Maya Voice
Anybody Can join
মাতৃভাষায় দুটো কথা বলার চেষ্টা
Published: 21 July, 2012
I am just a person who loves almost everything about women.
Listed in
আমি যখন ছোট্ট ছিলাম এবং আমার খুব জড় হয়েছিল, আমার খালা বলেছিল, “পটিন, তোর কষ্ট আমি কোন ভাবেই বুঝতে পারবোনা। তখনি বুঝতে পারবো যখন তোর জড় আমি নিয়ে নিতে পারবো। কিন্তু তা কোন ভাবেই সম্ভব না।”
সব মানুষের জড় হয়। যে কোন মানুষের এক রোগ হতেই পারে। দেহর কষ্ট এক হওয়া সম্ভব হতে পারে কিন্তু মনের কষ্ট কোন ভাবেই কি এক হওয়া সম্ভব? বোঝা সম্ভব? আমার দু দিন আগে কিছু মহিলা – মেয়ে বললেও চলে – যারা নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে তাদের অল্পস্বল্প কিছু কথা সোনার সৌভাগ্য হয়েছিল। দুর্ভাগ্য বললেও আমার মতে অতো তফাত হবেনা। একজন নারী ছিল যার প্রতি মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতন করতো তার স্বামী। তার বিশ্বাস যে সে স্বাবলম্বী হওয়াতে সহিংসতা থেকে মুক্ত হতে পেরেছেন। বাকিরা কিশোরী। কেও বা বাল্যবিবাহ হওয়ার পড়ে ছাড়াছাড়ি হওয়ায় মুক্তি পেয়েছে নির্যাতন থেকে, একজন বিবাহের আগেই বেচে গেছে সহিংসতার হাত থেকে। তবে তার ভাগ্য হয়নি কোন সময় লেখাপড়া করার। মেয়েটি ছিল খুবই অস্থির। তার স্বাবলম্বী হওয়ার পথ আমি এখনো জানিনা।
কখনো মনমরা। কখনো কান্নায় ভেঙে পরা। কষ্টের ছাপ তাদের চেহারা ছাড়তে চায়না কোন ভাবেই।
একটি মেয়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছিল। তার কষ্ট এতই কঠোর এবং আপন যে তার কোন ক্ষমতা ছিলনা নিজের অভিজ্ঞতা বলার শব্দ বেবহার করে। তার অশ্রুই ছিল তার এক মাত্র কণ্ঠের ছাপ। অন্যদের মুখে জানতে পাড়লাম যে তার স্বামী তাকে খুব মারধর করে। তাদের ভেতর দূরত্বটা মানসিক ও শারীরিক উভই। মেয়েটির ভাগ্য হয়না তার স্বামীর সাথে এক ঘড়ে থাকার। এই বাল্য কিশোরী আলাদা থাকে তার উপর চাপিয়ে দেওয়া সেই পরিবার থেকে।
আমাদের দেশে মহিলা বা মেয়েদের বৈবাহিক কোন সমস্যা হলে তাদের বাবার বাড়ি ফিরে যাওয়াই সবচেয়ে স্বাভাবিক। খুব কম সময় ই তাদের এছাড়া অন্য কোন পথ থাকে। পথ না থাকা বললেও ভুল ভ্রান্তির সম্ভাবনা কম। কিন্তু সেই অসহায় মেয়েটি বিবাহ বিচ্ছেদ করতে না পাড়লেও তো তার বাবার কাছে আশ্রয় নিতে পারে। তাই না? কিন্তু মেয়েটির আপন মা নেই। তার আপন বাড়িতে সৎ মা। সে একটি বোঝা ছাড়া আর কিছুই নয় তার বাবার সংসারে। তার বাবার থেকে বেশী আপন তার দূরের স্বামী। সেই স্বামী যার কাছ থেকে আলাদা থাকে এই কিশোরী।
তাদের মধ্যে সবচেয়ে বয়স্ক যেই নাড়ী উপস্থিত ছিলেন সে মেয়েটাকে সান্ত্বনা দেয়। তাকে বলে সে আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হলে সব ঠিক হয়ে যাবে। অন্যদের চোখে সে বড় হবে। তাকে শ্রদ্ধা করবে। তার সম্মান বাড়বে। তার স্বামী তাকে আপন করে নিবে। নাড়ীটি আস্থা দেয় যে সে নিজেই সাহায্য করবে এই প্রকল্প, এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে। সে তাকে কাজ শেখাবে।
এই পর্যায় আমাকে কেও হতাশাপীড়িত একটি মানুষ বলতেই পারে। একটা মানুষ এর ভিতর এতো দুঃখ দেখলে যে কেও হতাশায় আক্রান্ত হতেই পারে। আমি মাঝে মাঝে চিন্তা করতে পারিনা যে এই মেয়েটি কিভাবে এই অন্ধকার থেকে বেড়িয়ে আসবে। সে কিভাবে মানসিক শক্তি এবং প্রস্তুতি নেবে এই গভীর গুহা থেকে বেড় হওয়ার? তার কথা চিন্তা করে আমি কয়েক সময় নিজেই ভেঙ্গে পরি। আমার নিজের অশ্রুঝরা থামাতে অসম্ভব হয়ে যায় কোন কোন সময় তার কথা চিন্তা করে। আমি তার কষ্টের পরিমাণ বুঝতে পারিনা, আমি কিভাবে তার কষ্ট বুঝবো? কেও কি আদেও তার কষ্ট পুরোপুরি বুঝতে পারবে?



Respecting your privacy is core to Maya's beliefs.
You can comment "Anonymously" or use your screen ID.
More
comment
Reply 0 Recommended by Mayacomment
Reply 0 Recommended by Maya