সম্মানিত গ্রাহক আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।আপনি সন্তানের প্রতি বেশ সচেতন যা খুবই আশাব্যঞ্জক। গ্রাহক  তাকে কি স্বাভাবিক বাচ্চাদের চেয়ে আলাদা বলে মনে হয়?আর সন্তানকে সুস্থভাাভাবিপালন করতে অভিভাবক হিসাবে আপনি যা করতে পারেন তা হল ঃ সন্তানের জন্য একটা দৈনন্দিন রুটিন তৈরি করুন এবং সেই অনুযায়ী পরিচালিত করুন। সন্তানের ভালো কাজে প্রশংসা করুন, প্রশংসা সন্তানকে ভালো কাজে উৎসাহিত করে এবং আত্নবিশ্বাসী করে তুলে। সন্তানের সামনে অন্যের সমালোচনা করা থেকে বিরত থাকুন এবং সন্তানকে সবার সামনে সমালোচনা করবেননা।পড়ার সময় সন্তানকে চাপ না দেয়া বরং পড়াকে সন্তানের নিকটে আনন্দদায়ক করে তোলা। তাহলে সে সেচ্ছায় পড়ার আগ্রহ দেখাবে। দীর্ঘ পড়া হলে পড়াকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে পড়াতে পারেন কি ভেবে দেখা যায়। আর পড়ার মাঝে বিরতি দেয়া যেতে পারেন ১০ মিনিট বা ৫ মিনিট করে। বিরতি ক্লান্তি ও বিরক্তিভাব দূর করে থাকে। পাঠ্য বিষয়কে সহজভাবে উপস্থাপন করলে শিক্ষার্থীরা হতাশ হয়ে পড়েনা ফলে পাড়ায়ও মনোযোগ বাড়ে। সন্তানের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্হ্যের যত্ন নিন। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন। মায়া আপনার পাশে রয়েছে সবসময়।

পরিচয় গোপন রেখে ফ্রিতে শারীরিক, মানসিক এবং লাইফস্টাইল বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন Maya অ্যাপ থেকে। অ্যাপের ডাউনলোড লিঙ্কঃ http://bit.ly/38Mq0qn


প্রশ্ন করুন আপনিও