প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।  সাধারণত এই ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হওয়ার দুসপ্তাহ পর শরীরের বাইরে এর প্রকাশ ঘটে। এর ঘাঁগুলি দুই থেকে চার সপ্তাহর ভিতর শরীরে ফুটে ওঠে। ঘাঁগুলি সাধারণত যৌনাংগ বা মলদ্বারের কাছে একটা বা একাধিক গুটির মতো দেখা দেয়। প্রথমে এই গুটিগুলি দেখা দেওয়ার পরে এইগুলি ফেটে গিয়ে স্পর্শকাঁতর ঘাঁ হয়ে যায়। এই ঘাঁগুলি ঠিক হতে ২ থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগে। এর কয়েক সপ্তাহ কয়েক মাস পর গুটিগুলি পুনরায় দেখা দেয়। অবশ্য পরেরবার ঘাঁগুলি আগের বারের চেয়ে কম ভয়াবহ হয় ও সময় মতো শুকায়। এই সংক্রমণ শরীরে অনির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত থাকতে পারে। অবশ্য একবছরের ভিতর এই ঘাঁর পরিমাণ ধীরে ধীরে কমতে আরম্ভ করে। এর অন্যান্য উপসর্গ গুলি হ’ল- ফ্লুর মতো জ্বর, গ্রন্থি ফুলে ওঠা।জেনিটাল হারপিসের ক্ষেত্রে প্রাথমিক অবস্থায় যৌনাঙ্গ, পায়ুপথ বা মুখের পাশে এক বা একাধিক ব্লিস্টার দেখা দিতে পারে। ব্লিস্টারগুলো ফেটে ব্যথাযুক্ত ক্ষতস্থানের সৃষ্টি করে থাকে। তখন রোগীর শরীরে ব্যথা, জ্বর এবং গ্রন্থি ফুলে যেতে পারে। যে কারণে হারপিস ভাইরাস বিস্তার লাভ করে তা পরিহার করলে সৃষ্ট রোগগুলো থেকে সহজেই পরিত্রাণ লাভ করা যায়। বিবাহ বহির্ভূত দৈহিক মিলন থেকে বিরত থাকতে হবে। হারপিস ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট কোনো আলসার বা ঘা ভালো না হলে বা বারবার দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে; যেহেতু কিছু কিছু হারপিস ভাইরাস অনকোজেনিক ক্যান্সার সৃষ্টিকারী হয়ে থাকে। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও