আমার বিয়ে হয়েছে চার বছর হয়ে যাইতেছে এখনো আমরা কোন পদ্ধতি গ্রহণ করি নাই। কেন বেবি হচ্ছে না এই বিষয় নিয়ে আমি আপনার সাথে কথা বলতে চাই আমি।আমি ঢাকা  দেখাইছি ডাক্তার বলছে আমাদের দুইজনের কোন প্রবলেম নাই তাহলে কেন বেবি হচ্ছে না সেটা আমি আপনার কাছে জানতে চাই আর এই জন্য কি ট্রিটমেন্ট করা উচিত সেটা জানার জন্যই আমি আপনাকে এসএমএস করছি । আপনি আমাকে একটু কাইন্ডলি জানাবেন আমি কি ওষুধ খাব কি করব। কিভাবে সহবাস করলে বেবি কনসিভ হবে সহবাসের পর কি করতে হবে সেটা আমাকে একটু কাইন্ডলি জানাবেন। কখন সহবাস করলে বেবি কনসিভ হয় সেটা আমাকে জানাবেন আর আমার একটু পিরিয়ডে প্রবলেম আছে আমার পিরিয়ডের ডেট পার হয়ে বের হয় 10-15 দিন পার হয়ে হয়। কি করা উচিত সেটা আপনি আমাকে জানাবেন। আবার পিরিয়ড আমার দশ পনেরো দিন 20 দিন 25 দিন পার হয়ে পিরিয়ড হয়। আবার অনেক সময় দেখা যায় যে সময় মত হয় কোন মাসে সময়মতো পিরিয়ড হয় আবার কোন মাসে ডেট পার হয়ে হয় এখন আমার কি করা উচিত আমি আপনার সাথে মোবাইলে কন্টাক করতে চাই অথবা আমার এই । সবকিছুর উত্তর আমি একটু তাড়াতাড়ি পেতে চাই আমাকে একটু সবকিছুর উত্তর আপনি জানিয়ে দিবে

প্রিয় গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি আপনার সঙ্গীর সাথে যৌন সঙ্গমের সময় যখন ওভ্যুলেশন হয় তখন প্রেগন্যান্ট হন। অনেক চিহ্ন আছে যার মাধ্যমে আপনি বলতে পারবেন কখন আপনি ওভ্যুলেট করছেন। কিছু বিষয়ের উপর আপনাকে নজর রাখতে হবে যেমন ধরুন শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি, vaginal discharge এ পরিবর্তন লক্ষ্যনীয় (পাতলা সূতার মত পরিমানে বেশী ওভ্যুলেশনের সময়)।প্রথমে আপনাকে যে কোন ধরনের জন্ম নিয়ন্ত্রণ যা আপনি ব্যবহার করছেন বন্ধ করতে হবে। এরপর কোন নারীর fertility সাথে সাথে ফেরত আসতে পারে আবার কারো ক্ষেত্রে বেশী সময় লাগতে পারে যা অনেকটাই নির্ভর করে তিনি কি ধরনের জন্ম নিয়ন্ত্রণ ব্যাবহার করছেন তার উপর। ওভ্যুলেশন সাধারণত ঘটে আপনার পরবর্তী পিরিয়ডের ১০-১৬ আগে। আপনার পিরিয়ড যদি নিয়মিত থাকে, ওভ্যুলেশন ক্যালকুলেটরের মাধ্যমে সহজেই বলতে পারবেন কোন সময় আপনি সবচেয়ে fertile। প্রেগন্যান্ট হতে আগ্রহী হলে এই fertile সময়ে unprotected sex করা উচিত। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া কে জানাবেন,রয়েছে পাশে সবসময়,মায়া ।কোন ধরনের জন্ম নিয়ন্ত্রনের ব্যবস্থা ছাড়া নিয়মিত ১ বছর শারীরিক মিলনের পরও কোন দম্পতির যখন সন্তান হয় না তখন তাকে বন্ধ্যত্ব বলে।সাধারন ভাবে ১ বৎসর চেষ্টা করেও গর্ভধারণ না হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে। যে মেয়েদের বয়স ৩৬ এর বেশি বা কোন কারনে গর্ভধারণে সমস্যা হতে পারে বলে সন্দেহ করছেন, তারা আগেই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন। বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সম্ভাব্য কারন গুলো পরীক্ষা করে দেখবেন এবং সে অনুযায়ী আপনাকে ব্যবস্থাপনা দিবেন। কারনসমূহঃ অনেক গুলো সম্ভাব্য কারন আছে, এবং এটা স্ত্রী, পুরুষ উভয়েরই হতে পারে। মূল কারন অনেক সময়ই খুজে পাওয়া যায় না। #মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রধান কারন গুলো হলো - অতিরিক্ত ওজন, হরমনের তারতম্য ঠিকমত ডিম্বস্ফুটন (ovulation) না হওয়া, polycystic ovarian syndrome, ডিম্ববাহী নালীতে কোন প্রতিবন্ধকতা তৈরি হওয়া এবং এন্ডোমেট্রিয়সিস (endometriosis)। #পুরুষের ক্ষেত্রে বন্ধ্যত্বের কারন হলো বীর্য সংক্রান্ত। দেখা গেছে স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করলে, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করালে বন্ধ্যত্ব প্রতিরোধ করা যায়।চিকিৎসাঃ বন্ধ্যত্বের যে সকল চিকিৎসা রয়েছে তা হল ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা, অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা,বিশেষ ব্যবস্থায় গর্ভধারণের ব্যবস্থা করা যেমন IUI (Intra Uterine Insemination) বা IVF (In vitro fertilisation) । আপনার কারন অনুযায়ী যে চিকিৎসা আপনার জন্য প্রযোজ্য সে চিকিৎসাই আপনাকে দেয়া হবে।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও