প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। জ্বরঠোসা সত্যিকারে শুধুমাত্র জ্বরের কারণে হয়ে থাকে না। ঠোটের কোণায় কিংবা বর্ডারে একগুচ্ছ ফুসকুড়ির মত হয় এবং ব্যাথা থাকতে পারে, একে জ্বর ঠোসা বা ফিভার ব্লিস্টার বলা হয়। সাধারণত জ্বর-ঠোসা হওয়ার কারন হলো একধরনের ভাইরাস- হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস এর জন্য দ্বায়ী। শরীরে কোনো কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে, যেমন কোনো সংক্রমণ বা জ্বরের পর এমন সমস্যা বেশি হয়। জ্বর-ঠোসা হলে খানিকটা আরাম পাওয়ার জন্য আক্রান্ত স্থানে বরফ লাগানো যায়। মসলাদার ঝাল ও গরম খাবার এড়িয়ে চলুন, এগুলো ব্যথা ও জ্বালা বাড়াবে। তবে কয়েকদিনেও না কমলে বা ব্যাথা বেশি হলে ডাক্তার দেখিয়ে ওষুধের পরামর্শ নিতে হবে, ডাক্তার ব্যাথার ওষুধ সহ প্রয়োজনমত অ্যান্টিভাইরাল ক্রিম ব্যবহার করতে দিতে পারেন। জ্বর-ঠোসা হলে বারবার ওখানে হাত দেবেন না। কেননা ওই হাতের মাধ্যমে এই ভাইরাস চোখ ও দেহের অন্যান্য স্থানে ছড়াবে। কখনো হাত লেগে গেলে সঙ্গে সঙ্গে হাত ধুয়ে ফেলুন। আক্রান্ত ব্যক্তির রুমাল, টিস্যু বা তোয়ালে অন্যরা ব্যবহার করবেন না। টুথব্রাশটা পাল্টে ফেলুন। সাধারণত কয়েক দিন পর এটি নিজে থেকেও সেরে যায়। তবে দীর্ঘমেয়াদি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও