গর্ভাবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি নারী স্বাস্থ্য- গর্ভাবস্থা

ফলিক অ্যাসিড

ফলিক অ্যাসিড
গর্ভাবস্থায় ফলিক অ্যাসিড এর ভুমিকা খুবই গুরুতপূর্ণ, কারণ এটা গর্ভাবস্থায় স্নায়ুনালীর ত্রুটি (neural tube defects) প্রতিরোধে সাহায্য করে। গর্ভাবস্থায় স্নায়ুনালীর এই ত্রুটিকে বলা হয় ‘স্পাইনা বাইফিডা’ (spina bifida)। এ অবস্থায় মেরুদণ্ডের কশেরুকা (vertebrae) পুরোপুরি জোড়া না লেগে, কিছুটা ফাঁক থেকে যায় যেখান দিয়ে স্নায়ুরজ্জু (spinal cord) বের হয়ে আসে। যখনি আপনি গর্ভধারণের সিদ্ধান্ত নিবেন, সেদিন থেকে শুরু করে গর্ভধারণের ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত প্রতিদিন আপনাকে ৪০০ মাইক্রোগ্রাম ফলিক অ্যাসিড ট্যাবলেট খেয়ে যেতে হবে। যদি গর্ভধারণের আগে থেকেই ফলিক অ্যাসিড ট্যাবলেট খেতে শুরু না করে থাকেন, তাহলে গর্ভাবস্থা টের পাবার সাথে সাথেই এই ট্যাবলেট খেতে শুরু করুন। একই সাথে আপনাকে ফলিক অ্যাসিডযুক্ত খাবারও খেতে হবে। যে সব খাবারে বেশি পরিমানে ফলিক অ্যাসিড থাকে সেসব হল, সবুজ শাক, সবুজ সবজি (ব্রকলি), কমলা, মাল্টা, মসূরের ডাল, টম্যাটো জুস, সূর্যমুখীর বীজ এবং লাল চালের ভাত। গর্ভাবস্থায় স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যগ্রহণের ব্যাপারে আরও জেনে নিন। যে সব পরিস্থিতিতে আপনাকে বেশি পরিমানে ফলিক অ্যাসিড খেতে হবে –

  • ইতিপূর্বে যদি আপনার কোন শিশুর স্পাইনা বাইফিডা হয়ে থাকে
  • আপনার ডায়াবেটিস থাকে
  • মৃগী রোগের জন্য আপনাকে যদি ওষুধ খেতে হয়
  • যদি আপনার সিলিয়াক ডিজিজ (Coeliac disease) থাকে (এটা ক্ষুদ্রান্তের এক ধরনের অসুখ, যার কারনে পেটে ব্যথা হয়, অস্বস্তি হয়, কখনও কোষ্ঠকাঠিন্য, কখনও পাতলা পায়খানা হয়)

About the author

Maya Expert Team