প্রিয় গ্রাহক, আপনার ব্যক্তিগত বিষয়টি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।  আপনি বলেছেন যে, প্রেম করে বিয়ে করলে সুখী হওয়া যায় না এরকম একটি কথা ও মানসিকতা আপনার প্রেমিকার পরিবার ও তার আশেপাশের লোকজনদের রয়েছে। আপনার ক্ষেত্রে এমন কিছু যাতে না হয় তা নিয়ে আপনি কিছুটা চিন্তিত।গ্রাহক, আপনার বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করছি। বুঝতে পারছি যে, আপনি আপনার সম্পর্ক নিয়ে সিরিয়াস এবং কেয়ারিং। আপনাকে কি কয়েকটি প্রশ্ন জিঙ্গেস করতে পারি? আপনার কেন এই কথাটি নিয়ে চিন্তা হচ্ছে তাআমাদের বলা যায় কি? আশা করি জানাবেন। গ্রাহক, যে কোন সম্পর্কের জন্য ইমোশন্যাল বণ্ডিং একটি গুরুত্ত্বপূর্ণ বিষয়। নিজেদের মধ্যে যদি একটি বন্ধুত্ত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকে তাহলে নিজেদের চাহিদা এবং কখন কোন ধরণের রেসপন্স একজন আরেকজনের কাছে প্রত্যাশা করছে সেটি বুঝতে সুবিধা হয়। এই বোঝাপড়ার জন্য নিজেদের মধ্যে পজেটিভ ইমোশন্যাল এটাচমেন্ট থাকাটা জরুরী বয়সে যেই বড় বা ছোট হোক না কেন।আরসুখী হওয়া বলতে আমরা ঠিক কি বুঝি সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতায় একজন মেয়ে সাধারণত বিয়ের পর খুব কম সময়ই তার নিজের চাওয়া পাওয়া, মত, পছন্দ, অপছন্দগুলো নিজের মত করে পূরণ করতে পারে। এবং এই না পাওয়া নিয়ে হয়ত সামাজিক, অর্থনৈতিক ভয় এবং পারিবারিক চাপে তেমন একটা প্রতিবাদ তারা করেন না। প্রেম করে বিয়ের ক্ষেত্রে নিজেদের এই ভালো লাগা বা না লাগা নিয়ে কিছুটা হয়ত কথা বলার সুযোগ থাকে। যা হয়ত অনেকে পছন্দ করেন না। এর সাথে প্রেমের সময় আমরা হয়ত আমাদের সব ইতিবাচক বিষয়গুলো সঙ্গীর সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করি। কিন্তু আমাদের সবাই ভাল মন্দ দুটি দিকই রয়েছে, তাই না? বিয়ের পর হয়ত সেই ভালোর সাথে অন্যান্য বিষয়গুলো দেখতে হয় এবং তাতে অনেক সময় সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব পরে। যা হয়ত অনেক সময় এরেঞ্জ ম্যারেজের ক্ষেত্রে পরিবার ও সমাজ কি বলবে এটা ভেবে ম্যানেজড করে নেয়া হয় কিন্তু প্রেম করে বিয়ের ক্ষেত্রে নিজের ভালো লাগা, খারাপ লাগার একটি প্রাধান্য থাকে অনেক সময়।গ্রাহক,আপনি যদি আপনার সঙ্গীর সাথে নিজের ইমোশন্যাল বিষয়গুলি মনখুলে শেয়ার করতে পারেন, তার সাথে যদি বন্ধুত্ত্বের সম্পর্ক গড়ে উঠে তাহলে তার জন্য আপনাকে এবং আপনার জন্যও তাকে বোঝাটা হয়ত সহজ হবে, তাই না? আপনাদের মধ্যে যদি একটি বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি হয় তাহলে মানসিকভাবে আপনারা আরও কমফোর্ট feel করবেন বয়সের পার্থক্য তখন হয়ত বড় বা নেতিবাচককোন বিষয় হয়ে কাজ করবে না, তাই না?তখন নিজেকে ও নিজেদের অনুভূতিগুলো easily একজন আরেকজনের সাথে শেয়ার করতে পারবেন আর আপনিও তার সাথে আরও close হতে পারবেন। এতে একজন আরেকজনের চাহিদা, ভালো লাগা, কিভাবে এপ্রোচ করলে আপনারা আরও intimate feel করেন সে ব্যাপারগুলো আরও freely share করতে পারবেন। অর্থাৎ কি করলে সে আরও খুশি হবে এবং আপনিও comfort এ থাকবেন তা হয়ত বোঝা যাবে।শারীরিক অন্তরঙ্গতার ক্ষেত্রেও এগুলো ইতিবাচক ও সহায়ক ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করবে। এছাড়া পারিবারিক ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় দুজনের অংশগ্রহণ, মতের অমিল হলেও পরস্পরকে সম্মান করা এই বিষয়গুলিও জড়িত। আপনারা কি বিয়ে করতে চাচ্ছেন? নিজেদের ভালো মন্দকে মেনে নিয়েই এক জন আরেকজনের পাশে থাকার কমিটমেন্টই হচ্ছে বিয়ে, তাই না? নিজেদের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া থাকলে কোন  সমস্যা হলেও ইতিবাচকভাবে দুজনে মিলে সেই পরিস্থিতি ওভারকাম করা সম্ভব, তাই নয় কি? এর সাথে শারীরিক অন্তরঙ্গতার ক্ষেত্রেই ইমোশন্যাল এটাচমেন্ট জরুরী বিষয়। ইমোশন্যাল এটাচমেন্ট ভালো থাকলে এবং নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের মাধ্যমে শারীরিক উত্তেজনাকে উপভোগ করা সম্ভব।গ্রাহক, আপনার আর কোনো প্রশ্ন থাকলে সেটিও শেয়ার করতে পারেন আমাদের সাথে। মায়া আপনার পাশে রয়েছে সবসময়।

পরিচয় গোপন রেখে ফ্রিতে শারীরিক, মানসিক এবং লাইফস্টাইল বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন Maya অ্যাপ থেকে। অ্যাপের ডাউনলোড লিঙ্কঃ http://bit.ly/38Mq0qn


প্রশ্ন করুন আপনিও