গর্ভাবস্থা নির্ণয়ের পরীক্ষা (প্রেগন্যান্সি টেস্ট)

গর্ভাবস্থা নির্ণয়ের পরীক্ষা (প্রেগন্যান্সি টেস্ট)
আপনি হয়তো আশা করছেন অথবা সন্দেহ করছেন আপনার গর্ভে সন্তান এসেছে, কিন্তু পরীক্ষা করার আগে নিশ্চিত হতে পারছেন না- প্রত্যেক মায়ের জীবনেই এই অনিশ্চয়তা ভরা আবেগঘন সময়টুকু আসে। এই সময়টাতে সবাই যত দ্রুত সম্ভব একটি নিশ্চিত উত্তর চায়। ডাক্তারের সাথে সাক্ষাৎ এর সময় পেতে অসুবিধা হচ্ছে, এই অপেক্ষার সময়টুকুও কাটছে না। এক্ষেত্রে আপনি ঘরে বসেই “গর্ভাবস্থা নির্ণয়ের পরীক্ষা” (pregnancy test) করিয়ে নিতে পারেন।

ঘরে বসে গর্ভাবস্থা নির্ণয়েয় পরীক্ষা করার আগে আপনাকে কিছু বিষয় জেনে নিতে হবে। আপনাকে জানতে হবে- কখন পরীক্ষাটি করতে হয়? তার জন্য কি কি পদ্ধতি আছে? আপনি সেগুলো কোথায় পাবেন? এই পরীক্ষা কিভাবে কাজ করে?


কখন আপনি “গর্ভাবস্থা নির্ণয়ের পরীক্ষা” (Pregnancy test) করবেন?
মাসিক বন্ধ হবার প্রথম দিনেই আপনার মূত্র পরীক্ষার মাধ্যমে আপনি আপনার গর্ভাবস্থা নির্ণয়েয় পরীক্ষাটি করাতে পারেন। তবে মাসিক বন্ধ হবার ১ সপ্তাহ পরে যদি পরীক্ষাটি করা হয় তবে পরীক্ষার ফলাফল আরো নিশ্চিত করে বলা যায়। গর্ভধারনের বিষযটি সাধারনত মাসিক বন্ধ হবার ১ সপ্তাহ আগেই ঘটে থাকে। সে কারনে কিছু আধুনিক পরীক্ষায় মাসিক বন্ধ হবার আগেই পরীক্ষার ফল পাওয়া যায়। দিনের যে কোন সময়ের মূত্রের মাধ্যমে এই পরীক্ষা করা যায়, তবে সকাল বেলায় প্রথমবার মূত্র ত্যাগের সময় নমুনা সংগ্রহ করা ভালো।


ঘরে বসে “গর্ভাবস্থা নির্ণয়ের পরীক্ষার” (pregnancy test) সরঞ্জামাদি কোথায় পাবেন?
গর্ভাবস্থা নির্ণয়ের টেস্টিং কিট (Pregnancy Testing Kit) যে কোন ঔষধের দোকানেই পাওয়া যায়। এটি দ্রুত ফলাফল দেয় এবং আপনি একান্তে পরীক্ষাটি করতে পারবেন। দেশে তৈরি প্রচলিত ১ প্যাকেটের মূল্য ৫০ টাকার মতো। এছাড়া আরো কয়েক ধরনের টেস্টিং কিট পাওয়া যায়।


ঘরে বসে “গর্ভাবস্থা নির্ণয়ের পরীক্ষা” কিভাবে কাজ করে?
ডিম্বানু নিষিক্ত হবার ৬ দিন পর গর্ভবতী মায়ের শরীরে বিশেষ একধরনের হরমোনের নিঃসরণ ঘটে, এর নাম এইচ.সি.জি (human chorionic gonadotropin)। মূত্রে এই হরমোনের উপস্থিতি পরীক্ষার মাধ্যমে গর্ভবতী কিনা তা নির্ণয় করা হয়। কেউ যদি গর্ভবতী হয়ে পড়ে, গর্ভাবস্থার প্রথম কয়েক সপ্তাহে রক্তে এইচ.সি.জি (human chorionic gonadotropin) হরমোনের মাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়।


