সিজার পরবর্তী সময়

মায়ের জন্য ঝুঁকিসমূহ

সিজারের পর আপনার সিজারের জায়গায় ব্যাথা হতে পারে এবং আপনাকে ব্যাথানাশক দেয়া হতে পারে। আপনাকে ২৪ ঘন্টা ক্যাথেটার (মূত্র বের জন্য পাইপ) দেয়া হবে।

বাসায় আপনাকে সাহায্য করার মতন লোক আছে কিনা তার ওপর নির্ভর করে আপনাকে দুই থেকে চারদিনের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছুটি দেয়া হবে। আপনাকে যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি হাঁটাচলা আরম্ভ করতে বলা হবে। যখন আপনি আর ব্যাথা অনুভব করবেন না তখন থেকে আপনি গাড়িও চালাতে পারবেন। সিজারের ছয় সপ্তাহ বা এর আগেই আপনি গাড়ি চালাতে পারতে পারেন।

সিজারের সময় মায়ের যেসব ঝুঁকি থাকে তার মধ্যে রয়েছে:

  • ক্ষতস্থানে ইনফেকশন (সংক্রমন)
  • জরায়ুর ইনফেকশন (এন্ডোমেট্রাইটিস) এর কারনে জ্বর, পেটে ব্যাথা আর মাসিকের রাস্তা দিয়ে অস্বাভাবিক নিঃসরন হতে পারে।
  • পায়ের শিরায় রক্ত জমাট (থ্রম্বোসিস) বাধতে পারে, যা ফুসফুসে পৌঁছলে বিপজ্জনকও হতে পারে।
  • অতিরিক্ত রক্তপাত
  • মূত্রথলী বা মূত্রনালীতে কোনও সমস্যা যার জন্যে পরবর্তীতে অপারেশন প্রয়োজন হতে পারে।

এখনকার অপারেশন এবং অপারেশন পরবর্তি পদেক্ষেপের জন্যে ইনফেকশন অনেকখানি কমে এসেছে।

বাচ্চার জন্য ঝুঁকি

বাচ্চার জন্য সাধারনত ঝুঁকি তেমন একটা নেই। তবে অপারেশনের পর বাচ্চার জীবনের প্রথম কিছুদিন শ্বাসের সমস্যা হতে পারে। জন্মের পর প্রথম কিছুদিন বাচ্চা ঘন ঘন শ্বাস নিতে পারে, একে ট্রান্সিয়েন্ট ট্যাকিপ্নিয়া বলে। সাধারনত ২-৩ দিনেই এটি ঠিক হয়ে যায়।

সিজারের পর যোনিপথে প্রসব (ভ্যাজাইনাল বার্থ আফটার সিজার বা ভিবিএসি)

আপনার আগের যদি একটি সিজার হয়ে থাকে তবে আপনি পরেরটি স্বাভাবিকভাবে প্রসব করাতে পারেন। যদিনা প্রথম সিজার এমন কোনও সমস্যার কারনে হয়ে থাকে যা এখনও বিদ্যমান।

যেমন যদি কারও শ্রোনীচক্র (কোমরের নীচের অংশ) সরু হয় তবে তার প্রতিবারই সিজার করা লাগবে।

0 comments

Leave a Reply