বাই-পোলার-ডিজঅর্ডার ব্যক্তিত্ব সংক্রান্ত সমস্যা মনোসামাজিক মানসিক স্বাস্থ্য

বাইপোলার রোগের চিকিৎসা

বাইপোলার রোগের চিকিৎসা
বাইপোলার রোগের চিকিৎসার মূল উদ্দেশ্য হলো, বিষাদ এবং উন্মত্ততার (ম্যানিয়া) পর্বগুলোর সংখ্যা এবং তীব্রতা কমিয়ে আনা, যাতে যতটুকু সম্ভব স্বাভাবিক জীবন-যাপন করা যায়।


বাইপোলার রোগের জন্য চিকিৎসাঃ

যদি চিকিৎসা করা না হয়, বাইপোলার সম্পর্কিত উন্মত্ততার (ম্যানিয়া) পর্বগুলো ৩ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। বিষাদের পর্বগুলো ৬ থেকে ১২ মাস পর্যন্ত  দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে । তবে, কার্যকরী চিকিৎসার ব্যবস্থা করা গেলে পর্বগুলো স্থায়িত্ব ৩ মাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যায়।

এটা মনে করা হয় যে, চিকিৎসার সমন্বিত রূপ এই রোগ নিয়ন্ত্রনের সবচেয়ে ভাল উপায়। যার মধ্যে রয়েছে

  • ম্যানিয়া (উন্মত্ততা) হাইপোম্যানিয়া (কম গুরুতর ম্যানিয়া) এবং বিষাদের বিভিন্ন পর্ব প্রতিরোধ করার জন্য ঔষধ গ্রহন – এগুলো মুড স্ট্যাবিলাইজার হিসেবে পরিচিত এবং দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিদিন খেতে হয়।
  • উন্মত্ততা (ম্যানিক) এবং বিষাদ পর্ব যখন তীব্র রুপ ধারন করে তখন তা নিয়ন্ত্রনে করার জন্য ঔষধ গ্রহন।
  • বিষাদ অথবা উন্মত্ততা (ম্যানিক) কে প্রভাবিত করে এমন বিষয়গুলোকে এবং এদের লক্ষণ গুলোকে চিহ্নিত করে রাখা।
  • মনস্তাত্বিক চিকিৎসা- যেমন বিষাদর সাথে মানিয়ে নিতে কথা বলার থেরাপী এবং আপনাকে পরামর্শ দেওয়া যে কিভাবে আপনি আপনার সম্পর্কগুলোকে আরও উন্নত করবেন।
  • জীবন-যাপনের ক্ষেত্রে পরামর্শ- যেমন নিয়মিত শরীরচর্চা করা, যেসব কাজ আপনি উপভোগ করে থাকেন, এবং যা আপনাকে অর্জনের অনুভূতি যোগায় সেসব কাজের পরিকল্পনা করা, এবং আপনার খাদ্যাভ্যাস এবং বেশী ঘুমানোর উপর পরামর্শ দেয়া।
  • বাইপলার রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হাসপাতালে থাকার প্রয়োজন পরে না। তবে, যদি আপনার উপসর্গ গুরুতর হয় অথবা যদি এমন হয় যে আপনি আপনার নিজের অথবা অন্যের ক্ষতি করতে পারেন এমন কোন ঝুঁকি থাকে, সেক্ষেত্রে আপনাকে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হতে পারে ।


ঔষধ
কিছু ঔষধ মেজাজ পরিবর্তনের সমস্যাকে স্থির করতে পারে। মনকে স্থির রাখতে যে ওষুধগুলো ব্যবহৃত হয়ঃ

  • লিথিয়াম কার্বনেট
  • অ্যান্টিকনভালস্যান্ট ঔষধ
  • অ্যান্টিসাইকোটিক ঔষধ

যদি আপনি বাইপোলার রোগের জন্য ঔষধ নেওয়া শুরু করে থাকেন এবং তারপরও আপনি বিষাদগ্রস্থ থাকেন , আপনার মনোরোগ বিশেষজ্ঞ পরীক্ষা করে দেখবেন যে আপনি সঠিক চিকিৎসা নিচ্ছেন কি না। যদি আপনি তা না নিয়ে থাকেন তবে তিনি তা পরিবর্তন করে দিবেন।

বাইপোলার রোগের বিষাদ পর্বের চিকিৎসা কিছুটা ব্যতিক্রমভাবে করা হয়ে থাকে। যেমন শুধু অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট খেলে তা পুনরায় হাইপোম্যানিয়ার সৃষ্টি করতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পরামর্শ দেয়া হয় যে, বাইপোলার রোগে শুধুমাত্র একটি মন স্থিরকারক বা মুড স্ট্যাবিলাইজার দিয়েই চিকিৎসা করার জন্যে। তবে, অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট সাধারণত একটি মুড স্ট্যাবিলাইজার অথবা অ্যান্টিসাইকোটিক এর পাশাপাশি ব্যাবহৃত হয়।

যদি আপনার চিকিৎসক অথবা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বাইপোলার রোগের জন্য ঔষধ বন্ধ করে দেওয়ার পরামর্শ দেয় তবে তা ধীরে ধীরে চার সপ্তাহ ধরে কমানো উচিত, এবং যদি আপনি অ্যান্টিসাইকোটিক অথবা লিথিয়াম নিয়ে থাকেন তবে তা তিন মাস ধরে কমানো উচিত।

যদি আপনি যেকোন কারনে লিথিয়াম বন্ধ করতে চান, আপনার চিকিৎসকের সাথে আলাপ করুন, লিথিয়ামের বদলে কিভাবে অ্যান্টিসাইকোটিক অথবা ভালপোরেট নিতে হয় সেটা তিনি বুঝিয়ে দিবেন।

লিথিয়াম কার্বনেট
লিথিয়াম কার্বনেট (শুধুমাত্র লিথিয়াম হিসেবেও পরিচিত) একটি ঔষধ যা বাইপোলার রোগ চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। লিথিয়াম ম্যানিয়ার (উন্মত্ততা) পর্ব, হাইপোম্যানিয়া, এবং বিষাদের জন্যে একটি দীর্ঘ-মেয়াদী চিকিৎসা পদ্ধতি। এটা সাধারনত কমপক্ষে ছয় মাসের জন্য দেয়া হয়।

যদি আপনাকে লিথিয়াম খেতে বলা হয়ে থাকে তবে এর ডোজ সঠিকভাবে অনুসরন করুন এবং হঠাৎ হঠাৎ নেওয়া বন্ধ করবেন না ( যদিনা আপনার চিকিৎসক বলে থাকেন) । লিথিয়ামের জন্য কার্যকরী হওয়ার জন্য ডোজ অবশ্যই সঠিক হওয়া প্রয়োজন। যদি ডোজ সঠিক না হয় তবে, আপনার পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া হতে পারে, যেমন ডায়ারিয়া, বমি ইত্যাদি। তবে, লিথিয়াম নেওয়ার সময় যদি আপনার পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া হয় তবে আপনার চিকিৎসকের সাথে কথা বলুন।

যখন আপনি লিথিয়াম নিবেন, নিয়মিত রক্ত-পরীক্ষা করাবেন (কমপক্ষে প্রত্যেক তিন মাস পরপর), লিথিয়ামের মাত্রা রক্তে অতিরক্ত কম কিংবা বেশী হয়ে যায়নি – এটা নিশ্চিত হওয়ার জন্য। আপনার কিডনী এবং থাইরয়েডের পরীক্ষা প্রত্যেক ২ থেকে ৩ মাস অন্তর করে দেখা উচিত, ডোজটি ঠিক মত শরীরের সাথে মানিয়ে নিচ্ছে কি না, তা বোঝার জন্য।

যখন আপনি লিথিয়াম নিচ্ছেন, তখন নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরী ড্রাগ (NSAIDs) নিবেন না, যেমন, ইবুপ্রোফেন, যদিনা চিকিৎসক নিতে বলে থাকেন।


অ্যান্টিকনভালস্যান্ট ঔষধ
অ্যান্টিকনভালস্যান্ট ঔষধ এর মধ্যে রয়েছে

  • ভ্যালপোরেট
  • কারবামাযেপাইন
  • ল্যামোট্রিজিন

এই ওষধগুলো অনেক সময় ম্যানিয়া (উন্মত্ততা) পর্বের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। লিথিয়ামের মত, এগুলো দীর্ঘ-মেয়াদী মন স্থিরকারক বা মুড স্ট্যাবিলাইজার। অ্যান্টিকনভালস্যান্ট ঔষধ প্রায়ই মৃগীরোগ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, কিন্তু তারা বাইপোলার রোগের চিকিৎসায়ও বেশ কার্যকরী।

কখনো কখনো একটি একক অ্যান্টিকনভালস্যান্ট ঔষধ ব্যবহৃত হয় অথবা যখন লিথিয়ামে সাড়া দেয়না তখন লিথিয়ামের সাথে সমন্বিত ভাবে এদের ব্যবহার করা হয়।


ভ্যালপোরেট
ভ্যালপোরেট সাধারনত প্রজননক্ষম মহিলাদের দেওয়া হয়না কারন সেক্ষেত্রে এটি গর্ভস্থ বাচ্চাকে নষ্ট করে ফেলতে পারে। যদি অন্য কোন উপায় না থাকে, তবে এটা ব্যবহৃত হতে পারে, সেক্ষেত্রে আপনার চিকিৎসক আপনি যে জন্মনিয়ন্ত্রণের পদ্ধতিটি ব্যবহার করছেন তার কার্যকারিতার ব্যপারে নিশ্চিত হয়ে নিবেন।

যদি আপনাকে ভ্যালপোরেট খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়, তাহলে আপনাকে নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করাতে হবে, আপনার রক্তের রক্ত কনিকা গুলো সংখ্যায় ঠিক আছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করতে হবে। এই ঔষধ শুরু করার পর একবার রক্ত পরীক্ষা করাতে হবে, তারপর আবারো ছয় মাস পর যেতে হবে ।


কার্বামাযেপিন
সাধারনত বাইপোলার রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা কার্বামাযেপিন সেবনের পরামর্শ দেওয়া হয়। শুরুতে ডোজ কম থাকে, তারপর ধীরে ধীরে বাড়তে হয়। যদি আপনি অন্যান্য ঔষধ নিতে থাকেন (জন্মনিয়ন্ত্রক সহ), আপনার উন্নতি খুব সাবধানে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

আপনি যখন কার্বামাজেপিন নেওয়া শুরু করবেন তখন লিভার এবং কিডনীর কার্যক্রম পরীক্ষা করার জন্য রক্ত-পরীক্ষা করা হবে। এবং ৬ মাস পর আবার দেখা হবে। আপনার ব্লাড কাউন্টেরও প্রয়োজন হবে (শুরু থেকে ৬ মাস পর্যন্ত) , এবং আপনার ওজন এবং উচ্চতাও নিরীক্ষন করা হবে।


ল্যামোট্রিজিন
যদি আপনাকে ল্যামোট্রিজিন খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়, এখানেও শুরুতে ডোজ কম দেয়া হবে যা ধীরে ধীরে বাড়ানো হবে।

যদি আপনি ল্যামোট্রিজিন নিতে থাকেন এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসাবে যদি গায়ে ফুসকুরি হদেখা দেয়, আপনার চিকিৎসককে দ্রুত দেখান। এছাড়া নিয়মিত বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়া অন্যান্য পরীক্ষাগুলোর প্রয়োজন নেই।

যেসব মহিলারা জন্মনিয়ন্ত্রক নিচ্ছেন তাদের ভিন্ন রকম জন্মনিয়ন্ত্রক নেওয়ার জন্য চিকিৎসকের সাথে কথা বলা উচিত।


অ্যান্টিসাইকোটিক ঔষধ
অ্যান্টিসাইকোটিক ঔষধ অনেক সময় ম্যানিয়া (উন্মত্ততা) অথবা হাইপোম্যানিয়ার চিকিৎসায় খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। যদি উপসর্গ গুরুতর হয় এবং আচরন যদি অস্বাভাবিক হয়ে পড়ে, তাহলে অ্যান্টিসাইকোটিক ঔষধ কার্যকরী হতে পারে। যেহেতু অ্যান্টিসাইকোটিক ঔষধের বিভিন্ন রকম পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া আছে যেমন, ঝাপসা দৃষ্টি, শুষ্ক মুখ, কোষ্ট্যকাঠিন্য, স্থূলতা ইত্যাদি, তাই, শুরুতে ডোজ কম দেয়া হয়।


দ্রুত চক্র
যদি আপনার ম্যানিয়া (উন্মত্ততা) ও বিষাদের চক্র দ্রুত থাকে, অর্থাৎ মাঝখানে বিরতি ছাড়া চক্রটি চলতে থাকে, আপনাকে একটি লিথিয়াম এবং ভ্যালপোরেট এর সমন্বিত ঔষধ খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হতে পারে।

যদি এটা সাহয্য না করে, আপনাকে শুধুমাত্র লিথিয়াম সেবনের জন্যে বলা হবে অথবা, লিথিয়াম, ভ্যালপোরেট এবং ল্যামোট্রিজিন এর সমন্বিত চিকিৎসা গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হবে। তবে, আপনাকে সাধারনত অ্যান্টিডিপ্রেসিভ খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হবে না যতক্ষন না পর্যন্ত বাইপোলার রোগ বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ দিবেন।


