ফুসফুসের ক্যান্সার

ক্যান্সার একটি মারাত্মক জটিল ব্যাধি। জটিলতা ও ভয়াবহতার দিক থেকে এইডসের পরই ক্যান্সারের স্থান। ক্যান্সার হলো শরীরের কোষকলার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকৃতি। বিশ্বজুড়ে পুরুষের মাঝে ফুসফুসের ক্যান্সার এবং মহিলাদের মাঝে স্তন ক্যান্সারের প্রাধান্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমাদের দেশের অবস্থাও অনুরূপ। অন্যান্য অঙ্গে ক্যান্সার হবার চেয়ে তুলনামুলক ভাবে ফুসফুসে ক্যান্সার হবার হার একটু বেশী। কারন আর কিছু নয়, ফুসফুসের উপর প্রতিনিয়ত অত্যাচার চালানোই এজন্য দায়ী। আমাদের চারপাশের পরিবেশে ক্যান্সার হবার মতো যতো উপাদানই থাকুকনা কেনো জেনে হোক বা না জেনে হোক প্রায় সবকিছুই আমরা শ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে ঢুকিয়ে দেই, তা ছাড়াও শরীরের অন্য কোথাও ক্যান্সার হলে সেখান থেকেও রক্তের মাধ্যমে ফুসফুসে তা চলে আসার সম্ভাবনা খুব বেশী,তাই ফুসফুসে তো ক্যান্সার হতেই পারে, তাইনা? ফুসফুসের ক্যান্সার একটি প্রতিরোধযোগ্য ব্যাধি। কারণ ধূমপান পরিহার করলে ফুসফুসে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি অনেকটা কমে যায়।আসুন তাহলে জেনে নেই এই ব্যধীর লক্ষ্যন সমূহ যাতে করে খুব সহজেই যদি আপনার সন্দেহ হয় বা আপনি আপনার নিকটস্থ কারো ব্যাপারে চিন্তিত থাকেন তাহলে শিগ্রয়ি ডাক্তার এর শরণাপন্ন হওয়া উচিৎ কিনা তা বিবেচিনা করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবেন । ফুসফুসের ক্যান্সার অনেক ধরনের হয়ে থাকে। তবে আজকাল চিকিৎসার সুবিধার জন্য ফুসফুসের ক্যান্সারকে আমরা দুই ভাগে ভাগ করে থাকি- স্মলসেল লাং ক্যান্সার ও নন-স্মল লাং ক্যান্সার।  

 

যারা এই ব্যাধিতে আক্রান্ত হবার জন্য ঝুঁকিপূর্ণঃ

  • সাধারনত যারা খুব বেশী ধুমপান করেন তাদের এই ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা খুব বেশী। প্রতিদিন যারা দুই থেকে তিন প্যাকেট সিগারেট সেবন করেন এবং ২০ থেকে ৩০ বছর ধরে সেবন করেন, এদের মধ্যে ৯০ ভাগ লোকের ফুসফুসে ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা থাকে।যে যত বেশি মাত্রায় এবং বেশি দিন ধরে ধূমপান করবেন, তার এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও তত বেশি হবে। ধূমপানের মধ্যেও আবার কিছু ব্যাপার রয়েছে, যা এই রোগের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। যেমন- সিগারেটের ধোঁয়া নিঃশ্বাসের সাথে ভেতরে নেয়া, একটি সিগারেটকে হাতের আঙুলের ফাঁকে না রেখে ঠোঁটের মধ্যে রেখে নিঃশ্বাস গ্রহণ করা, নেভানো সিগারেট আবার জ্বালিয়ে খাওয়া এবং সিগারেট খেতে খেতে একেবারে শেষ পর্যন্ত টেনে খাওয়া প্রভৃতি।
  • পাশাপাশি যারা ঝুকিপূর্ণপেশায় জড়িত যেমন এসবেষ্টস কারখানায় যারা কাজ করে, বা প্রচুর ধুলাবালির মধ্যে যাদের কাজ করতে হয় তাদেরও এই ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা খুব বেশী।
  • এছাড়া বংশগত কারনেও এমন ক্যান্সার হতে দেখা যায়।

সাধারনত ৪০ উর্ধ্ব ধুমপায়ী বা তামাকসেবী লোকজনের মধ্যে এই ক্যান্সার দেখা দেয়, বৃদ্ধ বয়সে ক্যান্সার হবার ঝুকি আরো বাড়তে থাকে, তবে ৪০ এর কম বয়সের লোকজনেরও এই রোগ হতে পারে।

