প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রতিদিন শিশুর খাদ্য তালিকায় ভাত, রুটি ও আলুর তৈরি খাবার রাখুন। শিশুর মজবুত দাঁত ও শক্ত হাড় গঠনে বেছে নিন দুধ ও দুধ জাতীয় খাদ্য, ডিম, তিল, মাখন, চর্বিযুক্ত মাছ, শালগম, সরিষা শাকসহ নানা রকম সবুজ শাকসবজি। নিন প্রোটিন ও আয়োডিন যুক্ত খাবার। শিশুর জন্য পর্যাপ্ত প্রোটিন ও আয়োডিনের চাহিদা পূরণ করতে দুধ, ডাল, ডিম, মাংস, পনির ছাড়াও শিশুকে খেতে দিন সামুদ্রিক মাছ।তেল ও চর্বি জাতীয় খাবার যেমন—ঘি, মাখনও শিশুর জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন। কারণ এসব খাবার শিশুর শরীরে স্নায়ু টিস্যু তৈরি করে এবং শরীরের ভেতর থেকে তাপ বের হতে বাধা দেয়। একই সাথে বাড়ন্ত শিশুর প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে নানা রকম সবুজ শাকসবজি ও মৌসুমি ফল। কারণ এগুলো শিশুর শরীরে ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ করে এবং বিভিন্ন হরমোন ও লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে। তাই শিশুকে ভাত, মাছ, সবজি, ফল, ডিম, দুধ সবই খেতে দিন।তবে খাবার তৈরিতে নতুনত্ব আনার চেষ্টা করুন। যেমন শিশুকে প্রতিদিন ডিম, রুটি না দিয়ে মাঝেমধ্যে রুটির সাথে ভাজি, কলিজা ভুনা, মুরগির স্যুপ দিতে পারেন। আবার ডিমের বদলে ডিমের তৈরি পুডিং, ডিম চাপ দিতে পারেন। ফল, দুধে একঘেয়েমি চলে এলে মাঝে মধ্যে কাস্টার্ড, পায়েস, ফ্রুটস কেক, হালুয়া, মিল্ক শেক, জুস বানিয়ে দিন। যা শিশু বেশ আগ্রহ সহকারে খাবে। বেশির ভাগ শিশুর সবজি খাওয়ার প্রতি অনীহা থাকে বেশি। তাই চেষ্টা করুন নানা রকম সবজিকে শিশুর সামনে একেক সময় একেকভাবে উপস্থাপন করতে। খুব সহজেই বানিয়ে দিতে পারেন স্যান্ডউইচ, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, কাটলেট, সবজি বল, নুডুলস প্রভৃতি। একই সাথে শিশুকে যতটা সম্ভব দোকানের কেনা ফাস্টফুড, নানা রকম খাবার ও জুস থেকে দূরে রাখুন। কারণ এগুলো শিশুর শরীরে নানা রকম ক্ষতি করার পাশাপাশি শিশুর ঘরের খাবারের প্রতি অনীহা তৈরি করে।শিশু যখন প্রথম বাইরের খাওয়া শুরু করে তখন একজন মায়ের এক নতুন যুদ্ধ শুরু হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে প্রথম যে বিষয় মনে রাখতে হবে তা হল খাওয়া নিয়ে শিশু কে কখনই জোর করা যাবে না। নতুন কোন অভ্যাস তৈরি করতে কিছু সময় এবং ধৈর্য ধারন করতে হয়। এর জন্য আপনি যা করতে পারেন- # খাওয়ার সময় মেনে চলতে হবে, প্রতিদিন একই সময় মেনে খাওয়াতে হবে। # শিশু যদি বুকের দুধ খায় তাহলে দুধ এবং অন্য খাওয়ার মধ্যে কিছু সময় বিরতি রাখতে হবে। # খাওয়ার সময় টিভি বা অন্য কিছু দেখিয়ে খাওয়াবেন না। # খাওয়া নিয়ে জোর করা যাবে না। তাহলে শিশুর ভীতি তৈরি হবে। একবার খেতে না চাইলে ১ ঘন্টা পর চেষ্টা করুন। #প্রথমেই এক সাথে অনেক নতুন খাবার শুরু করবেন না। নতুন কোন খাবার শুরু করলে আগেয় শিশু কে তার স্বাদ বুঝতে দিন, সেটা তে অভ্যস্ত হলে তারপর আরেকটি খাবার দিতে পারেন আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও