প্রশ্ন সমূহ
আর্টিকেল
মায়া ফার্মেসী

প্রিয় গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ঘাম শরীরের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। শরীরের ভেতরে যে তাপমাত্রা আছে- এটি যাতে সহজে বের হয়ে যায় এবং ভেতরে বেশি গরম না হয়ে যায় সে জন্য ঘাম হয়। তার মানে হচ্ছে, ঘাম যখন হয় তখন শরীরের কিছু তাপমাত্রা নিয়ে সে বের হয়ে আসে এবং বাইরের আবহাওয়ায় এসে সেটা শুকিয়ে যায়। বাইরের সঙ্গে ভেতরের তাপমাত্রা রক্ষা করা। এটা খুব প্রয়োজনীয়।গরম আবহাওয়ার মধ্যে বা পরিবেশের মধ্যে যে যাবে তখনই ঘাম হবে, এটাই স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে ওই স্বাভাবিক তাপমাত্রায় বা ওই তাপমাত্রায় অনেকে রয়েছে বেশি ঘামা শুরু করে।আবার অনেক সময় কোনো কারণ ছাড়াই ঘাম হয়। হাত পা ঘামে, এটি অনেক সময় কোনো কারণ ছাড়াই। কেউ কেউ একটু স্নায়বিক চাপে পড়লেও ঘেমে যায়।শুধু যে গরম বা আর্দ্র আবহাওয়ায় ঘামে তা নয়। কেউ কেউ আছে খাবার সময় অতিরিক্ত ঘামে। কেউ আছে পরীক্ষার হলে বসে অতিরিক্ত ঘামে বা মৌখিক পরীক্ষার বোর্ডে বসে অতিরিক্ত ঘামতে থাকে। এগুলো সব স্নায়ুজনিত ঘাম। এতে দুশ্চিন্তারর কারণ নাই।
আবার থাইরয়েডের সমস্যার জন্য অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে। আপনার কি হাতে কম্পন হয় বা ওজন কমে যাচ্ছে?- যদি তা হয়, এর মানে হল আপনার থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্যহীনতা আছে। আপনার থাইরয়েড হরমোনের আধিক্যের কারণে ঘামও বেশি ঝরতে পারে।এটা জানার জন্য আপনার ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত এবং থাইরয়েড হরমোন , ব্লাড পরীক্ষা করা উচিত।

আপনার জন্য কিছু সমাধান :-
1. অ্যান্টি পারস্পিরেন্টঃ ফার্মেসি বা কসমেটিকের দোকানগুলোতে আপনি কিছু অ্যান্টি পারস্পিরেন্ট পাওয়া যায় যাতে লো ডোজে অ্যালুমিনিয়াম থাকে। এইসব অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট ব্যাবহার করেও এই ধরণের সমস্যা থেকে সাময়িকভাবে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।
প্রেসক্রিপশন মেডিসিনঃ এই সমস্যা হলে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। তারপর ডাক্তার যেমন ওষুধ দিবে সেসব সময়মতো গ্রহণ করতে হবে।
পানিতে বার বার হাত ধুয়ে নিনঃ পানির কলের নিচে কিছুক্ষণ ধরে হাত ধুলে ঘাম গ্রন্থি কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ হয়ে যাবে। এভাবে সাময়িকভাবে কিছুক্ষণের জন্য ঘামানো বন্ধ করা যাবে।
এছাড়া আরও কিছু উন্নত পদ্ধতি আছে যা জানতে সরাসরি একজন চর্ম রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।
আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়াকে জানাবেন,রয়েছে পাশে সবসময়,মায়া ।


প্রশ্ন করুন আপনিও