স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ

স্তন ক্যান্সারের কোন নির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি আর তাই ঠিক কী করে একে প্রতিরোধ করা যায় তা বলা কঠিন। কিছু বিষয় যা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে এবং প্রতি মাসে নিয়মিত নিজের স্তন পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে স্তনের চাকা শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা সম্ভব।

জীবন যাপন পদ্ধতিতে কিছুটা পরিবর্তন যা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় এবং কিছু প্রতিরোধের উপায় নিয়ে নিম্নে আলোচনা করা হল।

  • খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপন

সকল মহিলারই নিয়মিত শরীরচর্চা করা ও স্বাস্থ্যকর খাওয়া উচিৎ, কারণ এর মাধ্যমে অনেক অসুখ, যেমন হার্টের (হৃদযন্ত্রের) অসুখ, ডায়বেটিস আর বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সার প্রতিরোধ করা যায়।

স্তন ক্যান্সার ও খাদ্যাভ্যাসের মাঝে সম্পর্ক খুঁজতে কিছু গবেষণা হয়েছিলো, যদিও এখনও কোন সিদ্ধান্তে আসা যায়নি, তবে যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে, নিয়মিত শরীরচর্চা করে, সম্পৃক্ত (জমা) চর্বি ও অ্যালকোহল কম গ্রহণ করে, তারা উপকৃত হয়। আপনি সঠিক ওজনে আছেন কিনা জানতে আমাদের বি এম আই ক্যালকুলেটর ( ) ব্যবহার করতে পারেন।

এমনও ধারণা করা হয় যে, নিয়মিত শরীরচর্চা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি এক তৃতীয়াংশ কমিয়ে আনে। যদি আপনার মাসিক বন্ধ হয়ে গিয়ে থাকে, তবে ওজন বাড়তে না দেওয়া আপনার জন্য বেশি জরুরী। অতিরিক্ত ওজন থাকলে বা মোটা হয়ে গেলে শরীরে বেশি স্ট্রোজেন( মেয়েদের একটি হরমোন) তৈরি হয়, যা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।

  • বুকের দুধ খাওয়ানো

গবেষণায় দেখা গেছে যে, যে সব মহিলা বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ান পরিসংখ্যান মতে তাদের স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা যারা বুকের দুধ খাওয়াননি তাদের চেয়ে কম। এখনও পরিষ্কারভাবে এর কারণ বোঝা যায়নি, তবে ধারণা করা হয়, যেহেতু বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় মহিলাদের ওভিউলেশন ( ডিম্বাশয় থেকে ডিম নিঃসরণ) নিয়মিত হয় না, তাই এ সময় শরীরে কম স্ট্রোজেন তৈরি হয়।