প্রিয় গ্রাহক, আপনার ব্যক্তিগত বিষয়টি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। আপনি বলেছেন, আপনি অনেক ডিপ্রেশনে আছেন। বাঁচার মতো কোনো রাস্তা দেখছেন না। আপনার আত্নহত্যা করতে ইচ্ছা করছে।প্রিয় গ্রাহক, আপনার বিষয়টি বুঝতে চেষ্টা করছি। আপনাকে কি কয়েকটি প্রশ্ন জিঙ্গেস করতে পারি? আপনার বয়স কত? আপনার ডিপ্রেশনের কারণগুলি কি আমাদের বলা যায়? কবে থেকে এমনটা feel করছেন? আপনি বলেছেন, বাঁচার কোন রাস্তা দেখছেন না, আত্মহত্যা করতে ইচ্ছে। এরকম কেন feel করছেন তা কি আমাদের সাথে শেয়ার করা যায়? বুঝতে পারছি কোন নেতিবাচক অভিঙ্গতার কারণে আপনারয় হয়ত এরকম মনে হচ্ছে। আশা করি আমাদের সাথে এগুলো শেয়ার করবেন।প্রিয় গ্রাহক,কারো ডিপ্রেশন বা বিষন্নতা আছে কি না এটা বলার জন্য নির্দিষ্ট কিছু সিম্পটম থাকার প্রয়োজন হয়। নিম্নবর্তী ৯ টি সিম্পটমের মধ্যে যদি ৫ টি সিম্পটম দু সপ্তাহের বেশি সময় ধরে থাকে তখন তার ডিপ্রেশন আছে বলা যেতে পারেঃ ১. প্রতিদিন প্রায় প্রতিটা সময় মন খারাপ থাকা, ২. কোন কাজেভাল লাগার অনুভূতি না পাওয়া, ৩. বড় মাপের ওজনের পরিবর্তন, ৪. Insomnia বা ঘুমের সমস্যা ৫. প্রায় প্রতিদিনই বিরক্তি, ৬. ক্লান্তি বা কম এনার্জি অনুভব করা, ৭. অসহায়ত্ব বা অপরাধবোধে ভোগা, ৮. চিন্তা বা মনোযোগ দেয়ার ক্ষমতা হ্রাস বা সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা, ৯. মৃত্যুর চিন্তা আসা।        আপনার ভিতরে এসবের কোন কোন সিম্পটম গুলো feel করেছেন? আশা করি জানাবেন। সাধারণত হতাশ বোধ করলে আমরা সব ধরনের কাজের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলি এবং নিজেকে আশেপাশের মানুষ এবং কাজ থেকে গুটিয়ে নেই। যদি আপনি নিজেকে সবকিছু থেকে দূরে সরিয়ে রাখেন তা আপনার সমস্যার স্থায়িত্ব বাড়ানোর পক্ষেই কাজ করবে। সেক্ষেত্রে আপনি আপনার ফেলে রাখা কাজগুলোকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে অল্প অল্প করে করতে পারেন। আপনার অধিকাংশ সময় মন খারাপ থাকে then আপনি আপনার পছন্দের কাজ অর্থাৎ যে কাজগুলো আপনাকে আনন্দ দেয় তার একটা তালিকা তৈরি করতে পারেন। এবং আপনার দৈনন্দিন জীবনে পছন্দের কাজ গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। এই কাজগুলো যেহেতু আপনার পছন্দের সুতরাং তা আপনার মন ভাল রাখতে কার্যকর হতে পারে। পছন্দের কাজের মধ্যে যে কোন কিছুই থাকতে পারে যেমনঃ বই পড়া, গান শোনা, কোথাও ঘুরতে বের হওয়া, কাছের মানুষদের সাথে আড্ডা দেয়া ইত্যাদি। আনন্দের কাজগুলোর পাশাপাশি আপনি নিজের দক্ষতা বৃদ্ধির চেষ্টাও করতে পারেন। যে সব বিষয়ে আপনি আপনার দক্ষতা বৃদ্ধি করতে ইচ্ছুক সে বিষয়গুলোতে দক্ষতা অর্জন করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে আপনি যদি ধীরে ধীরে আপনার দক্ষতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হন তা আপনার মধ্যে একটা ভাল লাগার অনুভূতি তৈরি করতে পারে। এই দক্ষতাগুলো আপনাকে আপনার পরিবারকে সাপোর্ট করার ক্ষেত্রেও কাজে লাগতে পারে যা আপনার মনকে চনমনা রাখবে।মন খারাপ চলমান রাখার জন্য কাজ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেয়ার পাশাপাশি আমাদের অভ্যন্তরীন কিছু নেতিবাচক চিন্তাও কাজ করে। সাধারনত যখন আমাদের মন খারাপ তখন আমাদের মাথায় অনেক নেতিবাচক চিন্তা আসে আপনার মাথায় আসা এমন নেতিবাচক চিন্তাগুলোকে শনাক্ত করুন। শনাক্ত করার পদ্ধতি হিসেবে ডায়েরীতে লিখতে পারেন। পরবর্তীতে এই চিন্তাগুলো কতটুকু যৌক্তিক ভেবে দেখতে পারেন। নেতিবাচক চিন্তার পরিবর্তে পজিটিভ চিন্তা করতে পারলে আপনার মনটা ভাল থাকবে বলে মনে করছি। প্রিয় গ্রাহক, আমাদের সবার লাইফেই কিন্তু ups and downs থাকে। নিজের সক্ষমতা এবং নেতিবাচক আবেগকে সবার সাথে share করে আমরা কিন্তু চাইলেই এরকম situation কাটিয়ে উঠতে পারি, তাই না? এখন হয়ত আপনি অন্য কোন option দেখছেন না কিন্তু ইতিবাচক option যে তৈরি হবে না তাও তো না, তাই না? আবেগের কারণে আমাদের অনেক সময়ই এরকম নিজেদের শেষ করে দিতে ইচ্ছে হয়। এই অনুভূতি কিন্তু সাময়ীক। কিছু সময় পর কিন্তু আমরা আবার এই situation কাটিয়ে উঠতে পারি। আমাদের সবার মধ্যেই সে সক্ষমতা রয়েছে। কাছের এবং বিশ্বস্ত কারো সাথে কি আপনার বিষয়গুলি নিয়ে কথা বলে দেখেছেন? মন খারাপের কথাগুলি কারো সাথে শেয়ার করলেও কিন্তু অনেক সময় ভাল feel হয়, চাপ কমে।আপনি চাইলে একজন কাউন্সিলর কিংবা সাইকোথেরাপিস্টের কাছে সেশনও নিতে পারেন। তাহলে আপনার depression ও emotional বিষয়গুলি এবং কিভাবে depression কে daily life এ overcome করা যায় তা সম্পর্কে পরিস্কার ধারণা পাবেন। আপনি  এখানে  https://www.ecpdu.net  (01967867933) অথবা এখানে http://npudu.org/ যোগাযোগ করতে পারেন ।-মায়া আপা  

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও