প্রিয় গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।  গ্রাহক, বড় দের মত ছোট দের ও অনেক সময় হজমের সমস্যা থেকেই পেটে ব্যথা, বমি, গ্যাস্ট্রিক—সব কিছু মিশেমিশে বেশ জটিলতা দেখা দেয়। অতিরিক্ত জাঙ্কফুড ও বাইরের খাবার খাওয়ার কারণে বাচ্চাদের মধ্যে গ্যাস্ট্রোইসোফেগাল রিফ্লাক্স ডিজিজ সমস্যা দেখা যায়। এক বছরের বাচ্চা থেকে বড় বাচ্চাদের মধ্যেও তাই হজমের গোলামাল দেখা যায়। আর এখন দু-তিন বছরের বাচ্চারাও জাঙ্ক ফুড খাচ্ছে।আবার অনেক সময় দেখা যায়, কৃমি থেকে পেট ব্যথা হওয়া । কৃমি এক ধরনের প্যারাসাইট, যা শরীরে ঢুকে সাধারণত অন্ত্রে বাসা বাঁধে। আপনার বাচ্চা যা খাচ্ছে তার ওপর কৃমি বেঁচে থাকে এবং বড় হয়। এইভাবেই ক্রমশ কৃমির বংশ বৃদ্ধি হতে থাকে। স্টুল টেস্ট করে বোঝা যায় কৃমি হয়েছে কি না। কৃমির প্রধান চিকিত্সা ডিয়ওর্মি। তবে শুধু বাচ্চার ডিয়ওর্মি করালেই হবে না। ছয় মাস অন্তর বাড়ির বাচ্চার সাথে বাড়ির সকলের ডিওয়র্মি করা জরুরি। প্রতিরোধ ১।  বাচ্চাকে একেবারে বেশি করে না খাইয়ে, বার বার করে, ছোট ছোট মিল খাওয়ানো উচিৎ। সেমিসলিড খাবার খাওয়ালে বাচ্চার হজমে সমস্যা হবে না।২। অনেক মা-বাবাই ভাবেন যে বেশি খেলেই বোধহয় ভালো। বেশি খাওয়া নয়, বরং ব্যালেন্সড ডায়েট জরুরি। ৩। বাচ্চাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব বোঝান। খাওয়ার আগে হাত ভালো করে সাবান দিয়ে ধোয়া, নোংরা হাত মুখে না দেওয়া, বাইরে থেকে খেলে এসে হাত-পা ধুয়ে নেওয়া ইত্যাদি ছোটবেলা থেকেই শেখানোর চেষ্টা করুন।৪। কৃমি থাকুক বা না থাকুক বাচ্চাদের তিন মাস অন্তর ডিওয়র্মি করা # আর দুই-তিন দিন খাদ্যাভাস পরিবরতনের পরেও বাচ্চার বমি ঠিক না হলে একজন শিশু-বিশেষজ্ঞ এর কাছে নিয়ে যান। আর , বাচ্চার ইউরিন / পেসাব হচ্ছে কিনা খেয়াল রাখুন। অনেক সময়, বাচ্চার ফুড পয়সোনিং হলে , ইউরিন আউটপুট কমে যায়। খেয়াল রাখুন । পেটে খুব ব্যাথা বা বমি বা পেসাব কমে গেলে দ্রুত ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান।আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন,রয়েছে পাশে সবসময়,মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও