বাল্যরোগ চিকিৎসা শক্ত খাবার শিশুর যত্ন

ভাল অভ্যাস গড়ে তোলা

আপনার লক্ষ্য হবে আপনার শিশুকে বিভিন্ন ধরনের সাধারণ খাবার খেতে অভ্যস্ত করানো। পাশাপাশি আপনার খাদ্যাভ্যাসের সাথে যেমন – দিনে তিন বেলা পানীয়সহ খাবার এবং দুই বা তিনবার অল্প স্বাস্থ্যকর নাস্তা খাওয়ার অভ্যাস করানো।

সাধারণত আপনি এবং আপনার পরিবার যেধরনের খাবার খেয়ে অভ্যস্ত, তা আপনার শিশুদেরকে খেতে দিলে, ভবিষ্যতে খাবারের বিষয়ে তাদের খুঁৎখুঁতে হওয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে।

আপনি যা খাচ্ছেন তার ছোট একটি টুকরা আপনার শিশুকে খেতে দেওয়া, তাকে খাবার খাওয়ানোর একটি খুব সহজ উপায় এবং এর মাধ্যমে তারা কি খাচ্ছে তাও আপনি নিশ্চিত থাকতে পারবেন। প্রয়োজনের চেয়ে একটু বাড়তি খাবার তৈরি করে পরবর্তীতে খাওয়ার জন্য কিছু খাবার ফ্রিজে রেখে দিলে তা আপনার সময় এবং শ্রম দুটিই সাশ্রয় করবে।

আপনার শিশুর বিভিন্ন খাবারের মধ্যে নিচের খাবারগুলো থাকা উচিত:

ফলমূল এবং শাকসবজি

রুটি, ভাত, পাস্তা, আলু এবং অন্যান্য শ্বেতসারযুক্ত খাবার

মাংশ, মাছ, ডিম, শিম এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত নয় এমন প্রোটিনযুক্ত খাবার, এবং

দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবার

লাল মাংশ (গরু, শুকর বা ভেড়ার মাংশ) প্রোটিনের একটি চমৎকার উৎস। ডিম প্রোটিনের একটি সহজলভ্য এবং পুষ্টিকর উৎস, তবে অবশ্যই ডিমের সাদা অংশ এবং কুসুম ভালভাবে রান্না হতে হবে।

নয় মাস এবং তার বয়সের শিশু

প্রায় নয় মাস বয়সের পর থেকে আপনি আপনার শিশুকে নিচের খাবারগুলো দিতে পারেন:

প্রতিদিন তিন বা চারবার শ্বেতসার যুক্ত খাবার, যেমন- আলু, রুটি এবং ভাত

প্রতিদিন তিন বা চারবার ফলমূল এবং শাকসবজি, (ফলমূল এবং শাকসবজির ভিটামিন-সি আপনার শিশুকে লৌহ গ্রহণ করতে সাহায্য করবে, ফলে সব সময় তাদেরকে অন্য খাবার খেতে দিন), এবং

প্রতিদিন দুইবার মাছ, মাংশ, ডিম, ডাল এবং অন্যান্য ডালজাতীয় খাবার (শিম এবং মসুরির ডাল)

যদি আপনি আপনার শিশুকে মাছ বা মাংশ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, তবে তাদের প্রতিদিন দুইবার প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার, যেমন- ডাল, টফু (সয়াবিন থেকে তৈরি এক ধরনের দৈ), ভেষজ প্রোটিন বা ডিম খেতে দিন। (বিভিন্ন লিংকে গিয়ে নিরামিষ এবং নিরামিষভোজী শিশুদের বিষয়ে জানুন)

আপনার বাচ্চা এর পরও কিছু বুকের দুধ বা ফরমুলা দুধ এবং স্বাস্থ্যকর নাস্তা, যেমন- খাবারের মাঝে ফলমূল বা টোস্ট পছন্দ করতে পারে।

About the author

Maya Expert Team