এসটিআই এসটিডিএস হার্পিস

জেনিটাল হারপিসের লক্ষণসমূহ

জেনিটাল হারপিসের লক্ষণসমূহ

অধিকাংশ ব্যক্তি প্রথমবার হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস (HSV) এ আক্রান্ত হওয়ার সময় জেনিটাল হারপিসের কোন লক্ষণ অনুভব করেন না। যার ফলে, অনেকেই জানেন না যে তাদের এই সমস্যা আছে। আপনি এই ভাইরাস দ্বারা প্রথমবার আক্রান্ত হবার পর কয়েক মাস কখনো কখনো কয়েক বছর পর্যন্ত এর উপসর্গগুলো প্রকাশ নাও পেতে পারে, তবে সচরাচর এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার চার থেকে সাত দিনের মধ্যে এর লক্ষণগুলো প্রকাশিত হয়। সাধারণত পরবর্তীতে পুনরায় সংক্রমণের চেয়ে প্রথম বার সংক্রমণের সময় এই রোগের লক্ষণগুলো অধিক গুরুতর হয়ে থাকে।

প্রাথমিক সংক্রমণ

প্রথমবার জেনিটাল হারপিসের সংক্রমণের সময় যেসব লক্ষণ দেখা যায়ঃ

ছোট ছোট ফোসকা যেগুলো বিস্ফোরিত হয়ে যৌনাঙ্গ, মলদ্বার, উরু ও নিতম্বে উন্মুক্ত লাল ক্ষতের সৃষ্টি করে,

মেয়েদের জরায়ূমুখে (গর্ভের নিচের অংশ) ফোসকা ও আলসার,

মহিলাদের যোনিস্রাব,

প্রস্রাব করার সময় ব্যাথা,

অসুস্থবোধ করার মতো স্বাভাবিক অনুভূতি সেইসাথে শরীর কনকন করা, ব্যথা ও ফ্লু এর মতো উপসর্গ,

এই লক্ষণগুলো ২০ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। অবশ্য, ক্ষতগুলো শেষপর্যন্ত কোন দাগ না রেখেই শুকিয়ে ও ভালো হয়ে যায়।

পৌনঃপুনিক সংক্রমণ

জেনিটাল হারপিসের প্রথমিক লক্ষণগুলো সেরে গেলেও এর ভাইরাসগুলো কাছাকাছি স্নায়ুর মধ্যে সুপ্ত (নিস্ক্রিয়) থাকে। সময়ে সময়ে এই ভাইরাস আবার সক্রিয় হতে পারে, স্নায়ু থেকে ঘুরে ত্বকে নামতে পারে এবং পুনরায় এই রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটাতে পারে।

পৌনঃপুনিক সংক্রমণের যেসব লক্ষণ হতে পারেঃ

ফোসকা পড়ার আগে যৌনাঙ্গে, কখনও কখনও পায়ের নিচে এক ধরণের রণন, জ্বালাপোড়া বা চুলকানি অনুভূত হওয়া,

যন্ত্রণাদায়ক লাল ফোসকা যা শীঘ্রই বিস্ফোরিত হয়ে যৌনাঙ্গ, মলদ্বার,উরু ও নিতম্বে ক্ষত তৈরী করে,

মেয়েদের জরায়ূমুখে (গর্ভের নিচের অংশ)ফোসকা ও আলসার,

সাধারণত জেনিটাল হারপিসের পুনরায় সংক্রমণ স্বল্পস্থায়ী ও কম গুরুতর হয়। কারন আপনার শরীর প্রতিরক্ষামূলক অ্যান্টিবডি (প্রটিন যা সংক্রমণের বিরদ্ধে লড়াই করে) উৎপন্ন করে। আপনার শরীর এখন ভাইরাসটিকে সনাক্ত করতে পারে এবং HSV এর সাথে আরও কার্যকরভাবে লড়াই করতে সক্ষম হয়। সময়ের সাথে সাথে আপনি দেখতে পাবেন যে পৌনঃপুনিক জেনিটাল হারপিসের বারবার সংক্রমণ ও তীব্রতা অপেক্ষাকৃত কমে আসছে।

About the author

Maya Expert Team