প্রিয় গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।শিশু যখন প্রথম বাইরের খাওয়া শুরু করে তখন একজন মায়ের এক নতুন যুদ্ধ শুরু হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে প্রথম যে বিষয় মনে রাখতে হবে তা হল খাওয়া নিয়ে শিশু কে কখনই জোর করা যাবে না। নতুন কোন অভ্যাস তৈরি করতে কিছু সময় এবং ধৈর্য ধারন করতে হয়। এর জন্য আপনি যা করতে পারেন-# খাওয়ার সময় মেনে চলতে হবে, প্রতিদিন একই সময় মেনে খাওাতে হবে।# শিশু যদি বুকের দুধ খায় তাহলে দুধ এবং অন্য খাওয়ার মধ্যে কিছু সময় বিরতি রাখতে হবে।# খাওয়ার সময় টিভি বা অন্য কিছু দেখিয়ে খাওাবেন না।# খাওয়া নিয়ে জোর করা যাবে না। তাহলে শিশুর ভীতি তৈরি হবে। একবার খেতে না চাইলে ১ ঘন্টা পর চেষ্টা করুন।#প্রথমেই এক সাথে অনেক নতুন খাবার শুরু করবেন না। নতুন কোন খাবার শুরু করলে আগেয় শিশু কে তার স্বাদ বুঝতে দিন, সেটা তে অভ্যস্ত হলে তারপর আরেকটি খাবার দিতে পারেন।গ্রাহক আপনাকে কিছু প্রশ্ন করি - আপনার শিশু কি পায়খানা করার সময় কান্না করে? পায়খানা কি শক্ত ? পেট শক্ত হয়ে ফেপে থাকে? সপ্তাহে ৩ বারের মত পায়খানা করে ? খাওয়া দাওয়া কি আগের চেয়ে কমে গেছে?এই সকল সমস্যা যদি আপনার শিশুর মধ্যে দেখা যায় তাহলে কিছু কারণ লক্ষ্য করতে হবে-* হটাত ফর্মুলা খাওয়া শুরু করেছে কিনা - বুকের দুধের চেয়ে ফর্মুলা হজম হতে সময় বেশি নেয়*নতুন শক্ত খাবার শুরু করলে - শিশু যখন প্রথম বাইরের খাবার খায় তখন তার শরীর নতুন এই খাবার এর সাথে অভ্যস্ত হতে সময় নেয়. কম আশ যুক্ত খাবারেও সমস্যা তৈরী হয়.*পানিশুন্যতা - শিশু পানি কম খেলেও এই রকম সমস্যা হতে পারে.* কিছু শিশুর ক্ষেত্রে কষা পায়খানার সমস্যা টি জন্মগত . তারা প্রথম থেকে রেগুলার পায়খানা করে না.ভয় পাবেন না, ধৈর্য ধরে নিচের নিয়মগুলো মেনে চললে আসা করি সমস্যা কমে যাবে-#আপনার শিশু যদি ফর্মুলা খায় , তাহলে ফর্মুলা দেয়ার মাঝে মাঝে তাকে বাড়তি পানি খাওয়াবেন. আর ফর্মুলা কৌটায় দেয়া পদ্ধতি অনুযায়ী বানাবেন. #শিশু যদি নতুন সলিড খাবার খাওয়া শুরু করে তাহলে খাদ্যতালিকায় খিচুরির সাথে সবজি দিতে পারেন. # ফলের রস খাওয়াতে পারেন.#শিশু যখন পায়খানা করবে তখন শোয়ানো অবস্থায় তার পা দুটি বাই সাইকেল চালানোর সময় যেভাবে পা নাড়ানো হয় সেভাবে নাড়াবেন.ডায়াপার রাশ এর জন্য পরানোর আগে ভ্যাসলিন ব্যবহার করবেন. দীর্ঘ খান একই ডায়াপার পরিয়ে রাখবেন না. আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন,রয়েছে পাশে সবসময়,মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও