প্রিয় গ্রাহকআপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদগ্রাহক পড়ার টেবিলে ভালো লাগে না বলতে আপনি কি বুঝিয়েছেন যে পরতে ভালো লাগে না? আপনার কথা থেকে অনুভব করতে পারছি যে পড়াশুনায় মনোযোগ দিতে আপনার অসুবিধে হচ্ছে, আপনার খারাপ লাগছে, আপনি কিছুটা উদ্বিগ্ন, এমন পরিস্থিতিতে খারাপ লাগাটাই সাভাবিক, গ্রাহক, আপনি কি কোন কিছু নিয়ে চিন্তিত? মানসিক ভাবে কোন কিছু নিয়ে চাপ অনুভব করছেন? পড়ার সময় কোন বিষয়গুলো মনোযোগ এ বাধা দেয় তখন আপনার কি চিন্তা অনুভুতি হয়?আমার সাথে কি সেটা শেয়ার কিরা যায়? গ্রাহক, পড়া মনে রাখা, মনোযোগ ধরে রাখা নির্ভর করে আমাদের ব্রেইন এর স্মৃতি শক্তির উপর। তবে অভ্যাস প্রাকটিস এর মাধ্যমে একে শানিত করা সম্ভব,পড়তে আসলে কারোরই ভালো লাগে না, কিন্তু পড়ালেখা আমাদের সবাইকেই করতে হয়। পড়াটা আসলে যতটা না ভালো লাগা থেকে করতে হয়, তার চাইতে পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হয়। কবে আমার পড়া ভালো লাগবে, তখন আমি পড়বো, সেই আশায় থাকলে আসলে কখনো পড়া হবে না। তাই পড়ার অভ্যাসটা একরকম নিজের সাথে জোর করেই গড়ে তুলতে হবে। শুরুতে আপনি এক সপ্তাহ টানা প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে পড়ুন। একেবারে না পড়ার চাইতে এটা অন্তত কিছু পড়া হলো। সহজে মেনে চলতে পারবেন এরকম একটা রুটিন করে রাখুন। দিনে ২/৩ ঘণ্টা করে প্রতিদিন পড়লেই কিন্তু অনেক পড়া হয়, ভালো ফলাফল লাভ করা যায়। প্রথম সপ্তাহের পর দ্বিতীয় সপ্তাহে সময়টা ১ ঘণ্টা করে ফেলুন। এরপরের সপ্তাহে ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট, তারপরের সপ্তাহে ২ ঘণ্টা করে পড়ুন। প্রতি ৩০ মিনিট পরপর বিরতি নিবেন। নিজেকে একটা টার্গেট দিবেন, যেমন এই সপ্তাহে বাংলা দুটা কবিতা পড়তে হবে। টার্গেট পূরণ করলে নিজেকে উপহার দিন। সেটা বন্ধুদের সাথে কিছুক্ষণ আড্ডা দেওয়া, নতুন গল্পের বই পড়া, পছন্দের কিছু খাওয়া বা আপনার পছন্দের যে কোন কিছুই হতে পারে। সপ্তাহে ১ দিন পুরো সপ্তাহের পড়াগুলো রিভাইস করুন, মাসে দুবার পুরো মাসের পড়াটা রিভাইস করুন। পড়ার পাশাপাশি বারবার লিখে লিখে জিনিসগুলো প্র্যাকটিস করুন। এতে পড়া বেশ মনে থাকে। পুরানো প্রশ্নপত্র যোগাড় করে তা সমাধান করুন। এতে আপনি কতদূর শিখলেন, নিজেকে যাচাই করা হয়। পড়তে বসার সময় ফোন, ল্যাপটপ সব দূরে রাখুন। বন্ধুরা কেউ কল/ টেক্সট করলে সেটার উত্তর পরেও দিতে পারবেন। পড়ার সময়টা শুধু পড়ার জন্যই রাখুন। দেখবেন কিছুদিনের মধ্যেই পড়ার অভ্যাস গড়ে উঠবে, পড়তে তেমন খারাপ লাগবে না।আশা করি আপনাকে কিছুটা হলেও সাহায্য করতে পেরেছিআর কিছু জানার থাকলে মায়াকে বলবেন,আপনার পাশে রয়েছে,মায়া

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও