এন্ডোক্রিনোলজি ডায়াবেটিস টাইপ 1

ডায়াবেটিস- টাইপ ১

Written by Maya Expert Team

হৃদরোগ থেকে মুক্ত থাকার জন্য ১০টি শীর্ষ টিপস

ভূমিকা

গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস (gestational diabetes) গর্ভাবস্থায় অনেক নারীরই রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ অতিমাত্রায় বেড়ে যায়; তখন শরীর অতিরিক্ত গ্লুকোজ ভেঙ্গে ফেলার জন্য পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না। এই অবস্থাকে গর্ভকালীন ডায়াবেটিস (গেস্টেশনাল ডায়াবেটিস) বলা হয়। ৫% এর মত গর্ভবতী নারী এতে আক্রান্ত হয়। তবে আগে থেকেই টাইপ-১ ডায়াবেটিস থাকলে গর্ভাবস্থার কারনে অবস্থার অবনতি হতে পারে। এ ধরনের ডায়াবেটিসের কারনে অনাগত শিশুর নানারকম জটিলতা হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়; এজন্য গর্ভকালীন সময় গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত। অধিকাংশ সময় গর্ভাবস্থার ২য় ভাগে এ ধরনের ডায়াবেটিস দেখা দেয় এবং শিশু জন্ম নেয়ার পরপরই এটি চলে যায়। তবে যেসব নারীর গর্ভকালীন ডায়াবেটিস হয় তাদের পরবর্তীতে টাইপ-২ ডায়াবেটিস হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘস্থায়ী জটিলতা যেটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারনে হয়। এটি ডায়াবেটিস মেলিটাস নামেও পরিচিত।

ডায়াবেটিস কেন হয়?

সাধারণত ইনসুলিন নামের এক ধরনের হরমোন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। পাকস্থলীর পিছে অবস্থিত অগ্ন্যাশয় (প্যানক্রিয়াস) নামের একটি গ্রন্থি ইনসুলিন তৈরি করে। খাবার হজম হবার পর যখন রক্তে প্রবেশ করে তখন ইনসুলিন রক্ত থেকে গ্লুকোজ আলাদা করে কোষে পৌঁছে দেয়। কোষে গিয়ে গ্লুকোজ ভেঙে শক্তি উৎপন্ন হয়। কিন্তু ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে শরীর পর্যাপ্ত ইনসুলিনের অভাবে অথবা ত্রুটিপূর্ণ ইনসুলিনের কারনে গ্লুকোজ ভেঙে শক্তি উৎপন্ন করতে পারে না। ডায়াবেটিস প্রধানত ২ প্রকার; টাইপ-১ ও টাইপ-২। এই নিবন্ধটি টাইপ-১ ডায়াবেটিসের ওপর।

টাইপ-১ ডায়াবেটিস কি?

শরীর ইনসুলিন উৎপাদন বন্ধ করে দিলে টাইপ-১ ডায়াবেটিস হয়। এটি ইনসুলিন নির্ভর ডায়াবেটিস নামেও পরিচিত। অনেক সময় এ ধরনের ডায়াবেটিসকে জুভেনাইল ডায়াবেটিসও বলা হয় কারণ এটি সাধারণত ৪০ বছরের আগে হয়, অনেকে কৈশোরেই এতে আক্রান্ত হয়। টাইপ-২ ডায়াবেটিসের তুলনায় টাইপ-১ ডায়াবেটিস হবার সম্ভাবনা অনেক কম। শরীর অপর্যাপ্ত ইনসুলিন উৎপাদন করলে বা শরীরের কোষগুলো ঠিকমত ইনসুলিন গ্রহণ করতে না পারলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস হয়। ডায়াবেটিস রোগীদের ১০% এর মত টাইপ-১ ডায়াবেটিস এ আক্রান্ত হয়। আপনার টাইপ-১ ডায়াবেটিস থাকলে আপনাকে সারাজীবন ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হবে। আপনাকে স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে এবং নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন করতে হবে যাতে আপনার রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রনে থাকে; এছাড়া আপনাকে নিয়মিত রক্ত পরিক্ষাও করাতে হবে।

 

 

মায়া বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে মায়া এন্ড্রয়েড এপ ডাউনলোড করুন এখান থেকে: https://bit.ly/2VVSeZa

About the author

Maya Expert Team