সাধারণত এই রোগের সুরুতে কোন প্রকার তেমন জটিল লক্ষ্যন দেখা যায় না অনেকের ক্ষেত্রেই ,তাই সমস্যাটি বেশ জটিল হয়ে আসলে তখনি ধরা সম্ভব হয় যে ঐ ব্যক্তি ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন । তবু কিছু লক্ষ্যন আছে বা সতর্কবাণী যা থেকে আপনি সাবধানতা অবলম্বন করতে পারেন।

 

ফুসফুস ক্যান্সারের সাধারণ লক্ষ্যন :

  • কাশিঃ দুই-তৃতীয়াংশ রোগীর ক্ষেত্রেই লাং ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে কাশি দেখা যায়।  এক্ষেত্রে শুকনো কাশি অথবা ঘন ঘন কাশি হতে পারে, কাশির সাথে অতিমাত্রায় কফ যেতে পারে অথবা রাতের দিকে কাশি প্রচণ্ড বেড়ে যেতে পারে।
  • কাশির সাথে রক্ত যাওয়াঃ এটিও ফুসফুস ক্যান্সারের অন্যতম লক্ষণ এবং ধূমপানকারী পুরুষ রোগীদের ক্ষেত্রে লক্ষণটি বেশী দেখা যায়। এক্ষেত্রে কফের সাথে অথবা থুতুর বা লালার সাথে রক্ত যায় এবং দেখা যায় ফুসফুস এর কোন না কোন জায়গায় বারবার ইনফেকশন হয়।
  • বুক ব্যথাঃ প্রায় ৩০% ফুসফুস ক্যান্সারের রোগীর ক্ষেত্রে এই লক্ষণটি দেখা যায়। টিউমার ফুসফুস ঝিল্লীর আশপাশে হলে মাঝে মাঝে হালকা বুক ব্যথা হয়ে থাকে কিন্তু টিউমারটি যদি ফুসফুস ঝিল্লী ভেদ করে তাহলে অনবরত বুকে ব্যথা থাকে।
  • জ্বরঃ ক্যান্সারের প্রদাহের কারণে জ্বর হয়ে থাকে এবং শরীরের তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি এর নিচে থাকে। এক্ষেত্রে কোন অ্যান্টিবায়োটিক ও কাজ করে না এবং বার বার জ্বর আসতে থাকে।
  • বুক ব্যথা এবং শ্বাস-কষ্টঃ ক্যান্সারের কারণে ফুসফুসের শ্বাস প্রশ্বাস গ্রহন প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হয়।
  • আঙুল ফুলে যাওয়াঃ এক্ষেত্রে আঙুল ফুলে যায় এবং ব্যথা হয় বিশেষ করে আঙুলের গোঁড়ার দিক এবং নখের চারপাশ। এই লক্ষণ দেখা মাত্রই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে যাতে ক্যান্সারের বিস্তার রোধ করা যায়।
  • বাতঃ শরীরের জোড়া বা গাঁট যেমন হাঁটু,কনুই,কব্জি ইত্যাদিতে ব্যথা হতে পারে। এমনকি ব্যথার কারণে হাত নড়াচড়া করতে বা হাঁটতেও প্রচণ্ড অসুবিধা হতে পারে।

কাশি এই রোগের অতিপরিচিত একটি লক্ষন, দীর্ঘমেয়াদী কাশি সেই সাথে হলদেটে কফ হওয়া বা কফের সাথে রক্ত যাওয়া এসব ফুসফুসের ক্যান্সার এর লক্ষন। এই ক্যান্সারে বুকে খুব ব্যথা হতে পারে যা সহজে সারতে চায়না। শ্বাস কষ্টহওয়া, দ্রুত ওজন কমে যাওয়া, দুর্বলতা দেখা দেয়া, রুচিহীনতা, ঘন ঘন ক্লান্তি লাগা, ক্ষুদা মন্দা এই সবই ফুসফুস ক্যান্সার এর উপসর্গ হিসেবে দেখা দিতে পারে। অনেক রোগী এই রোগে ফুসফুসে পানি জমা, পাঁজরের হাড়ে ব্যথা এমনকি জন্ডিস নিয়েও আসতে পারে। কারো কারো আবার অভিযোগ থাকে শুধু একপাশের হাতেব্যথা এবং কাশি। তাই বৃদ্ধ বয়সের ধুমপায়ী রোগী কোনো প্রকার শ্বাস কষ্ট নিয়ে আসলে চিকিৎসক গন ফুসফুস ক্যান্সার এর কথা মাথায় রাখেন।

 

কারো যদি ফুসফুসে ক্যান্সার হয় তবে কোনো ক্ষেত্রে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে?

