ত্বকের যত্ন মনোসামাজিক সৌন্দর্য চর্চা

এপিলেটর ব্যবহার করবেন কী করে

এপিলেটর ব্যবহার করবেন কী করে
“Epilation” (এপিলেশন) মানে হচ্ছে চুল ওঠানো। এপিলেটর এক ধরনের রূপচর্চার গ্যাজেট, এটা দিয়ে প্লাক করার (টেনে তোলার) চেয়ে দ্রুত এবং হট ওয়াক্স ও ওয়াক্সিং স্ট্রিপের চাইতে পরিষ্কার ও নিরাপদ ভাবে লোম বা চুল পরিষ্কার করা যায়।

বিভিন্ন ধরনের ব্লেডযুক্ত এপিলেটর হয়। কিছু এপিলটরে কয়েল স্প্রিঙের মত ব্লেড থাকে যা চুলকে টেনে তুলে ফেলে। কিছু এপিলেটরে টুইজার হেড (tweezer heads) থাকে।

ইদানিং অনেক এপিলেটর ইলেক্ট্রিক রেজরের মত কাজ করে। স্পর্শকাতর স্থান যেমন, বগল বা বিকিনি লাইন বরাবর চুল টেনে তোলাটা যন্ত্রণাদায়ক। এসব ক্ষেত্রে টেনে তোলার বদলে ট্রিম করার জন্য এটি ব্যবহৃত হতে পারে।


কিভাবে এপিলেট করবেন

১. তোয়ালে, ময়েসচারাইজার, আইস প্যাক, এবং তুলা নিয়ে বসুন

২. শরীরের যে অংশ পরিষ্কার করবেন সে জায়গাটি সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন

৩. এপিলেট করার আগে হট শাওয়ার নিতে পারেন, এতে লোমকূপগুলো খুলে যাবে ও লোম নরম হবে।

৪. শাওয়ারের পর শরীর শুকনো করে মুছে ফেলুন। গোসলের সময় বা এর ঠিক পরপর এপিলেট করবেন না, কারন তখন ত্বক অনেক নরম থাকে।

৫. এপিলেটরটি নিচ থেকে উপ্রর দিকে টানুন, অর্থাৎ চুল যেদিকে বাড়ে তার বিপরীত দিকে।

৬. যথেষ্ট পরিমাণে চুল ফেলার পর দিক পরিবর্তন করুন, তাতে ফিনিশিং স্মুথ হবে।

৭. বিশেষ স্থানে অন্য হাত দিয়ে চামড়া টান টান করে ধরুন, তাতে চুল টেনে তুলতে সুবিধা হবে ও ব্যাথা কম লাগবে।

৮. শুধু এপিলেটর ব্যবহার করে মসৃণ ত্বক পাওয়ার কোন নিশ্চয়তা নেই। তাই, শেষে সাধারন রেজর ব্যবহার করতে পারেন, এতে পরিষ্কার ত্বক নিশ্চিত করা হবে।

৯. এপিলেট করার পর ত্বকে লালচে হয়ে কিছু গোটা দেখা দিবে। সেখানে আইস প্যাক লাগান।

১০. জায়গাটা নরম তোয়ালে দিয়ে মুছে ফেলুন। এবার ময়েসচারাইজ করতে হালকা একটা বডি লোশন ব্যবহার করুন।

১১. লম্বা পশম এপিলেট করবেন না। হাত-পা থেকে এগুলো টেনে তুলতে ব্যাথা লাগতে পারে। কাজটা সহজ করার জন্য শরীর প্রথমে শেভ করে ফেলুন (রেজরের এক-দুইটা টান দিয়ে), এরপর এপিলেটর ব্যবহার করুন, ছোট চুল টেনে তুলতে ব্যাথা কম লাগবে।

১২. এপিলেট করার সময় ঘাম হলে, একটু ট্যালকম পাউডার ছিটিয়ে দিন, তারপর আবার শুরু করুন।

১৩. শরীরের নাজুক স্থান থেকে লোম টেনে তুলবেন না। কিছু এপিলটরে এই কাজের জন্য ট্রিমিং করার অপশন আছে।

About the author

Maya Expert Team