ফাইব্রয়েড- জটিলতা

ফাইব্রয়েড- জটিলতা
যদিও বেশিরভাগ নারীর ক্ষেত্রেই ফাইব্রয়েডের তেমন কোন উপসর্গ বা লক্ষণ প্রকাশ পায়না, তবে বিরল কিছু ক্ষেত্রে ফাইব্রয়েড বন্ধ্যাত্ব কিংবা গর্ভাবস্থায় সমস্যা সৃষ্টির মতো গুরুতর জটিলতার কারন হতে পারে।

জটিলতার সম্ভাবনা নির্ভর করে ফাইব্রয়েডের অবস্থান এবং আকারের উপর। কিছু প্রধান জটিলতা নিচে তুলে ধরা হলঃ


গর্ভবস্থায় সমস্যা
গর্ভাবস্থায় ফাইব্রয়েডের উপস্থিতি অনেকসময় বাচ্চার বেড়ে উঠার ক্ষেত্রে অথবা প্রসবের সময় জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।

যেসব নারীদের ফাইব্রয়েড আছে, গর্ভাবস্থায় তাদের পেটে ব্যথা হতে পারে এবং এর কারণে অকাল প্রসবের সম্ভাবনা থাকতে পারে। যদি বড় ফাইব্রয়েড যোনীকে বন্ধ করে দেয়, তবে বাচ্চা প্রসবের জন্যে সিজার (পেট কেটে বাচ্চা প্রসবের প্রক্রিয়া) করার প্রয়োজন হতে পারে। খুব কম ক্ষেত্রেই ফাইব্রয়েড গর্ভপাতের (প্রথম ২৩ সপ্তাহের মধ্যে গর্ভাবস্থার অবসান হওয়া)  কারন হতে পারে।

যদি আপনার ফাইব্রয়েড থাকে এবং আপনি গর্ভবতী হোন, আপনার ডাক্তার আপনাকে আরো তথ্য ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিবেন।


বন্ধ্যাত্ব
ফাইব্রয়েড যদি আকারে খুব বেশি বড় হয় তাহলে বন্ধ্যাত্ব (গর্ভধারনে অক্ষমতা) হতে পারে। বড় ফাইব্রয়েড অনেক সময় নিষিক্ত ডিম্বানুকে গর্ভাশয়ের আস্তরণের প্রোথিত হতে বাঁধা দেয় কিংবা শুক্রানুকে ডিম্বের কাছাকাছি পর্যন্ত পৌছাতে বাঁধা দেয়, যদিও এটা খুবই বিরল।

যদি আপনার সাবমিউকোসাল ফাইব্রয়েড (যা মাংশ পেশীর দেয়াল থেকে উৎপন্ন হয়ে জরায়ুর গর্ভের ভেতর পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে) হয়ে থাকে, তবে এটি ডিম্ববাহী নালীকে (ফেলোপিয়ান টিউব) বন্ধ করে দিয়ে গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনাকে কঠিন করে তুলতে পারে। ডিম্ববাহী নালীর মধ্য দিয়ে ডিম্বানু ডিম্বাশয় থেকে জরায়ুতে এসে পৌঁছে।