এডিএইচডি বিশেষ চাহিদা

ADHD – চিকিৎসা

Written by Maya Expert Team

চিকিৎসা 

ADHD এর কোনো প্রতিকার নেই তবে চিকিৎসার মাধ্যমে এর উপসর্গগুলোর উপশম করা যায় যা দৈনন্দিন জীবনের সমস্যাসংকুল পরিস্থিতিকে অনেকাংশে লাঘব করে।

ঔষধ ব্যবহার করে বা থেরাপি প্রদানের মাধ্যমে ADHD চিকিৎসা করা যায় তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই রোগের চিকিৎসার সবচেয়ে ভাল পদ্ধতি হচ্ছে দুটোরই সমন্বয়।

সাধারণত এই চিকিৎসা একজন বিশেষজ্ঞ যেমন শিশু বিশেষজ্ঞ বা মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের দ্বারা পরিচালিত হয় এবং আশা করা হয় যে আপনি নিয়িমিত পরীক্ষার জন্য যাবেন।

ঔষধ

ADHD এর চিকিৎসার জন্য চার ধরণের ঔষধকে লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছেঃ

১। মিথাইলফিনেডট (methylphenidate)

২। ডেক্সামফেটামিন (Dexamfetamine)

৩। লিসডেক্সামফেটামিন (lisdexamfetamine)

৪। এটোমক্সিটিন (atomoxetine)

এই ঔষধগুলো ADHD এর স্থায়ী প্রতিকার নয়, তবে এগুলো ADHD আক্রান্ত ব্যক্তিদের মনোযোগ বাড়াতে, আবেগ নিয়ন্ত্রন করতে, শান্ত হতে এবং নতুন নতুন দক্ষতা শিখতে ও অভ্যাস করতে সাহায্য করে।

কিছু কিছু ঔষধ প্রতিদিন নেওয়ার দরকার হয় আবার কিছু কিছু ঔষধ শুধুমাত্র স্কুলের দিনগুলোতে নিতে হয়। মাঝে মাঝে ওষুধ বন্ধের পরামর্শ দেওয়া হয়, এটা দেখার জন্য যে এই ঔষধগুলোর এখনো প্রয়োজন রয়েছে কিনা।

এই ঔষধগুলো শিশু ও কিশোরদের ব্যবহারের জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত। এটোমক্সিটিন (atomoxetine) সেইসব প্রাপ্তবয়স্কদের ব্যবহারের জন্যও লাইসেন্সপ্রাপ্ত যাদের শৈশবে ADHD ছিলো।

যদি প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত আপনার ADHD ধরা না পড়ে থাকে সেক্ষেত্রে আপনার জন্য কোন ধরণের ঔষধ ও থেরাপি উপযুক্ত তা নিয়ে আপনার বিশেষজ্ঞ আলোচনা করবেন।

যদি আপনার বা আপনার সন্তানের জন্য এই ঔষধগুলো নির্দেশিত হয়ে থাকে তাহলে প্রথম দিকে আপনাকে সম্ভবত ঔষধগুলো অল্প মাত্রায় দেওয়া হবে যা হয়তো পরবর্তীতে বাড়ানো হবে।

চিকিৎসা পদ্ধতি কার্যকরভাবে কাজ করছে কিনা এটা নিশ্চিত করতে এবং সেইসাথে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা সমস্যা রয়েছে কিনা তা খুজে দেখতে আপনাকে বা আপনার সন্তানকে নিয়মিত পরীক্ষার জন্য ডাক্তার দেখানোর প্রয়োজন হবে।

কতদিন ধরে আপনার এই চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া উচিৎ সেবিষয়ে আপনার বিশেষজ্ঞ আলোচনা করবেন তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে চিকিৎসা ততদিন পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হয় যতদিন তা সাহায্য করে।

মিথাইলফিনেডট

ADHD এর চিকিৎসায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় মিথাইলফিনেডট। এটি এমন একধরণের ঔষধের শ্রেণীভূক্ত যাদেরকে উদ্দীপক বলা হয়ে থাকে, যারা মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃ্দ্ধির মাধ্যমে কাজ করে, বিশেষ করে সেইসব অংশে যেগুলো মনোযোগ ও আচরন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

ADHD আক্রান্ত ছয় বছরের অধিক বয়সী শিশু ও কিশোরেরা মিথাইলফিনেডট ব্যবহার করতে পারে। যদিও প্রাপ্তবয়স্কদের ব্যবহারের জন্য মিথাইলফিনেডট লাইসেন্সপ্রাপ্ত নয়, তবে বিশেষজ্ঞের নিবিড় তত্বাবধানে এটি নেওয়া যেতে পারে।

এই ঔষধ দুই ধরনের প্রিপারেশনে ট্যাবলেট আকারে পাওয়া যায়। একটি দ্রুত কাজ শুরু করে কিন্তু এর প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হয় না, যার কারনে এটি স্বল্প মাত্রায় দিনে দুই থেকে তিন বার নিতে হয়। অন্যটি ধীরে ধীরে কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে কাজ করে, যার কারনে দিনে একবার করে সকালে নেওয়া হয় এবং সারাদিনের ঔষধের ডোজ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

মিথাইলফিনেডট এর সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াসমূহঃ

রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দনের সামান্য বৃ্দ্ধি,

ক্ষুধামন্দা, এর ফলে ওজন কমতে পারে এবং স্বাস্থ্য দুর্বল হতে পারে

ঘুম বিঘ্নিত হওয়া

মাথাব্যথা

পেট ব্যথা

অকারণে মেজাজের হঠাৎ পরিবর্তন

ডেক্সামফেটামিন (Dexamfetamine)

ডেক্সামফেটামিন (Dexamfetamine) ও এক ধরণের উদ্দীপক ঔষধ যা মিথাইলফিনেডটের মতো একইভাবে কাজ করে, মস্তিস্কের সেই অংশকে উদ্দীপ্ত করে যা মনোযোগ ও আচরণের নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা পালন করে।

ডেক্সামফেটামিন  তিন বছরের অধিক বয়সী শিশু ও কিশোরদের জন্য ব্যবহৃত হয়। যদিও প্রাপ্তবয়স্কদের ব্যবহারের জন্য ডেক্সামফেটামিন লাইসেন্সপ্রাপ্ত নয় তবে বিশেষজ্ঞের নিবিড় তত্বাবধানে এটি নেওয়া যেতে পারে।

ডেক্সামফেটামিন সাধারণত ট্যাবলেট হিসেবে দিনে এক থেকে দুইবার গ্রহণ করা হয়, এটি মুখে খাওয়ার সিরাপ হিসেবেও পাওয়া যায়।

ডেক্সামফেটামিন  এর সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াসমূহঃ

ক্ষুধা কমে যাওয়া

অকারণে মেজাজের হঠাৎ পরিবর্তন

উত্তেজিত ও আক্রমণাত্মক মনোভাব

মাথা ঘোরা

মাথাব্যথা

ডায়রিয়া

বমি ভাব ও বমি

লিসডেক্সামফেটামিন (lisdexamfetamine)

লিসডেক্সামফেটামিন ও ডেক্সামফেটামিন এর মতো একই ধরণের ঔষধ এবং একইভাবে কাজ করে।

ADHD আক্রান্ত ছয় বছরের অধিক বয়সী শিশুরা এটি ব্যবহার করতে পারে, যদি মিথাইলফিনেডট এর মাধ্যমে চিকিৎসা কাজে না আসে। আপনি বড় হয়েও এই ঔষধ গ্রহণ করতে পারেন যদি আপনার চিকিৎসক মনে করেন যে এর মাধ্যমে আপনি উপকৃত হবেন। লিসডেক্সামফেটামিন ক্যাপসুল  ধরণের হয়, যা আপনি বা আপনার সন্তান দিনে একবার করে নিতে পারেন।

লিসডেক্সামফেটামিন   এর সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াসমূহঃ

ক্ষুধামন্দা এর ফলে ওজন কমতে পারে এবং স্বাস্থ্য দুর্বল হতে পারে

আগ্রাসী মনোভাব

তন্দ্রাভাব

মাথা ঘোরা

মাথাব্যথা

ডায়রিয়া

বমিভাব ও বমি

এটোমক্সিটিন (atomoxetine)

এটোমক্সিটিন  ADHD এর অন্যান্য ঔষধের চেয়ে আলাদাভাবে কাজ করে। এটি Selective Noradrenaline Reuptake Inhibitor (SNRI) হিসেবে পরিচিত, যার মানে হলো এটি মস্তিস্কের নরএড্রালিন (Noradrenaline) নামক রাসায়নিক পদার্থের বৃদ্ধি ঘটায়। এই রাসায়নিক পদার্থ মস্তিস্কের কোষগুলোর মধ্যে তথ্যের আদান প্রদান করে এবং এই রাসায়নিক পদার্থের বৃদ্ধি পাওয়াটা একাগ্রতা বাড়াতে এবং আবেগের নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

এটোমক্সিটিন ছয় বছরের অধিক বয়সী শিশু ও কিশোরদের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে। এটি সেইসব প্রাপ্তবয়স্কদের ব্যবহারের জন্যও লাইসেন্সপ্রাপ্ত যারা কৈশোর অবস্থা থেকে ঔষধ নেওয়ার পর থেকে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। যারা প্রাপ্তবয়সে ADHD আক্রান্ত হিসেবে নতুন করে সণাক্ত হয়েছেন তাদের জন্য এই ঔষধ লাইসেন্সপ্রাপ্ত নয় তবে বিশেষজ্ঞ্ররা তাদের তত্ত্বাবধানে এই ঔষধ ব্যবহারের পরামর্শ দিতে পারেন।

এটোমক্সিটিন ক্যাপসুল  আকারে পাওয়া যায়, যা সাধারণত আপনি বা আপনার সন্তান দিনে একবার বা দুইবার করে নিতে পারেন।

এটোমক্সিটিন এর সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াসমূহঃ

রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দনের সামান্য বৃ্দ্ধি

বমিভাব ও বমি

পেট ব্যথা

ঘুম বিঘ্নিত হওয়া

মাথা ঘোরা

মাথাব্যথা

বিরক্তি

এগুলো ছাড়াও এটোমক্সিটিন এরসাথে আরও কিছু মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যেমন- আত্মহত্যার চিন্তা ও যকৃত ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া সংযুক্ত রয়েছে তাই এরজন্য সতর্ক হওয়া জরুরী।

থেরাপি

ADHD আক্রান্ত শিশু, কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্কদের চিকিৎসায় ঔষধের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরণের থেরাপি সহায়ক হতে পারে। ADHD এর লক্ষণের সাথে অনেক সময় অতিরিক্ত কিছু সমস্যা যুক্ত হয় যেমন, আচরণ বা উদ্বেগজনিত সমস্যা – এসবের চিকিৎসাতেও থেরাপি কার্যকর।

ADHD এর চিকিৎসায় যেসব থেরাপি ব্যবহৃত হয় সেগুলো নিম্নে বর্ণিত হলোঃ

মনোরোগ সম্পর্কে ধারনা প্রদান (Psychoeducation)

এতে আপনার বা আপনার সন্তানের সাথে ADHD সম্পর্কে আলোচনা করা হবে, এটি কিভাবে আপনাকে প্রভাবিত করছে সে সম্পর্কে জানানো হবে। এই থেরাপি শিশু, কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্কদের কাছে ADHD আক্রান্ত হিসেবে সণাক্ত হওয়াকে বোধগম্য করে এবং এই পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নিতে ও এর সাথে বসবাস করতে সাহায্য করে।

আচরণের থেরাপি (Behaviour therapy )

আচরণের থেরাপি ADHD আক্রান্ত শিশুদের যত্নে সহায়তা করে থাকে, শিক্ষক এবং বাবা মাকে এর সাথে যুক্ত করা হয়। আচরণের থেরাপি সাধারণত আচরণজনিত সমস্যাগুলো নিয়ে কাজ করে। এই পদ্ধতিতে ADHD আক্রান্ত শিশুকে তাদের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে উৎসাহিত করার জন্য পুরষ্কারের ব্যবস্থা করা হয়। আপনি সেই ধরণের আচরণগুলোকে সণাক্ত করুন, যেগুলোকে আপনি উৎসাহিত করতে চান যেমন-খাবার খাওয়ার জন্য টেবিলে বসা। তারপর ভাল আচরণের জন্য আপনার শিশুকে বাছাইকৃত কোন ছোট ধরণের পুরস্কার দেওয়ার ব্যবস্থা করুন এবং খারাপ আচরণের জন্য কোন বিশেষ সু্যোগ বাতিল করুন। আচরণজনিত ব্যবস্থাপনায় শিক্ষকরা কি কি ভুমিকা পালন করবেন, তাদের কর্ম পরিকল্পনা কি হবে, এমনকি খুব সামান্য উন্নতির জন্যও শিশুদেরকে কিভাবে প্রশংসা ও উৎসাহিত করতে হবে, সে বিষয়গুলো শিক্ষকদের জানানো হয়। ।

