অভিবাসন (মাইগ্রেশন)

মানব পাচার: বাংলাদেশে অভিবাসন সমস্যা

Written by Maya Expert Team

বাংলাদেশে অভিবাসন সমস্যার মধ্যে বড় একটি সমস্যা হচ্ছে মানব পাচার। প্রতি বছর অনেক অভিবাসনে ইচ্ছুক মানুষ সঠিক তথ্যের অভাবে মানব পাচারের শিকার হন। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই এই অপরাধের শিকার হলেও নারী ও শিশুরা এই সমস্যার ভুক্তভোগী হন বেশি। এই সমস্যা সামধানে আগে আমাদের বুঝতে হবে মানব পাচার কি ও এই সংক্রান্ত আমাদের দেশে কি আইন আছে।

মানব পাচার কি?

বাংলাদেশের মানব পাচার প্রতিরােধ ও দমন আইন, ২০১২ অনুযায়ী, “মানব পাচার” অর্থ কোন ব্যক্তিকে ভয় দেখিয়ে, বল প্রয়ােগ বা প্রতারণার মাধ্যমে

• তার আর্থ-সামাজিক, পরিবেশগত বা অন্য কোন অসহায়ত্বের সুযােগ নিয়ে
• টাকা-পয়সার বিনিময়ে বা অন্য কোন সুবিধা বা লাভের জন্য তার উপর নিয়ন্ত্রণ আছে এমন কারাে
সম্মতি নিয়ে।
• বাংলাদেশের ভিতরে বা বাইরে যৌন শােষণ, শ্রম শােষণ বা অন্য কোনাে শােষণ বা নিপীড়নের উদ্দেশ্যে ক্রয় বা বিক্রয়, সংগ্রহ বা গ্রহণ, নির্বাসন বা স্থানান্তর, চালান বা আটক করা বা লুকিয়ে রাখা বা আশ্রয় দেয়া।

কোন শিশু পাচারের শিকার হলে, মানব পাচার অপরাধ সংঘটনের যে মাধ্যমগুলাে উপরে বর্ণনা করা হয়েছে তা উপস্থিত আছে কিনা তা বিবেচিত হবে না। তার মানে, ১৮ বছর বয়সের নিচে কোন ব্যক্তি পাচারের শিকার হলে তাকে পাচারের জন্য হুমকি বা বল প্রয়ােগ করা হয়েছিল কিনা বা জবরদস্তি, অপহরণ বা প্রতারণা করা হয়েছিল কিনা বা তার সম্মতি নেয়া হয়েছিল কিনা তা প্রমাণ করার প্রয়ােজন নেই।

বাংলাদেশের আইনে মানব পাচার একটি শাস্তিযােগ্য অপরাধ:

• মানব পাচারকারী কোন একক ব্যক্তি হলে তার শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং কমপক্ষে ৫ (পাঁচ)
বৎসর সশ্রম কারাদন্ড এবং কমপক্ষে ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা জরিমানা।
• মানব পাচারকারী কোন সংঘবদ্ধ দলের সদস্য হলে, তার শাস্তি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা কমপক্ষে ৭ (সাত) বছর সশ্রম কারাদন্ড এবং কমপক্ষে ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা জরিমানা।

মানব পাচার রোধে এই সংক্রান্ত এই এবং কি কি ক্ষেত্রে এটি হতে পারে সেই সংক্রান্ত তথ্য জানা জরুরি। আরো আর্টিকেল পড়ুন আমাদের ওয়েবসাইটে।

About the author

Maya Expert Team

Leave a Comment