজ হয়ে পড়ে, খাওয়া বন্ধ করে দেয়, জ্বরের সঙ্গে খিঁচুনি থাকে, অতিরিক্ত কাশির কারণে ঘুমাতে পারে না অথবা শিশু যা খায়, তার সবই বমি করে দেয়, তাহলে হাসপাতালে নিয়ে যান অথবা চিকিৎ সকের পরামর্শ নিন। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও