প্রশ্ন সমূহ
আর্টিকেল
মায়া ফার্মেসী

মায়া প্রশ্নের বিস্তারিত


প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। গ্রাহক , কণ্ট্রাসেপশন বা জন্মনিয়ন্ত্রনঃ যৌণ মিলন থেকে বিরতি না থেকে জন্ম প্রতিরোধ করাকে জন্মনিয়ন্ত্রন বলে। জন্মনিয়ন্ত্রন পদ্ধতিঃ এমনসব পদ্ধতি যার মাধ্যমে মহিলাদের অনাকাঙ্খিত জন্ম প্রতিরোধ হয়।পুরুষের জন্য দুই ধরনের জন্মনিয়ন্ত্রন পদ্ধতির মধ্যে আছে :- - অস্থায়ী: অস্পূর্ণ মিলন, কনডম। - স্থায়ী: ভেসেকটমি # অসম্পূর্ন মিলন বা উইথড্রল মেথড :-  যখন সহবাসের সময় বীর্যপাতের আগে পেনিস যোনির ভেতর থেকে বের করে ফেলা হয় বা প্রত্যাহার করা হয় , তাকে বলা হয় Withdrawal Method। অনেক সাবধানে এইটা ব্যাবহার করলেও এইটা ৫০% কার্যকর। প্রতিবারই আপনার গর্ভবতী হওয়ার ৫০% chance থাকে। এই রিস্ক না নিয়ে একটা কনডম ব্যাবহার করা ভাল।  Withdrawal Method ব্যাবহার করলে আপনি Ejaculation এর আগে Precum বের হলে বুঝতে পারবেন না। এটা হচ্ছে অল্প কিছু Sperm যেটা Ejaculation এর আগে বের হয়। এতে গর্ভবতী হওয়ার সম্ভবনা থাকে।  # কন্ডম পুরুষের জন্য একপ্রকার অস্হায়ী জন্মনিয়ন্ত্রন পদ্ধতি ।এটি ব্যবহারে শুক্রাণু জরায়ুতে প্রবেশ করতে পারে না। ফলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকে না। সঠিকভাবে ব্যবহার করলে এটি শতকরা ৯৭ ভাগ কার্যকর।কন্ডম শুধুমাত্র অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ থেকেই সুরক্ষা দেয়না ,এর সাথে সাথে যৌন সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ করার সবচেয়ে ভালো উপায় হল কনডম ব্যবহার করা। এটি ল্যাটেক্স রাবার অথবা প্লাস্টিক ( পলিইউরিন) দিয়ে তৈরি জন্মনিয়ন্ত্রক।এটি গর্ভনিরোধক পদ্ধতির মধ্যে সবচেয়ে সহজ কেননা শুধুমাত্র সহবাসের সময় এটি পরিধান করলেই হয়। এটি সহজলভ্য এবং দামেও সাশ্রয়ী ।প্রতিবার সহবাসের সময় ১টি নতুন কনডম ব্যবহার করতে হয়। ৫ বছরের বেশি পুরোনো বা মেয়াদউত্তীর্ণ কনডম ব্যবহার করা উচিত নয়। কনডম ব্যবহারের কিছু উপকারিতা হলোঃ ১. অনেক দম্পতি মনে করেন যে, কনডম ব্যবহার করে যৌনমিলন করলে যৌন আনন্দের পরিমাণ কমে যায়। কিন্তু এটি সম্পূর্ণ ভূল। কনডম ব্যবহার করে যৌনমিলন করলে যৌন আনন্দের পরিমাণ বেড়ে যায়। ২. কনডম অপরিকল্পিত গর্ভধারণ রোধ করে। ৩. কনডম ব্যবহার করে যৌনমিলন করলে এইডস,গনোরিয়া, সিফিলিস ইত্যদি যৌনরোগ থেকে নিরাপদে থাকা যায়। ৪. অনেক পুরুষই হয়তো জানেন না যে, কনডম ব্যবহার করে অনেকক্ষণ যৌনমিলন করা যায়, যা কনডমবীহিন অবস্থায় পুরোপুরিভাবে সম্ভব নয়। ৫. বিভিন্ন ব্রান্ডের কনডমে নরমাল এবং বিভিন্ন ফ্লেভারের লুব্রিকেন্ট দেওয়া থাকে, যার ফলে আলাদাভাবে লুব্রিকেন্ট ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। খুবই প্রয়োজন হলে গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন,তেল ব্যবহার করবেন না। কারণ তেল ল্যাটেক্সকে ভেঙ্গে দেয়, ফলে কনডমের কার্যকারিতা নষ্ট হয়। ৬. পৃথিবীর প্রায় ৫% নারীর পুরুষের বীর্যের এলার্জী রয়েছে। যদি আপনার নারী পার্টনারের বীর্যের এলার্জী থাকে সেক্ষেত্রে ৬-৭ মাস কনডম ব্যবহার করে এই এলার্জী নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।  তবে যেসকল দম্পতির কনডম ব্যবহারে এলার্জী রয়েছে তাদের কনডম ব্যবহার না করাই ভালো। গ্রাহক, স্হায়ী জন্মনিয়ন্ত্রন পদ্ধতির মধ্যে আছে ভেসেকটমি। পুরুষ বন্ধ্যাকরণ বা ভ্যাসেকটম :- ভ্যাসেকটমি বা পুরুষ বন্ধ্যাকরণ পুরুষদের জন্মনিয়ন্ত্রণের স্থায়ী পদ্ধতি। এতে শুক্রকীটবাহী নালী দুটির কিছু অংশ বেঁধে কেটে দেয়া হয়। # সুবিধা :- ১.অনিচ্ছাকৃত গর্ভধারণের ভয় না থাকায় সহবাসে আনন্দ বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। ২. তেমন কোন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই। ৩.আর কোন পদ্ধতি গ্রহণের ঝামেলা থাকে না। # অসুবিধা :-  যেহেতু স্থায়ী পদ্ধতি পরবর্তীতে সন্তান চাইলেও তা প্রায় অসম্ভব। # কার্যকরীতা :- স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি। প্রায় ১০০% ভাগ কার্যকরী। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।



প্রশ্ন করুন আপনিও