ঘরে বসে “গর্ভাবস্থা নির্ণয়ের পরীক্ষার” ধাপ সমূহ
প্রথম কাজ হলো “গর্ভাবস্থা নির্ণয়ের পরিক্ষার” সরঞ্জামাদি ক্রয় করা। বাজারে বিভিন্ন কোম্পানীর গর্ভাবস্থা নির্ণয় পরীক্ষার কিট (Kit) পাওয়া যায়। আপনি যে কোন একটি ঔষধের দোকান থেকে এটা কিনতে পারেন। তবে কেনার আগে মেয়াদ উর্ত্তীনের তারিখ দেখে নেবেন। পরীক্ষা করে নিবেন প্যাকেটটি অক্ষত কিনা, কোন ছেঁড়া-ফাঁড়া আছে কিনা। যদি আপনি গর্ভাবস্থার একদম প্রথমদিকে পরীক্ষাটি করতে চান, তবে দুটি প্যাকেট কিনুন। আপনি যদি প্রথমবার পরীক্ষায় “না” সূচক ফলাফল পান, তবে ১ সপ্তাহ পর আবার পরীক্ষা করুন।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, বড় এবং চালু দোকান থেকে এগুলো ক্রয় করা ভালো। যেহেতু তাদের মালামাল দ্রুত শেষ হয়ে যায়, তাই মেয়াদউর্ত্তীনের ভয় থাকে না, নতুন তৈরি কিট পাবার সম্ভাবনা বেশী থাকে, ফলে ফলাফল নিয়েও বিভ্রান্তির কোন সুযোগ থাকে না। একই রকমভাবে, আপনার কেনা এই কিট যদি কয়েক মাস বাসায় পড়ে থাকে তবে সেটি ব্যবহার করবেন না, ফেলে দিন, নতুন একটি প্যাকেট কিনুন।

কোন কোন প্রস্তুতকারক কোম্পানী দাবী করে, তাদের তৈরি কিট মাসিক বন্ধ হবার আগেই গর্ভাবস্থার ফলাফল জানাতে পারে। তবে একেবারে প্রথম দিকে পরীক্ষা না করাই ভালো, কারন অনেক সময় পর্যাপ্ত এইচ.সি.জি (human chorionic gonadotropin, hcG) হরমোন নিঃসরন হতে সময় লাগতে পারে। সেক্ষেত্রে দেখা যাবে গর্ভবতী হয়ে যাওয়ার পরও পরীক্ষার ফলাফল আসছে “না” সূচক।

নামীদামী কোম্পানী ও সাধারন কোম্পানী সবাই একই জিনিস দিয়ে, একই পদ্ধতিতে এই কিট তৈরি করে। সুতারাং এটা ক্রয়ের ক্ষেত্রে কোন বাছবিচার করার প্রয়োজন নাই।

এবার সিদ্ধান্ত নিন কখন আপনি পরীক্ষাটি করবেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ মনে করেন মাসিক বন্ধ হবার প্রথম দিন থেকে ৭-১০ দিন অপেক্ষা করা উচিত। ২ সপ্তাহ অপেক্ষা করলে সবচেয়ে ভালো। এটা ঠিক এই সময়টাতে যে পরিমান অনিশ্চয়তার অস্থিরতা থাকে তাতে অতদিন অপেক্ষা করা কঠিন, কিন্তু অপেক্ষা করতে পারলে একবার পরীক্ষা করেই নিশ্চিত ফলাফল পাবেন।

নিষিক্ত ডিম্বানু যখন জরায়ুর গায়ে প্রোথিত হয় তখন এইচ.সি.জি (human chorionic gonadotropin, hcG) হরমোন নিঃস্বরণ ঘটে, যার উপস্থিতির মাধ্যমে গর্ভাবস্থা নির্ণয় করা হয়। শুক্রানু দ্বারা ডিম্বানু নিষিক্ত হবার ৬ষ্ঠ দিনের মাথায় এটি জরায়ুর গায়ে প্রোথিত হয়। এজন্য ঘরে বসে গর্ভাবস্থা নির্ণয়য়ের যে পরীক্ষা করা হয় সেটি বেশি তাড়াতাড়ি করলে ফলাফল অনেক সময় ঠিক নাও হতে পারে।

সকাল বেলার প্রথমবার যে প্রস্রাব করা হয়, সেটি দিয়ে পরীক্ষা করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। কারন সারা রাতের মূত্র জমা থাকে বলে সেখানে এইচ.সি.জি (human chorionic gonadotropin) এর ঘনত্ব বেশি থাকে।


নির্দেশাবলী ভালোমত পড়ুন
যদিও ঘরে বসে গর্ভাবস্থা নির্ণয়ের পরীক্ষা পদ্ধতি মোটামোটি একই রকম, তবু কিটের (Kit) মধ্যে যে নির্দেশনা আছে সেটি অনুসরন করুন অনেক সময় মূত্র সংগ্রহের পদ্ধতি ও ফলাফলের ব্যাখ্যায় ভিন্নতা থাকতে পারে।

পরীক্ষার পর কি পেলেন, কি ব্যাখ্যা হবে সেটি আগেই ভালোভাবে পড়ে বুঝে নিন।


পরীক্ষার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন
তাড়াহুড়া করবেন না। সময় নিন। নিরিবিলিতে পরীক্ষাটি করুন। এ সময়ে সবার ভিতরেই এক ধরনের মানসিক অস্থিরতা কাজ করে, সুতরাং শান্ত হয়ে পরীক্ষাটি শুরু করুন। আপনার স্বামী বা সঙ্গীকে কাছেই রাখুন, তার সঙ্গে কথা বলুন। সাবান এবং গরম পানি দিয়ে হাত পরিস্কার করে ধূয়ে নিন। সাবধানে প্যাকেটটি খুলে ভেতরে যে কাঠিটি (Testing Stick) আছে তা বের করুন।


পরীক্ষা শুরু
দু’ভাবে এটা করা যায়। আপনি টয়লেটে বসে আপনার মূত্র ধারার মধ্যে কাঠিটি ধরতে পারেন অথবা ছোট একটি প্লাষ্টিকের কাপে কিছুটা মূত্র সংগ্রহ করে তার মধ্যে কাঠিটি ডুবিয়ে দিতে পারেন। দু’ক্ষেত্রেই কিছুটা প্রস্রাব হয়ে যাওয়ার পর এটা করা ভালো।

যদি আপনি প্রথম পদ্ধতিটি ব্যবহার করেন অথ্যৎ মূত্র ধারার মধ্যে কাঠিটি ধরার পদ্ধতি অনুসরন করেন, তবে নিশ্চিত হয়ে নিন সবকিছু যেভাবে নির্দেশনা দেওয়া আছে, সেভাবে করছেন কিনা। কিছু কিছু পরীক্ষা পদ্ধতিতে উল্লেখ আছে ঠিক কতক্ষন আপনি কাঠিটি মূত্র ধারার মধ্যে ধরে রাখবেন। যেমন, মনে করুন ৫ সেকেন্ড। সেক্ষেত্রে কমও করা যাবে না আবার বেশীও করা যাবে না । প্রয়োজনে একটি “স্টপ ওয়াচ” ব্যবহার করতে পারেন।

পরীক্ষার কাঠিটি ভালোভাবে লক্ষ্য করুন, এটির যে প্রান্তে মূত্র শুষে নেয়ার ব্যবস্থা আছে সেটি মূত্র ধারার মধ্যে ধরুন।

কিছুকিছু কিটে (Kit) ড্রপার (Dropper ) দেয়া থাকে। সেক্ষেত্রে ড্রপার (Dropper) দিয়ে মূত্র নিয়ে কাঠিটির (Stick) যে অংশে মূত্র দিতে হবে বলে উল্লেখ আছে, সেখানে ফোটাফোটা মূত্র ফেলুন। কিছু কিছু কোম্পানীর নির্দেশাবলী হলো মূত্র সংগ্রহ করে, কাঠির যে প্রান্তে শুষে নেওয়ার ব্যবস্থা আছে সে প্রান্ত তাতে ডুবিয়ে ধরা। ঐ অবস্থায় এটিকে ৫-১০ সেকেন্ড রাখতে হবে। সময়ের ব্যাপারে কিটের সঙ্গে থাকা নির্দেশনা ভালোমত অনুসরন করুন।

নিদিষ্ট পরিমান সময় কাঠিটি মূত্রে ধরে রেখে এবার তুলে ফেলুন। কাঠিটি একটি সমতল ও শুকনো, পরিস্কার জায়গায় এমনভাবে রাখুন যাতে যে অংশে ফলাফল দেখা যাবে তা যেন উপরের দিকে থাকে। এ অবস্থায় ১-৫ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। কোন কোন ক্ষেত্রে ফলাফলের জন্য ১০ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। এ ক্ষেত্রে নির্দেশনায় উল্লেখিত সময় মেনে চলুন।

এই অপেক্ষার সময়টুকুতে বারবার কাঠির দিকে তাকাবেন না, তাতে অস্থিরতা আরো বেড়ে যাবে। বরং এই সময়টুকুতে অন্য কিছু নিয়ে ব্যস্ত থাকুন।

কোন কোন কাঠিতে এমন ব্যবস্থা থাকে যাতে বোঝা যায় পরীক্ষাটি কাজ করছে কিনা বা সময়ের সাথে সাথে পরীক্ষার কাজ কতটুকু অগ্রসর হলো। যদি আপনার কিটে (Kit) সে ব্যবস্থা থাকে এবং সেখানে কিছুই দেখা না যায়, তবে পুনঃরায় পরীক্ষাটি করুন।


এবার ফলাফল দেখুন
নির্দেশিকায় উল্লেখিত সময় পার হয়ে যাওয়ার পর কাঠির (ঝঃরপশ) যে অংশে ফলাফল দেখা যাবে বলে উল্লেখ করা আছে, সেখানে লক্ষ্য করুন। কোন চিহ্নে গর্ভাবস্থা বুঝা যাবে- সেটা একেক কিটে (করঃ) একেক রকম, বেশিরভাগ কিটে (Kit) যোগ (+) এবং বিয়োগ (-) চিহ্ন দিয়ে এটা বুঝানো হয়ে থাকে, কোন কোনটিতে দুটি সমান্তরাল রেখা থাকে, কেউ কেউ আবার বিভিন্ন রং এর চিহ্ন দিয়ে ফলাফল বুঝিয়ে থাকেন। আপনি যে কিটটি (Kit) ব্যবহার করছেন, তার নির্দেশিকায় কি বর্ণনা আছে, সেই অনুযায়ী আপনি পরীক্ষার ফলাফল খুঁজুন।

কখনো কখনো ফলাফল হালকা, ঝাপসা অথবা অস্পষ্ট হতে পারে। এইচ.সি.জি (human chorionic gonadotropin) হরমোনের পরিমান কম থাকলে এমনটা হয়। অষ্পষ্ট হলেও এই ফলাফলকে “হাঁ” সূচক ধরতে হবে। পরীক্ষার ফলাফল “হাঁ” সূচক-কিন্তু গর্ভবতী না, এমনটা হয়না বললেই চলে।


গর্ভাবস্থা নির্ণয়ের পরীক্ষার ফলাফলের ব্যাখ্যা
পরীক্ষার ফলাফল যদি “হাঁ” সূচক হয় তবে নিশ্চিত করে বলা যায় গর্ভসঞ্চার হয়েছে। বরং “না” সূচক ফলাফল পরোপুরি নির্ভরযোগ্য নয়। সেক্ষেত্রে পরবর্তী পরীক্ষায় “হাঁ” সূচক ফলাফল পাওয়া যায়।

