নারী স্বাস্থ্য ও দেহতত্ত্ব সার্ভিক্যাল স্ক্রিনিং

সারভিক্যাল স্ক্রীনিং টেস্ট (স্মীয়ার টেস্ট)

সারভিক্যাল স্ক্রীনিং টেস্ট (স্মীয়ার টেস্ট)
সারভিক্যাল স্ক্রীনিং টেস্ট হচ্ছে সারভিক্স বা জরায়ুর গ্রীবার (জরায়ুর নিচের অংশ) অস্বাভাবিক কোষ সনাক্ত করার মাধ্যমে সারভিক্যাল ক্যান্সার প্রতিহত করার একটি পদ্ধতি।

সারভিক্যাল স্ক্রীনিং ক্যান্সারের কোনো পরীক্ষা নয়, বরং এটি হচ্ছ সারভিক্সের সুস্থতা নির্ণয়ের একটি পরীক্ষা। অধিকাংশ নারীর পরীক্ষার ফলাফলে সবকিছু স্বাভাবিক দেখায়। তবে ২০ জনের মধ্যে ১ জন নারীর পরীক্ষার ফলাফলে সারভিক্সের কোষে কিছু পরিবর্তন নজরে আসে।

বেশির ভাগ পরিবর্তনের কারণে সারভিক্সের ক্যান্সার হবে না এবং আক্রান্ত কোষগুলো নিজে নিজেই স্বাভাবিক অবস্থায় চলে যায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে, সমস্যা সৃষ্টির পূর্বেই অস্বাভাবিক কোষগুলোর জন্য চিকিৎসা গ্রহণ শুরু করতে হয়।

স্ক্রীনিং প্রোগ্রাম

যুক্তরাজ্যে ৩৫ বছরের কম বয়সী নারীদের ক্ষেত্রে স্তনের ক্যান্সারের পর সারভিক্যাল ক্যান্সার হচ্ছে সবচেয়ে বেশি সৃষ্ট ক্যান্সার। প্রতি বছরে প্রায় ২৮০০ নারীদের সার্ভিকাল ক্যান্সার নির্ণয় করা হয়।

সারভিক্যাল স্ক্রীনিং প্রোগ্রামের লক্ষ্য হচ্ছে সারভিক্যাল ক্যান্সারে আক্রান্ত নারীর সংখ্যা এবং এই ক্যান্সারে মৃত্যুবরণ করা নারীদের সংখ্যা হ্রাস করা।

২৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী সকল নারীকে সারভিক্যাল স্ক্রীনিং করানোর জন্য আমন্ত্রণ করা হচ্ছে। নিয়মিত স্ক্রীনিং করানোর ফলে সারভিক্সের যেকোন অস্বাভাবিক পরিবর্তন প্রথম পর্যায়েই সনাক্ত করা যাবে এবং প্রয়োজন অনুসারে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়া থেকে রক্ষা করতে চিকিৎসা প্রদান করা হবে।

এটা ধারণা করা হয় যে, প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা গ্রহণের ফলে সারভিক্যাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার হার ৭৫% পর্যন্ত প্রতিহত করা যায়।

About the author

Maya Expert Team