গ্রাহক,  সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রোদের তেজ সবচেয়ে বেশি থাকে। তাই চেষ্টা করুন এই সময়টায় না বেরোতে। সবসময় এটা সম্ভব হবে না। তাই যতটা সম্ভব চেষ্টা করুন।খুব তেলমশলা যুক্ত খাবার খাবেন না। এমন খাবার খান যা সহজে হজম হবে। প্রচুর পানি খান। জলীয় খাবার বা রসালো ফল খেতে পারেন। গরমে রোজ খাবারের পাতে রাখুন তেলমশলা ছাড়া হালকা খাবার। টক দই খেতে পারেন। তবে রাস্তাঘাটে একেবারেই ফ্রুটজুস খাবেন না। কারণ এইসব ফ্রুটজুস থেকে পেটে নানারকম ইনফেকশন হতে পারে। ডাইরিয়া কিংবা জন্ডিস হওয়ার ভয়ও থাকে।গরমকালে গায়ে কোনোরকম তেল মাখবেন না। এতে অ্যালার্জি, র‍্যাশ কিংবা ঘামাচির পরিমাণ বাড়তে পারে।সিন্থেটিক পোশাক পরবেন না। যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। নরম সুতির পোশাকই গরমের জন্য আদর্শ। খুব গাঢ় রংয়ের বদলে একটু হাল্কা রংয়ের পোশাক পরলে অনেকসময় গরমে তা আরামদায়ক হয়।রাস্তায় বেরোলে সবসময় সঙ্গে রাখুন সানগ্লাস, ছাতা, স্কার্ফ কিংবা টুপি। আর অবশ্যই ব্যাগে রাখুন পানির বোতল। রাস্তাঘাটে যেখানে সেখানে পানি না খাওয়াই ভালো। রোদের তেজ এড়াতে সুতির স্কার্ফে মুখ বা শরীরের অন্যান্য অংশ ঢেকে রাখাই ভালো।বাইরে থেকে ঘেমেনেয়ে এলে যত দ্রুত সম্ভব গোসল করে ফেলুন। নইলে শরীরে জমাট বাঁধা ঘামের থেকে ফাঙ্গাল ইনফেকশন হতে পারে। তাছাড়া ঘাম বসে গেলে সর্দি, কাশি, জ্বর হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে,বাইরের গরম থেকে এসে সঙ্গেসঙ্গে ঠান্ডা কিছু খাবেন না। আগে শরীরকে ঠান্ডা হতে দিন। নরমাল টেম্পারেচারের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিন। তারপর ঠান্ডা পানি বা এ জাতীয় জিনিস খেতে পারেন।রোদের তাপে শরীর ট্যান পড়ে যাওয়া গরমকালের একটা বড় সমস্যা। তাই বাইরে বেরনোর সময় অবশ্যই সানস্ক্রিন লোশন লাগিয়ে বেরোবেন। মুখ কিংবা শরীরের বাকি অংশের ট্যান তুলতে ব্যবহার করুন ঘরোয়া পদ্ধতিতে বানানো ফেস প্যাক। মুলতানি মাটি, গোলাপ জল, শশার রস, টমেটোর রস ট্যান তুলতে খুবই সাহায্য করে।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও