আত্মহত্যা ভালো হবে নাকি ঘর থেকে বের হয়ে যাওয়া???? আমার দেড় বছর বয়সে মা মারা যায়।তার ছয়মাসের মধ্যে বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করে।মহিলা খুব সুন্দরী। আমার মায়ের তুলনায় বেশী। যাইহোক,পুরুষমানুষের সৌন্দর্য পুজার ব্যপারে আর কিছু বলার নেই।তো আমার যে সৎ মা সে আমার সাথে একরকম বিহেবিয়ার করে লাইক 'তোরে না পারতে পালি,আল্লার রাস্তায় পাইল্লা দিতাছি,মা একটা জানোয়ার ছিলো রাইখা গেছে আরঅকটা আমারে জ্বালাইতে,ও না থাকলে আমার পরিবার কত সুন্দর থাকতো,বাপের সব টাকা এর উপরেই ঢালবো....আর আমার আত্মীয় স্বজন মানে পৃথিবীর আর যা আছে সবার সামনে দেখাইবো  উনি আমার অনেক কেয়ার করেন..উনি আমাকে ভালোবাসতে চান... আমার জন্য অনেক সেক্রিফাইস করছে... কিন্তু ওনারে আমি টর্চার করি। তো সবাই আমাকেই খারাপ জানে। ফ্যমিলি আত্মিয়স্বজন সবাই আমাকেই খারাপ ভাবে। আমি কখনো মাথায়ও আনি নাঅ এমন কথাও উনি সবাইকে বলে বেড়ায়...সবার সামনে কান্নাকাটি করে।বাবা তো  আর কি সবার সামনে আম্মু আম্মু ডাকতে থাকে...আমি আসলে ছোট থেকে এসব দেখে চুপ করে থাকতাম।কাউকে কখনো কনভেস করার চেষ্টা করিনি যে তারা যেমন দেখায় তেমন না।ভাবতাম..থাক এমন করবেই যেহেতু আপন মায়ের মতো কেও ই হবে না..সময় গেলে হয়তো টঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু না এখন আমার সতেরো বছর আমি পুরোপুরি ধৈর্য হারায় ফেলছি আমি আর এখানে থাকতে পারতেছিনা। এই মহিলা আমাকে শারিরীক টর্চার কম মানসিক টর্চার বেশী করে। আমি পড়ালেখা করি ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে। যেহেতু সাইন্স গ্রুপে তাই পড়ার চাপ বেশী। টাকা নিয়ে খোঁটা শুনার ভয়ে আমি কোনো টিচার নেইনি,,,নিজেই প বুঝে পড়ার চেষ্টা করি..তাই আমার খুব প্রেসার। মাঝে মধ্যে দেখা যায় ঘুম চলে আসএ..লাইট অফ করে দরজা টা হালকা লাগিয়ে বিছানায় শুলেই এসে চিল্লাফালঅলা করে। মিথ্যা অপবাদ দেয়।বলে আমি নাকি পড়ার ডং করি।ওন৩রে দেখলেই পড়ি। আমার র৩ত জেগে পরতে হচ্ছে কিছু দিন যাবৎ যেহেতু আমার টেস্ট রানিং। উনি বলে আমি নাকি রাতে সবাইকে দেখাই যে পড়ি আসলে পড়ি না।। এসব যখন বলে...এমনিতেই ঘুমাতে না পারায় মাথা ব্যথা করে তারউপর আবার এসব বলে রাগ উঠায় দেয়।আমি ওনার সাথে চিল্লাফাল্লা  করিনা। কারন সব শেষে দেখা যায় সবাই আমাকেই ভুল বুঝে।তো সেই মুহুর্তে আমি পুরোপুরি ধৈর্য হারায় ফেলি  আর সব ছেড়ে বের হয়ে যেতে ইচ্ছা করে।কিনঅতু আমিতো ইনকাম করি না..আর ঢাকার রাস্তায় রাতে মেয়েরা সেইফ না।দেখা যাবে ধর্ষন করবে ইত্যাদি তো তার চেয়ে সুইসাইড করাই বেটার মনে হয় ঐ সময়।।।আমি অনেক চিন্তিত থাকি আমার ভবিষ্যৎ নিয়ে..তার উপর সবাই আমাকে ভুল জানে তাই মন খারাপ থাকে... আমার তএমন কোনো ফ্রেন্ড নাই...আমি কারো সাথেই কখনো নিজের সমস্যা শেয়ার করিনি।আমি খুব একা হয়ে গেছি। চলার পথে আরো কত কত সমস্যার সমুক্ষিন হই... কলেজে,রাস্তায় ইত্যাদি ইত্যাদি মিলিয়ে একটা মানুষ কত ঝামেলাতেই থাকে।এসবে আমার সাপোর্ট করার জন্য তো কেও নেই বরং ফ্যমিলি থেকে সাপোর্ট পাওয়ার কথা সেখানেই আমি সবচেয়ে বড় আসামী। আমি আর জীবনের এসব মেনে নিতে পারতেছিনা। আমি শারিরীক ভাবেও দুর্বল হয়ে গেছি।মাথায় আর চাপ নেওয়াও সম্ভব হচ্ছে না।

গ্রাহক,আপনার মনের কথা গুলো জানানোর জন্য ধন্যবাদ। আপনার পরিবারের কেউ আপনাকে সাপোর্ট করেনা। আপনি অনেক কঠিন সময় পার করছেন বলে মনে হচ্ছে। তবে আপনি যে বাস্তবিক ভাবে চিন্তা করছেন তা  ইতিবাচক।  একটু ভেবে দেখবেন কি, বাইরের জগৎ এবং ঘরের অবস্থা কোনটা তুলনামূলক ভালো? জীবনে এমন অনেক সময়ই আসে যখন অবস্থার উপর নিজের কন্ট্রোল থাকেনা। আপনি ভবিষ্যত সম্পর্কে আশাবাদী হতে পারেন। হয়তো একসময় এর সমধাহ্ন হবে।  

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও