ডিলিং উইথ ডিফিকাল্ট বেহেভিওর মনোসামাজিক শিশুকে সামলানো সন্তান লালনপালন

দুরন্ত বাচ্চার সাথে মানিয়ে নেয়া

দুরন্ত বাচ্চার সাথে মানিয়ে নেয়া
সব ছোটো বাচ্চাই কমবেশি দুরন্ত হয়ে থাকে এবং তাদের কর্মচাঞ্চল্য বেশী থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। তবে কিছু বাচ্চা একটু বেশিই চঞ্চল হয়। কেউ কেউ (২% এর মতো) আবার অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার (Attention Deficit Hyperactivity Disorder) এ ভোগে, যেটাকে সংক্ষেপে বলা হয় হাইপার-অ্যাকটিভিটি (Hyperactivity) ।

অনেক বাচ্চাই আচরণের সমস্যা বা মনোযোগের সমস্যা থাকলেও চঞ্চল হয় না, কিংবা তাদের মধ্যে হাইপারঅ্যাকটিভিটি’র পরিমাণ হয়তো খুবই সামান্য। স্বাভাবিক চঞ্চলতা আর এডিএইচডি এর মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারাটাই বাবা-মা কিংবা স্বাস্থ্য পরিদর্শকের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ, কারণ এডিএইচডি হলে প্রাথমিক অবস্থাতেই এর চিকিৎসা শুরু করতে হয়।

দুরন্ত বাচ্চার সাথে কীভাবে খাপ খাওয়াবেন তার কিছু পরামর্শ নিচে দেয়া হলো। যদি এতে কাজ না হয় তাহলে আপনার ডাক্তার বা স্বাস্থ্য পরিদর্শকের সাথে কথা বলুন।

প্রতিদিনের একটা রুটিন রাখুন। যদি আপনার বাচ্চা অনেক চঞ্চল হয় বা তাকে সামলানো কঠিন হয়, তাহলে রুটিন কাজ হতে পারে। এটা আপনাকে শান্ত থাকতে সাহায্য করবে, এবং আপনার চাপ কমাবে।

বাচ্চার জন্য আলাদা করে সময় বের করুন। কারণ আপনার বাচ্চা হয়তো দিনের বেশিরভাগ সময়ের জন্যই (এমনকি রাতেও) আপনার মনোযোগ চাইছে , এবং আপনাকে মাঝে মাঝে ‘না’ বলতে হবে। যদি দিনের বিশেষ সময় শুধুমাত্র বাচ্চার জন্যই থাকে, তাহলে এটা আপনার জন্যও সহজ হবে, এবং আপনার বাচ্চার জন্যও মেনে নেয়া সহজ হবে।

কঠিন পরিস্থিতিগুলো এড়িয়ে চলুন। যেমন, শপিং এর সময় সংক্ষিপ্ত রাখুন।

বাচ্চাকে কোলা পানীয়, চা , কফি ইত্যাদি দেবেন না। এগুলোতে ক্যাফেইন থাকে যা আপনার বাচ্চাকে হাইপারঅ্যাকটিভ করে তুলতে পারে। চিনির ক্ষেত্রেও একই প্রভাব পড়তে পারে।

ছোট ছোট লক্ষ্যস্থির করুন। বাচ্চাকে চুপচাপ বসে থাকতে বা শান্ত থাকতে সহায়তা করুন। খুব অল্প সময়ের জন্য তাকে স্থিরভাবে মনোযোগ দিতে বলুন এবং আস্তে আস্তে এই সময়টুকু বাড়াতে থাকুন। এটা মনে রাখতে হবে যে রাতারাতি আপনি আপনার বাচ্চার আচরণ বদলাতে পারবেন না।

About the author

Maya Expert Team