হৃদরোগ হৃদরোগ সংক্রান্ত

হৃদরোগ থেকে মুক্ত থাকার জন্য ১০টি শীর্ষ টিপস

হৃদরোগ থেকে মুক্ত থাকার জন্য ১০টি শীর্ষ টিপস

সুস্থ জীবনযাপন পদ্ধতি আপনার হার্টকে সুস্থ রাখে। তাই আপনার হার্টকে ভাল রাখতে রইল ১০ টি সেরা টিপস।

১। শারীরিক পরিশ্রমের ব্যাপারে সক্রিয় হন:

প্রতি সপ্তাহে একবার করে ১৫০ মিনিটের সহনীয় মাত্রার অ্যারোবিক চর্চা করুন। প্রতিদিন ৩০মিনিট করে সপ্তাহে ৫ দিন করলে আপনি এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারবেন। যেকোনো ভাবেই আপনি এটা করতে পারেন। কোথাও যাওয়ার সময় যেমন কাছে হলে অফিসে যাওয়ার সময় হেঁটে যাওয়াটাও আপনার সক্রিয়তা বাড়াবে।

২। ধূমপান পরিত্যাগ করুন:

করোনারী হার্ট ডিজিজ হওয়ার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে ধূমপান অন্যতম। আপনি যদি ধূমপান ত্যাগ করেন, এক বছর ধূমপান-মুক্ত থাকার পর আপনার হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা একজন ধূমপায়ীর থেকে অর্ধেক হয়ে যায়। আরও পড়ুন ধূমপান ছেড়ে কেনাকাটা শুরু করুন

৩। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন

অতিরিক্ত ওজন হৃদরোগ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাবার পরিহার করে ফল ও সবজি জাতীয় খাবারকে প্রাধান্য দিয়ে আপনার সুষম খাবার খাবেন, সাথে দরকার অনুযায়ী শারীরিক পরিশ্রম করুন। আমাদের বিএমআই ক্যালকুলেটরে দেখুন আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে আছে নাকি আপনাকে আরও কিছু ওজন কমাতে হবে।

৪। অতিরিক্ত লবণ ত্যাগ করুন

আপনার রক্তচাপ ঠিক রাখতে খাবারের সাথে অতিরিক্ত লবণ ব্যবহার বন্ধ করুন। প্রয়োজনে লবণ ব্যবহার কমিয়ে দিন, সম্ভব হলে একেবারে বন্ধ করে দিন। ধীরে ধীরে আপনি লবণ ছাড়াই অভ্যস্ত হয়ে যাবেন। প্রক্রিয়াজাত খাবারে অতিরিক্ত লবণ থাকে, এ ব্যাপারেও সতর্ক থাকুন। প্রক্রিয়াজাত খাবারের লেবেল এর দিকে খেয়াল রাখুন- যদি এতে প্রতি ১০০ গ্রামে ১.৫ গ্রামের চাইতে বেশী লবণ থাকে বা ০.৬ গ্রামের বেশী সোডিয়াম থাকে, তবে এতে অতিরিক্ত লবণ আছে।

৫। প্রতিদিনের পাঁচের কোটা পূরণ করুন

প্রতিদিন পাঁচভাগে বণ্টন করে ফল এবং সবজি খান। সকালের নাস্তায় কর্ণফ্লেক্স(cereal) শুকনো ফল দিন, পাস্তায় এবং কারিতে সবজি ব্যবহার করুন। এ সম্পর্কে আরও পড়ুনপ্রতিদিনের পাঁচ।

৬। তেলযুক্ত মাছ খান

শিং-মাগুর জাতীয় মাছ, ইলিশ, তেলাপিয়া- এ ধরনের মাছগুলো ওমেগা-৩ ফ্যাটের খুব ভাল উৎস যা হার্ট ডিজিজ থেকে আমাদের রক্ষা করে।

৭। হাঁটুন, দুশ্চিন্তা তাড়ান

যদি আপনি চিন্তিত থাকেন এবং আপনার কাজের চাপ বেশী থাকে তবে আপনি হাঁটতে পারেন। এতে আপনার দুশ্চিন্তা দূর হবে। যদি আপনি দ্রুত হাঁটেন তবে এটা আপনার প্রতিদিনের ব্যায়ামের অংশ হিসেবে ধরে নিতে পারেন।

৮। সম্পৃক্ত চর্বিও ত্যাগ করুন

আপনার খাবারের অভ্যাসে অল্প পরিবর্তন করেই আপনি আপনার স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখতে পারেন। পূর্ণ-ক্রিম যুক্ত দুধের পরিবর্তে অল্প-ক্রিম-যুক্ত দুধ পান করতে পারেন। মাংসের টুকরা ছোট করে ফেলুন, ভাজি খাবার পরিবর্তে সিদ্ধ অথবা গ্রিল করে খেতে পারেন।

৯। অ্যালকোহল ত্যাগ করুন

অ্যালকোহল আপনার শরীরের চর্বির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। যদি আপনি প্রতিদিনের খাবারের সাথে ৩/৪ বার করে অ্যালকোহল পান করেন, তবে ৪ সপ্তাহেই আপনার ২ কেজি ওজন বেড়ে যাবে।

১০। খাবারের লেবেল দেখুন

কেনাকাটা করার সময় আপনার খাবারের প্যাকেটের গায়ে থাকা লেবেল থেকে আপনার খাবারে কি কি আছে তা দেখে নিন। এতে আপনি বুঝতে পারবেন যে কোনটি আপনার শরীরের জন্য ভাল আর কোনটি খারাপ।

About the author

Maya Expert Team