গর্ভনিরোধ এবং পরিবার পরিকল্পনা

ভ্যাজাইনাল রিং বা জরায়ুর রিং

ভ্যাজাইনাল রিং বা জরায়ুর রিং

রাসায়নিক উপকরনঃ ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরন

ব্যবহার পদ্ধতিঃ এটি একটি ছোট প্লাস্টিক রিং যেটি মিলনের পূর্বে জরায়ু তে প্রবেশ করাতে হয়। এই স্থানে রিং টি ২১ দিন রাখতে হবে এবং তারপর এটি একটি একবার ব্যাবহার যোগ্য ব্যাগে করে ফেলে দিতে হবে। অবশ্যই ময়লার বাক্সে ফেলতে হবে। টয়লেটে ফেলা ঠিক নয়। রিং বের করার ৭ দিন পর আবার নতুন রিং প্রবেশ করাতে হবে।

জন্মনিয়ন্ত্রনের ধরনঃ হরমোন প্রধান

সহজলভ্যতাঃ বাংলাদেশে এই পদ্ধতি প্রচলিত নয়।

কার্যকারিতাঃ >৯৯%

উপকারিতাঃ

  • সহজে প্রবেশ করানো এবং বের করা যায়।
  • প্রতিবার মিলনের পূর্বে এই রিং – এর কথা চিন্তার প্রয়োজন পড়ে না।
  • ডায়রিয়া হলে অথবা বমি করলে এটির কোন ক্ষতি হয় না।
  • মাসিক এর পূর্বের নানা সমস্যা কমাতে এটি সাহায্য করে।
  • মাসিক নিয়মিত এবং ব্যথাহীন করতে সাহায্য করে।
  • ডিম্বাশয়, জরায়ু এবং কোলন ক্যান্সার এর ঝুঁকি কমায়।
  • ফাইব্রয়েডস, ডিম্বাশয় সিস্ট এবং নন ক্যান্সারাস স্তনের রোগের ঝুঁকি কমায়।

যাদের জন্য এই পদ্ধতি উপযুক্ত নয়ঃ

  • যদি কখনো রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধার ইতিহাস থেকে থাকে।
  • যাদের হৃদপিণ্ড অথবা রক্তপ্রবাহ কিংবা উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যা আছে।
  • যাদের বয়স ৩৫ বছরের বেশি এবং ধূমপানের অভ্যাস আছে কিংবা পূর্বে ধূমপান ছেড়ে দেয়ার ইতিহাস থাকলে।
  • যাদের প্রচন্ড মাইগ্রেনের সমস্যা আছে।
  • যাদের বিগত ৫ বছরে স্তন ক্যান্সার ছিল।
  • যাদের ডায়বেটিস রয়েছে।
  • যাদের ওজন বেশি।
  • বিশেষ ধরণের কিছু ওষুধ সেবন করলে।
  • যদি জরায়ু পেশি রিংটি ধরে রাখতে না পারে।

যদি আপনি ধূমপান না করেন এবং উপরের সমস্যাগুলো না থাকলে ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত এই রিং টি ব্যাবহার করা যাবে।

About the author

Maya Expert Team