বাবা মায়ের জন্য শিক্ষণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচী

যদি আপনার সন্তানের ADHD থেকে থাকে, তাহলে আপনার উচিৎ হবে আপনার সন্তানের চিকিৎসার পাশাপাশি একজন পরামর্শক বা মনোবিদের সাথে দেখা করা। এই সমস্যা সম্পর্কে যতটা সম্ভব জানা এবং কিভাবে এই সমস্যার মোকাবেলা করতে হবে তা জানা বাবা মায়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদিও এর জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো প্রশিক্ষন কর্মসূচি নেই, তবে ADHD আক্রান্ত শিশুদের বাবা মা ও শিক্ষকেরা পরামর্শক বা মনোবিদের কাছ থেকে এই সমস্যা ও তার সমাধান সম্পর্কে শিখে নিতে পারেন। আচরণজনিত ব্যবস্থাপনা (উপরে দেখুন) জানা থাকলে আপনার সন্তানকে সাহায্য করতে এবং তার সাথে আপনার সম্পর্কের উন্নয়নে আপনার দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

সামাজিক দক্ষতার প্রশিক্ষণ

এই প্রশিক্ষনে সামাজিক বিভিন্ন পরিস্থিতিতে কি ভাবে আচরন করতে হয় এবং তাদের আচরন অন্যদেরকে কিভাবে প্রভাবিত করে তা শেখানো হয়। ‘রোল প্লে’ অর্থাৎ ঐ ধরনের একটা পরিস্থিতির দৃশ্যে অভিনয়ের মাধ্যমে তা শেখানো হয়।

কগনেটিভ বিহেভিহারাল থেরাপী বা সিবিটি (Cognitive Behavioural Therapy or CBT)

কগনেটিভ বিহেভিহারাল থেরাপী এক ধরণের কথোপকথনের থেরাপি যা চিন্তা ও আচরণের পরিবর্তনের মাধ্যমে সমস্যাগুলোকে নিয়িন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। আপনার শিশু কোনো পরিস্থিতিতে কি অনুভব করে থেরাপিস্ট চেষ্টা করে তা পরিবর্তন করার জন্য যা পালাক্রমে তাদের আচরণে সম্ভাব্য পরিবর্তন আনে। সিবিটি আলাদাভাবে একজন থেরাপিস্টের তত্ত্বাবধানে বা একটি গ্রুপের অধীনে সম্পাদিত হতে পারে।

অন্যান্য সম্ভাব্য চিকিৎসাসমূহ

ADHD চিকিৎসার আরও কিছু পদ্ধতি রয়েছে যা কারো কারো জন্য উপকারি হতে পার যেমনঃ কিছু কিছু খাবার বাদ দিয়ে নির্দিষ্ট খাবারের পরিকল্পনা করা এবং পরিপূরক খাদ্য গ্রহণ করা। যাইহোক, এই পদ্ধতিগুলো কাজ করবে তার কোন শক্ত প্রমাণ নেই এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই পদ্ধতিগুলো চেষ্টা করা উচিৎ নয়।

পথ্য

ADHD আক্রান্ত ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যকর, ভারসাম্যপূর্ণ খাবার খাওয়া উচিত। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো খাবার খাওয়া যাবেনা। অনেকেই বিভিন্ন ধরণের খাবার ও ADHD এর লক্ষণগূলোর অবনতির মধ্যে সংযোগ লক্ষ্য করে থাকেন। উদাহরণস্বরূপ- চিনি, খাদ্য রঙ এবং ক্যাফেইন এসব খাদ্যকে অনেকেই বিরক্তিকর অতিমাত্রায় সক্রিয়তার জন্য দায়ী করেন এবং কিছু লোক বিশ্বাস করে্ন যে গম বা দুগ্ধজাত খাবার সহ্য গুণের অভাব সংক্রান্ত লক্ষণগুলোকে বাড়িয়ে দিতে পারে।

এই যদি হয় তাহলে আপনি কি কি খাবার খান বা পানীয় পান করেন এবং এর কারণে কি কি আচরণ হয় সে সম্পর্কে একটি ডায়েরি রাখুন। এই সম্পর্কে আপনার চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করুন যিনি হয়তো আপনাকে একজন পুষ্টিবিদ এর পরামর্শ নিতে বলবেন।

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আপনার (বা আপনার সন্তানের) খাবারের পদ্ধতি পরিবর্তন করবেন না।

সম্পূরকসমূহ

কিছু সমীক্ষায় প্রস্তাব করা হয়েছে যে ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি এসিড ADHD আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য উপকারি যদিও এর পক্ষে প্রমাণ খুবই সীমিত।

কোনো ধরনের সম্পূরক ব্যবহারের পূর্বে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করে নিন।

About the author

Maya Expert Team

Leave a Comment