যখন টিউমারটি ছোট থাকে, সুস্থ হওয়ার মতো, তখন সে ক্ষেত্রে সমস্যা  ধরা পড়ে না। কোনো টিউমার যদি পাশে থাকে সে ক্ষেত্রেও বোঝা যায় না। এটি আস্তে আস্তে বড় হয়ে যায়। যারা ২০ থেকে ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে ধূমপান করে  তারা যদি এক্সরে করে বা স্ক্রিনিং করে তাহলে অনেক সময় সমস্যা ধরা পড়ে। এ রকম করে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ২৫ ভাগ রোগীকে নির্ণয় করা সম্ভব হয়েছে।

 

যখন এ ধরনের সমস্যা হয় তখন কী কী পরামর্শ দেয়া হয় এবং চিকিৎসা পদ্ধতিটি কীভাবে শুরু করা হয় ?

এই ক্যান্সার সন্দেহ হলে রোগীকে বুকের এক্সরে করাতে হয় এবং তাতে টিউমারের মতো কিছু পেলে তা থেকে বায়োপ্সি করে নিশ্চিত হতে হয় এটা সত্যিই ক্যান্সার কিনা বা ক্যান্সার হলেও এটা কোন ধরনের ক্যান্সার। এছাড়া রোগীর কফ পরীক্ষা, নানা ধরনের রক্তপরীক্ষা, বুকের সিটি স্ক্যান, পেটের আলট্রাসনোগ্রাম সহ নানাধরনের পরীক্ষা করানোর প্রয়োজন হতে পারে। আগেই বলেছি শরীরের অন্য কোথাও ক্যান্সার হলেও তাফুসফুসে চলে আসতে পারে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসা পুরোপুরি ভিন্ন ধরনের হয় তাই এটা জানা খুব জরুরী যেধরাপড়া ক্যান্সার টি সত্যিই ফুসফুসের ক্যান্সার না অন্য কোনো অঙ্গ থেকে এসেছে।সাধারণত প্রথম দিকে চিকিৎসকের কাছে যখন এই সমস্যাগুলো নিয়ে আসেন তখন ফাইন নিডেল সাইটোলজি করতে বলা হয় এবং সিটি গাইডেট অ্যাস্পিরেশন করা হয়। এগুলো করলে আমরা জানতে পারি কোন ধরনের ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছে ব্যক্তিটি। এতে আবার কোষের ভিন্নতা রয়েছে। একটাকে বলা হয় স্মোলসার ফুসফুস ক্যান্সার। আরেকটিকে বলা হয়, স্কোয়ামাস ফুসফুস ক্যান্সার। পরবর্তী সময়ে দেখা হয় এটি অন্য কোথাও ছড়িয়েছে কি না। সে ক্ষেত্রে আল্ট্রাসনোগ্রাম, বিভিন্ন রক্ত পরীক্ষা এবং হাড় পরীক্ষা করা হয়। যদি না ছড়িয়ে থাকে তাহলে এক রকমের চিকিৎসা এবং ছড়িয়ে থাকলে আরেক ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হয়।

 

ফুসফুসের ক্যান্সার চিকিৎসা:

ফুসফুস ক্যান্সার হল এক ধরনের ম্যালিগন্যান্ট টিউমার। এর অনেক ধরনের চিকিৎসা আছে তবে এক্ষেত্রে রোগীর জন্য কোন চিকিৎসাটি সবচেয়ে উপযুক্ত তা নির্বাচন করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।অন্য যেকোনো ক্যান্সারের মতো ফুসফুসের ক্যান্সারের চিকিৎসাও বেশ জটিল।

 

  • সার্জারিঃ ফুস্ফুসের টিউমার অপসারনের জন্য সার্জারি করা হয়। ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলে সার্জারির মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ টিউমার অপসারণ করা যায়। অনেক ক্ষেত্রে ক্যান্সারের মধ্য পর্যায়েও সার্জারি করা হয়।  তবে ফুসফুস ক্যান্সারের ক্ষেত্রে ৪০% এর ও কম রোগীকে সার্জারি করা হয়। ফুসফুস ক্যান্সারের জন্য সার্জারি হল অন্যতম প্রধান চিকিৎসা তবে সার্জারির ধরণ নির্ভর করে টিউমারের ধরণ, আকৃতি, অবস্থান এবং রোগীর শারীরিক অবস্থার উপর।প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগ ধরা পড়লে অপারেশন এর মাধ্যমে ফুসফুসের অংশ বিশেষ (Lobectomy) বা রোগাক্রান্ত একপাশের ফুসফুসকেটে (Pneumonectomy) ফেলে দিলে রোগী সুস্থ হয়ে যায়।
  • রেডিয়েশন থেরাপিঃ দুই ধরনের রেডিয়েশন থেরাপির মধ্যে রয়েছে ইর‍্যাডিয়েশন ইন ক্যাভিটি, ইর‍্যাডিয়েশন ইন ভিট্র। এক্সরে মেশিন, কোবাল্ট বোম, এক্সিলেরেটর প্রভৃতির সাহায্যে রেডিয়েশন থেরাপি দেওয়া হয়। রেডিয়েশন পদ্ধতির সর্বাধুনিক সংযোজন হল “ফোটন নাইফ” পদ্ধতি।