প্রভাবকগুলো সম্পর্কে জানা
যদি আপনার বাইপোলার রোগ থাকে, তবে ম্যানিয়া (উন্মত্ততা) বা বিষাদের পর্বগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে, উপসর্গগুলোর প্রভাবক অর্থাৎ কি কারনে উপসর্গ শুরু হয় সে সম্পর্কে জেনে নিন।

আপনি হয়তো এই পর্বগুলোকে বন্ধ করতে পারবেন না কিন্তু, প্রস্তুতি থাকলে কিছুটা সাহায্য হতে পারে।

এর মানে- হয়তো আপনার চলমান চিকিৎসায় কিছু পরিবর্তন প্রয়োজন। হয়তো বর্তমানে খেয়ে যাওয়া মুড স্ট্যাবিলাইজার ঔষধের পাশাপাশি আপনার একটি অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট বা অ্যান্টিসাইকোটিক যোগ করার প্রয়োজন হতে পারে। এ ব্যাপারে আপনার চিকিৎসক কিংবা বিশেষজ্ঞ আপনাকে পরামর্শ দিবেন।


সাইকোলজিক্যাল থেরাপি
কারো কারো ক্ষেত্রে, ম্যানিয়া (উন্মত্ততা) অথবা বিষাদের পর্বগুলোতে ঔষধ সেবনের পাশাপাশি সাইকোলোজিক্যাল থেরাপী অত্যন্ত কার্যকর হয়ে থাকে।

এর মধ্যে রয়েছে :

  • মনোরোগ সম্পর্কে জানা – বাইপোলার রোগ এর ব্যাপারে বিস্তারিত জানা থাকলে এটি মোকাবেলা করা সহজ হয়।
  • কগনেটিভ বিহেভিয়ারাল থেরাপি- বিশেষত বিষাদের চিকিৎসায় এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।
  • পারিবারিক থেরাপি – এটাও এক ধরনের সাইকোথেরাপি যা পরিবারের সম্পর্কগুলোকে প্রাধান্য দেয়, পারিবারের সদস্যদের পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে, পরস্পরকে সহযোগিতার ক্ষেত্রে করনীয় ও কৌশল সম্পর্কে শিক্ষা দেয়।


গর্ভাবস্থায়
যেসব মহিলা গর্ভবতী অথবা হবার চেষ্টা করছেন তাদের জন্যে বাইপোলার রোগের এর চিকিৎসা অনেক জটিল। সর্বপ্রধান সমস্যা হচ্ছে গর্ভাবস্থায় বাইপোলার চিকিৎতসায় ব্যবহৃত সব ঔষধ সেবন করা যায় না।

যেসব গর্ভবতী মহিলার বাইপোলার রোগ আছে তাদের জন্য নিম্নোক্ত ঔষধগুলো নিয়মিত সেবন করা নিষেধ

  • ভালপ্রোয়েট – এটা গর্ভের বাচ্চার জন্য ক্ষতিকর এবং গর্ভস্থ বাচ্চার বৃদ্ধিতে সমস্যা করতে পারে
  • কার্বামাজেপিন – গর্ভাবস্থায় এটির কার্যকারীতা সীমিত এবং গর্ভের বাচ্চার জন্যেও এটি ক্ষতিকই
  • লিথিয়াম – এটাও গর্ভের বাচ্চার জন্য ক্ষতিকর, যেমন: এটি বাচ্চার জন্মগত হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়
  • ল্যামোট্রিজিন – গর্ভের বাচ্চার জন্য এটাও ক্ষতিকর
  • প্যারোকজেটিন – এটাও গর্ভের বাচ্চার জন্য ক্ষতিকর যেমন: হৃদযন্ত্র সঠিকভাবে বিকাশ লাভ করে না
  • বেনজোডায়াপিন – এর মাধ্যমে দীর্ঘতর চিকিৎসায়, গর্ভাবস্থায় এবং প্রসবের ঠিক পরেই নানা রকম জটিলতা হতে পারে। যেমন জন্মগত ঠোঁট কাটা (ক্লেফট প্যালেট) এবং ফ্লপি বেবী সিন্ড্রোম হতে পারে।
  • বাচ্চা জন্মানোর পর যদি বাইপোলার রোগের জন্য ঔষধ দেয়া হয়, তবে তা বাচ্চাকে দুগ্ধপান করানোর ক্ষেত্রে মায়ের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে।

About the author

Maya Expert Team