প্রশ্ন সমূহ
আর্টিকেল
মায়া ফার্মেসী

প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার কি কাশির সাথে রাতে হালকা জ্বর আসে? আপনার কাশি যদি তিন সপ্তাহের বেশি হয়ে যায় তাহলে অবশ্যই ডাক্তার দেখাতে হবে এবং তার পরামর্শ অনুযায়ী কিছু পরীক্ষা করতে হবে। তত আপনি কিছু নিয়ম মেনে চলুন - গার্গল বা কুলকুচি: এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে আধা চা-চামচ লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করতে হবে। এক সপ্তাহ প্রতিদিন তিন বেলা করে কুলকুচি করবেন। এতে কফ, কাশি এবং গলাব্যথা সবই খুব দ্রুত কমে যাবে। এটি খুবই কার্যকর একটি পদ্ধতি। মধু: এক কাপ লেবুমিশ্রিত চায়ের মধ্যে এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। মধু কাশি কমাতে সাহায্য করে এবং গলাব্যথা কমায়। এ ছাড়া আদা চা, গরম পানি খাওয়া, গলায় ঠান্ডা না লাগানো নিয়মিত মেনে চললে কাশি দ্রুত ভালো হয়ে যায়। এরপরও কাশি ভালো না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কাশি প্রতিরোধে - * ঠান্ডা খাবার ও পানীয় পরিহার করা * কুসুম কুসুম গরম পানি পান করা ভালো। হালকা গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করা উচিত। * প্রয়োজনমতো গরম কাপড় পরা। তীব্র শীতের সময় কান-ঢাকা টুপি পরা এবং গলায় মাফলার ব্যবহার করা ভালো। * ধুলাবালি, ধূমপান এড়িয়ে চলা। এর জন্য মাস্ক ব্যবহার করা। * ঘরের দরজা-জানালা সব সময় বন্ধ না রেখে মুক্ত ও নির্মল বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা। * তাজা, পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা, যা দেহকে সতেজ রাখবে এবং রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করবে। * হাত ধোয়ার অভ্যাস করা। বিশেষ করে চোখ বা নাক মোছার পরপর হাত ধোয়া। * সাধারণভাবে রাস্তায় চলাচলের সময় মাস্ক পরা, আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকা এবং তার ব্যবহৃত জিনিসপত্র ব্যবহার না করাই ভালো। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়াকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া ।


প্রশ্ন করুন আপনিও