সার্জারির পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী চিকিৎসা হিসেবেও রেডিওথেরাপি দেওয়া হয়। স্কোয়ামাস সেল কারসিনোমার ক্ষেত্রে সার্জারি করা সম্ভব হয় না সেক্ষেত্রেও রেডিওথেরাপি ব্যবহৃত হয়।

রেডিওথেরাপিকে দুইভাগে ভাগ করা যায় সিম্পল রেডিওথেরাপি এবং কম্প্রিহেন্সিভ রেডিওথেরাপি। সিম্পল রেডিওথেরাপির মধ্যে রয়েছে র‍্যাডিক্যাল রেডিওথেরাপি এবং প্যালিয়েটিভ রেডিওথেরাপি। কোন ধরনের থেরাপি দেওয়া হবে তা নির্ভর করে রোগীর শারীরিক অবস্থা, টিউমারের ধরণ, অবস্থান ইত্যাদির উপর। কম্প্রিহেন্সিভ রেডিওথেরাপিতে সার্জারি এবং কেমোথেরাপির সাথে রেডিওথেরাপি দেওয়া হয়। একক ট্রিটমেন্টের তুলনায় এগুলোর সমন্বয় করে ট্রিটমেন্ট করা হলে কার্যকারিতা আরও বেড়ে যায়।

তবে রোগ যতো দেরীতে ধরা পড়ে চিকিৎসাওতত বেশী জটিল হয়। এক পর্যায়ে অপারশনের সাথে সাথে কেমোথেরাপী নেবারও প্রয়োজন হতে পারে।

 

জটিলতা ও প্রগ্নসিস :

রোগ খুববেশী দেরীতে ধরা পড়লে তা সমস্ত শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং অপারেশনের কোনো সুযোগ থাকেনা, শুধু কেমোথেরাপীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, সেক্ষেত্রে সুস্থ হবার সম্ভাবনাও কমতে থাকে। এই ক্যান্সার ফুসফুস থেকে মস্তিস্ক এবং অস্থিতে ছড়িয়ে পড়তে পারে। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় বিশ্বের অনেক হাসপাতালে এই অবস্থাতেও অপারেশন করে চিকিৎসা করার দৃষ্টান্ত আছে। তাই খুব সহজেই নিরাশ হবার কিছু নেই। সঠিক সময়ে রোগ নির্নয় করা গেলে অধিকাংশ রোগীই ৫ বছরের বেশী সময় বেঁচে থাকতে দেখা যায় তবে সমস্ত শরীরে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়লে এই হার নগন্য হয়ে দাঁড়ায়।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে ফুসফুসের ক্যান্সার যদি একেবারেই প্রাথমিক সময় ধরা না যায় তাহলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে রোগীরা পাঁচ বছরের বেশি বাঁচে না। এখন অনেক নতুন কেমোথেরাপি, রিসিপটর বেইজ কেমোথেরাপি চলে এসেছে। সেগুলো দিয়ে হয়তো একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চেষ্টা করা হয় এতে রোগীকে পাঁচ বছর পর্যন্ত বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব। আর প্রথম সময়ে যদি ধরা পড়ে তাহলে পাঁচ বছরের বেশি সময় পর্যন্ত বাঁচিয়ে রাখা যায়। আসলে প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়ার উপরে রোগীর সুস্থতা অনেকটা নির্ভর করে।

 

ঢাকাতে অবস্থিতি সরকারি ও বেসরকারি কিছু হসপিটাল এর তালিকা দেয়া হোল :

 

জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল

ঠিকানা ও যোগাযোগঃ

মহাখালীতে অবস্থিত জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালের ৫০ গজ উত্তরে জাতীয় ক্যান্সার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের অবস্থান।

মহাখালী, ঢাকা- ১২১২

ফোন: ৯৮৮০০৭৮

 

ক্যান্সার হোম

অবস্থান: মহাখালী ওয়ারলেসে অবস্থিত ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩০০ গজ পূর্বে পানির ট্যাংকির বিপরীতে এর অবস্থান।

ঠিকানা: রাফা মেডিকেল সার্ভিসেস

৫৩, মহাখালী (নিচতলা)

ফোন- ০২-৯৮৬১১১১

মোবাইল- ০১৭১৫-০৯০৮০৭, ০১৯৭৫-০৯০৮০৭

 

ডেলটা মেমোরিয়াল হসপিটাল

পাইকপারা , মিরপুর

 

আহসানিয়া মিশন হসপিটাল

মিরপুর , ঢাকা

 

0 comments

Leave a Reply