প্রশ্ন সমূহ
আর্টিকেল
মায়া ফার্মেসী

মায়া প্রশ্নের বিস্তারিত


প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। দুঃখিত গ্রাহক, এখানে আমরা কোন ওষুধের নাম দিতে পারছিনা। এরজন্য আপনাকে মায়া প্রেসক্রিপশন প্যাকেজ টি নিতে হবে। এরজন্য , আপনি promo code ( doc11) ব্যবহার করে  50% ডিসকাউন্ট পেতে পারেন।     গ্রাহক , আপনার বয়স কত? কতদিন ধরে আপনার এই সমস্যা হয়েছে ? আপনার শরীরের অন্য আর কোন অংশে দাদ হয়েছে ?  আমাদের জানান।    শরীরের যেকোন অঙ্গের চামড়ায় দাদ হতে পারে। দাদ এক ধরনের চর্মরোগ। সাধারণত শরীরের এক জায়গায় গোল চাকতির মত ফুসকুড়ি উঠে চুলকানি হয়। আর একেই দাদ বলে ছত্রাকের কারণে দাদ হয়ে থাকে। মাথায় চিরুণী দ্বারা ও পায়ে পুরোন মোজা দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে। সাধারণত ঘামে ভেজা শরীর, অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ন শরীর, দীর্ঘ সময় ভেজা থাকে এমন শরীর, ত্বকে ক্ষত আছে এমন শরীর এই ছত্রাকগুলোর স্পোর (বা, হাইফা) দ্বারা আক্রান্ত হয়। এই ছত্রাকগুলোর সুপ্তিকাল ৩ থেকে ৫ দিন। সাধারনত যে সব লক্ষ্যন দেখা দেয় :- - প্রথমে আক্রান্ত স্থানে ছোট লাল গোটা হয় এবং সামান্য চুলকায়। - পরে আক্রান্ত স্থানে বাদামী বর্ণের আইশ হয় এবং স্থানটি বৃত্তাকারে বড় হতে থাকে। - ক্রমে সুনির্দিষ্ট কিনারা সহ বৃত্তের আকার বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং মাঝখানে ত্বক স্বাভাবিক হয়ে আসে। - চুলকানি বৃদ্ধি পায়। - চুলকানোর পর আক্রান্ত স্থানে জ্বালা হয় এবং আঠালো রস বের হয়। - মাথায় হলে স্থানে স্থানে চুল উঠে যায়, -  নখে হলে দ্রুত নখের রঙ বদলায় এবং শুকিয়ে খণ্ড খণ্ড ভেঙ্গে যেতে পারে। এটি সংক্রামক রোগ। অতিসহজেই রোগী থেকে সুস্থ দেহে বিস্তার লাভ করতে পারে। রোগীর চিরুনি, তোয়ালে, বিছানা ইত্যাদি ব্যাবহার করলে এ রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভবনা থাকে। তবে রোগাক্রান্ত পোষা বিড়ালের মাধ্যমে এটি বেশী ছড়ায়। ফাঙ্গাস এড়াতে হলে শরীর শুষ্ক রাখতে হবে। কাপড় পুরোপুরি শুকনো হতে হবে। কুঁচকির ত্বক যাতে ভেজা না থাকে, সেখানে যেন আর্দ্রতা আটকে না যায় সে জন্য সিনথেটিকের অন্তর্বাস এড়িয়ে সুতির অন্তর্বাস ব্যবহার করতে হবে। সংক্রমণের ব্যাপ্তি ও ধরনের ওপর নির্ভর করে ফাঙ্গাসের চিকিৎসাপদ্ধতি। তবে সঠিক চিকিৎসায় যেকোনো ফাঙ্গাসই সারিয়ে তোলা সম্ভব। ফাঙ্গাস সংক্রমণ ঘটে গেলে সে ক্ষেত্রে ত্বকের উপরিভাগে অ্যান্টিফাঙ্গাল মলম ব্যবহার, ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, সাসপেনশনধর্মী অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ সেবন করে ফাঙ্গাল ইনফেকশন থেকে সেরা ওঠা গেলেও ফাঙ্গাস বেড়ে ওঠার জন্য অনুকূল পরিবেশ থেকে মুক্ত হতে না পারলে ফাঙ্গাসের যন্ত্রণা থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব নয়। বর্তমানে ফাঙ্গাসের অনেক কার্যকর ওষুধ বাজারে এসেছে। এগুলো সেবনে শারীরিক প্রতিক্রিয়া খুবই কম। ফাঙ্গাল ওষুধ সেবনের আগে লিভারের কোনো ত্রুটি আছে কি না তা পরখ করে নিতে হবে।চিকিৎসার আগে তিন-চার মাসের মধ্যে জন্ডিস হওয়ার ইতিহাস থাকলে তা ডাক্তারকে জানাতে হবে। অনেকেই ফাঙ্গাসকে সহজ ব্যাপার মনে করে ফার্মেসির ওষুধ বিক্রেতার কথায় ওষুধ খেয়ে থাকেন। এটা ঠিক নয বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফাঙ্গাস সংক্রমণ প্রায় ১০০ ভাগ নিরাময় করা সম্ভব। তবে সেটা আবারো হতে পারে। কারণ ত্বকে ফাঙ্গাস বেড়ে ওঠার পরিবেশ সৃষ্টি হলে সেখানে ফাঙ্গাস বেড়ে উঠতে চেষ্টা করবে। তাই ফাঙ্গাস প্রতিরোধে যেসব ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে তা হচ্ছে পা, আঙুলের ফাঁক,নখের গোড়া ভালো করে সাবান দিয়ে পরিষ্কার করা । প্রতিরোধ ব্যবস্থা : * ফাংগাস আক্রান্তদের অন্য কোন সুস্থ্যদের সঙ্গে একত্রে  ঘুমাতে দেয়া উচিত নয় * রোগীর ব্যবহৃত কাপড় চোপড় ও চিরুণী ভাল ভাবে পরিষ্কার না করে অন্য কারো ব্যবহার করা উচিত নয় * রোগ প্রকাশ পাওয়া মাত্র চিকিৎসা করাতে হবে। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।


প্রশ্ন করুন আপনিও