প্রশ্ন সমূহ
আর্টিকেল
মায়া শপ

মায়া প্রশ্নের বিস্তারিত




গ্রাহক আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

অনেক কারণই পিরিয়ডকে এ্যাফেক্ট করতে পারে।প্রায়ই মানসিক চাপ, জীবনশৈলী পরিবর্তনের , ওজনবৃদ্ধি , অত্যধিক ব্যায়াম এর কারন এ বিলম্ব হতে পারে। পিরিয়ড না হওয়ার আরও অনেক কারণ হতে পারে। যেমন যদি আপনার ডিম্বাশয়ে কোন সিস্ট থাকে (পলিসিস্টিক ওভারির) , বা জরায়ুতে কোন রোগ, অথবা শরীরে কোন কারনে হরমোনের তারতম্য। থাইরয়েড হরমন কিংবা প্রল্যক্টিন হরমনের পরিমানে পরিবর্তনের জন্য ও হতে পারে মাসিক। তাই এই হরমনের পরিমান জেনে নেওয়াটা ও জরুরি। কারণ বের করতে হলে আপনার একজন গাইনি ডাক্তারের কাছে গিয়ে শারীরিক পরীক্ষা করাতে হবে। 

 

যদি আপনি যৌন সঙ্গমে সক্রিয় থাকেন এবং প্রটেকশন ছাড়া যৌন সম্পর্ক স্হাপন করে থাকেন তাহলে ধরে নিতে হবে আপনি প্রেগন্যান্ট, কেননা প্রেগন্যান্সির প্রথম চিহ্ন হচ্ছে  আপনি পিরিয়ড মিস করবেন।তথাপি আপনি আসলেই প্রেগনান্ট কিনা জানার জন্য প্রেগন্যান্সি টেস্ট করতে হবে।

 

কিন্তু অনেক সময় কোন কারণ ছাড়াই অনেকদিন পিরিয়ড না হতে পারে স্বাভাবিকভাবেই। সেক্ষেত্রে কিছু করার প্রয়োজন নাই। সেক্ষেত্রে ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখাটা জরুরি । সুধু অপেক্ষা করুন।তবে অবহেলা করেন না।

 

আর যদি আপনার  পিরিয়ড স্বাভাবিকভাবে নিয়মিত থাকে এবং উপরের কারণগুলোও বাতিল করে দেওয়া যায় তখন আপনার একজন Gynaecologist কে দেখানো উচিত  অন্য কোন কারণ আছে কিনা সেটা জানার জন্যে। 

আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি , রয়েছে পাশে সবসময় মায়া আপা । 

 

 






প্রশ্ন করুন আপনিও