ঘরে বসে গর্ভাবস্থা নির্ণয়ের পরীক্ষায় “হাঁ” সূচক ফলাফল পেলে, আপনি আপনার ডাক্তারের সাথে দেখা করুন। ডাক্তার রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে এটিকে আবারও নিশ্চিত করবেন। ইতোমধ্যে গর্ভাবস্থা যদি ৫ বা তার বেশী সপ্তাহ হয়ে থাকে তবে আলট্রাসনোগ্রাম (USG) করাবেন। আপনার শিশু কখন জম্মাবে সেটি হিসাব করার জন্য আপনি আমাদের “প্রসবের তারিখ গননার ক্যালকুলেটর” ব্যবহার করতে পারেন।


ফলাফল যদি “না” সূচক আসে
যদি আপনার মাসিক না শুরু হয়ে থাকে, তাহলে আরো ১ সপ্তাহ অপেক্ষা করুন, তারপর আবার পরীক্ষাটি করুন। আপনি যদি মাসিকের সম্ভাব্য তারিখ হিসাব করতে ভুল করে থাকেন বা বেশী তাড়াতাড়ি পরীক্ষাটি করে থাকেন তাহলে গর্ভবতী হওয়ার পরও “না” সূচক ফলাফল আসতে পারে। যদি দ্বিতীয় পরীক্ষাটিও “না” সূচক হয় এবং তখনো আপনার মাসিক না শুরু হয়ে থাকে তবে আপনার ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। ডাক্তার পরীক্ষা করে দেখবেন কেন আপনার মাসিক বন্ধ হয়েছে।


গর্ভাবস্থা নির্ণয়ের অন্যান্য পদ্ধতি
ঘরে করার পরিবর্তে আপনি যে কোন ডায়াগনষ্টিক সেন্টার থেকেও গর্ভাবস্থা নির্ণয়ের পরীক্ষাটি করাতে পারেন। সেখানে রক্তে এইচ.সি.জি (human chorionic gonadotropin) হরমোনের মাত্রা দেখা হবে। যদি তার পরিমান 5mIU/ml এর কম হয় তাহলে বুঝা যাবে গর্ভসঞ্চার হয়নি।


আপনি যদি এই গর্ভাবস্থা না চান
অনেক সময পরিকল্পনা ছাড়াই গর্ভসঞ্চার হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে আপনি হয়তো সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন-বাচ্চা রাখবেন নাকি রাখবেন না। সেক্ষেত্রে একজন বিশেষজ্ঞের সাথে একান্তে আপনাকে কথা বলতে হবে। আপনার সামনে তখন যে বিকল্প গুলো থাকবে তা হলো-

গর্ভস্থ শিশুকে জম্মদানের সিদ্ধান্ত নেয়া। সেক্ষেত্রে নিজেকে সেভাবে প্রস্তুত করে এগিয়ে যেতে হবে।

গর্ভপাত- একান্তই উপায় না থাকলে গর্ভপাত করানো যেতে পারে। মাসিক বন্ধের ১০ সপ্তাহের মধ্যে হলে এম.আর (M.R.) এর মাধ্যমে এটা করানো যায়। যে কোন প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ (gynaecologist) এর সাহার্যে অথবা সরকারী পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র থেকে এটা করানো যেতে পারে।

যদি আপনি গর্ভপাত করাতে না চান কিন্তু বাচ্চা নেওয়ার মত অবস্থাও আপনার নেই, সেক্ষেত্রে জম্মের পর বাচ্চাকে দত্তক দিয়ে দিতে পারেন। অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা এসব নিয়ে কাজ করে। তাদের একটি হলো- “Hope for the Destitute Women and Children” ফোন-০২-৯১২৬২৫৯, hdwc.bd@gmail.com, আপনি তাদের ফেসবুক পেজ এও গিয়ে দেখতে পারেন