অস্থিবিদ্যা কাঁধ

কাঁধের ব্যাথার রোগনির্ণয়

Written by Maya Expert Team

আপানার ডাক্তার কাধ পরীক্ষা করে ও বিভিন্ন উপসর্গগুলো বিবেচনা করে আপনার ব্যাথার কারণগুলো নির্ণয় করতে পারেন। তবে কোন কোন ক্ষেত্রে পরীক্ষা করার প্রয়োজন হতে পারে। ঘাড়ের ঠিক কোথায় ব্যাথা করছে তা জিজ্ঞেস করার পাশাপাশি ডাক্তার হয়ত নিচের বিষয়গুলোও জানতে চাইবেনঃ

আপনি সম্প্রতি কোন আঘাত পেয়েছেন কিনা

কোন কিছুতে ব্যাথাটা বাড়ে বা কমে কিনা

রাতে ব্যাথা বাড়ে কিনা

ব্যাথাটা আস্তে আস্তে বাড়ে না কি হঠাৎ শুরু হয়

ব্যাথার কারনে আপনার প্রাত্যহিক কাজকর্মের (activities of daily living) ব্যাঘাত ঘটে কিনা

আপানার শরীরের অন্য কোথাও কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা

শারীরিক পরীক্ষা

ডাক্তার হয়ত আপনার কাঁধের জায়গাটা বিভিন্নভাবে পরীক্ষা করে দেখবেন। উনিঃ

আপনার দুই কাঁধ তুলনা করে দেখবেন

সেখানে কোন ধরনের লালচেভাব, ফুলে যাওয়া বা আঁচড়ের দাগ আছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখবেন

আপনার কাঁধের জোড়া সঠিক জায়গা থেকে নড়চড় হয়েছে (dislocated) কিনা তা পরীক্ষা করে দেখবেন।

আপনার কাঁধের হাড় এবং জোড়ায় হাত দিয়ে দেখবেন যে এতে ব্যাথা লাগে কিনা।

হাত নাড়ানো

ডাক্তার হয়ত আপনাকে বিশেষ ভাবে হাত নাড়াতে বলবেন। যেমন হাত ঘাড়ের পিছনে নিয়ে যাওয়া এবং আপনার পাশের দিকে কনুই বাড়িয়ে দেয়ার মত কিছু পরীক্ষা করা হবে। যে বিশেষ ভঙ্গিতে হাত ঘোরালে ব্যাথা লাগে সেটি থেকে ডাক্তার ব্যাথার কারন নির্ণয় করতে পারেন।

পরীক্ষাঃ

এরপর আর পরীক্ষার হয়ত প্রয়োজন নাও পড়তে পারে। তবে, আরও ভালভাবে কাঁধ পরীক্ষার জন্য কোন ধরনের Imaging test (X-ray, MRI) করার দরকার হলে ডাক্তার আপনাকে হাসপাতালে যেতে বলতে পারেন। কয়েকটি রক্ত পরীক্ষাও করতে দিতে পারেন। এগুলো নিচে ব্যাখ্যা করা হল।

এক্স-রে

কিছু বিশেষ রোগের সম্ভাবনা বাতিল করার জন্য আপনার কাঁধের জোড়া পরীক্ষা করার জন্য এক্স-রে করতে হতে পারে। এক্স-রে (রঞ্জন রশ্মি)’র মাধ্যমে শুধু হাড়ের সমস্যা নির্ণয় করা হয়।

ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং (MRI) স্ক্যানঃ

ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং (MRI) স্ক্যান দ্বারা শরীরের হাড় ও মাংসপেশীর সমস্যা দু’ই নির্ণয় করা যায়। এতে শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র এবং রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করা হয়।

রক্ত পরীক্ষা

যেসব সমস্যার কারনে কাঁধে ব্যাথা করার মত সমস্যা হতে পারে সেগুলোর কোনটি আপনার আছে কিনা তা জানতে আপনার রক্তের নমুনা পরীক্ষা করা হতে পারে।। উদাহরণ সরূপঃ

পলিমায়ালজিয়া রিউমেটিকা – এ সমস্যাটি হলে জয়েন্টের টিস্যুতে জ্বলুনি হয় যা থেকে মাংসপেশিতে ব্যাথা হতে পারে এবং এবং আড়ষ্ট লাগতে পারে।

কোন ধরনের টিউমার

ডায়াবেটিস – ডায়াবেটিসে রক্তে অতিরিক্ত শর্করা (গ্লুকোজ) থাকে তা থেকে ফ্রোজেন শোল্ডার (frozen shoulder) নামক রোগ দেখা দিতে পায়ে।

About the author

Maya Expert Team